অন্যান্য

ভালুক ছানার মায়ের কাছে ফিরে আসার লড়াই

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

ভালুক ছানার মায়ের কাছে ফিরে আসার লড়াই

সংগৃহীত

  অনলাইন ডেস্ক

বরফে ঢাকা পাহাড়ি পথ। সেই পথ বেয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো একটি ভালুক ও তার ছানা। যাওয়ার সময় মায়ের পিঠে চড়ে হেলতে-দুলছিল সে।

এই বিপদসঙ্কুল পথে একটু পা হড়কালেই বিপদ। বাস্তবে যা হবার তাই হলো; পা হড়কে বরফের ঢালু পথ বেয়ে নিচে পড়ে গেল ভালুক ছানাটি। 

আর ওদিকে নিরুপায় তার মা। আর নিচে নামলে উপরে পথ বেয়ে উঠা যে এক দু:সাধ্য কাজ। তাই সন্তানের সুস্থমতে ফিরে আসা ছাড়া আর মায়ের কিইবা করার আছে।

এদিকে মৃত্যুর মুখে দাঁড়ানো সেই ছোট্ট ছানাটি। এতটুকু দমে না যেয়ে, শত বাঁধা-উপেক্ষা করে মায়ের কাছে ফিরে আসার জন্য প্রাণপণ লড়াই করছে ছানাটি।  

আর মায়ের কাছে ছানাটির ফিরে যাওয়ার করুণ দৃশটি  ক্যামেরায় ধারণ করেছেন এক স্কটিশ সাংবাদিক। ৩ মিনিটের এই ভিডিওটি টুইটারে ছেড়ে দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়। সূত্র: এই সময় 


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

প্রথমবারের মতো মৃত নারীর জরায়ু থেকে শিশুর জন্ম


আরও খবর

অন্যান্য

  অনলাইন ডেস্ক

একজন মৃত নারীর শরীর থেকে সংগ্রহ করা জরায়ু প্রতিস্থাপনের পর সেখানে সফলভাবে একটি মেয়ে শিশুর জন্ম হয়েছে। এর আগে জীবিত নারীদের দান করা জরায়ু প্রতিস্থাপনের পর শিশুর জন্ম হলেও, মৃত নারীর জরায়ু ব্যবহার করে শিশু জন্মের ঘটনা এই প্রথম।

এই সফলতা বন্ধ্যা নারীদের সন্তান জন্ম দেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে বলে বলছেন চিকিৎসকরা।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টানা ১০ ঘণ্টার অপারেশনের পর ব্রাজিলের সাও পাওলোতে ২০১৬ সালে ওই জরায়ুটি প্রতিস্থাপিত হয়। যার শরীরে সেটি স্থাপন করা হয়েছিল, তার শরীরে জন্ম থেকেই জরায়ু ছিল না।

এ পর্যন্ত জীবিত নারীদের শরীর থেকে ৩৯টি জরায়ু প্রতিস্থাপনের খবর পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে মা তাদের কন্যাকে জরায়ু দান করেছেন। এরকম প্রতিস্থাপনের পর ১১টি শিশুর জন্ম হয়েছে।

তবে কোন মৃত নারীর শরীর থেকে নেয়া জরায়ুতে বাচ্চা জন্মের ঘটনা এবারই প্রথম। এর আগে যতোবার চেষ্টা করা হয়েছে, সেটি ব্যর্থ অথবা গর্ভপাত হয়ে গেছে।

যার জরায়ু, তিনি ছিলেন মধ্য চল্লিশের একজন নারী, যিনি মস্তিষ্কে রক্তপাতে মারা যান। তার তিনটি সন্তান রয়েছে।

যে নারীর শরীরে জরায়ুটি স্থাপন করা হয়, তার এমন একটি শারীরিক সমস্যা রয়েছে, যেখানে যৌনাঙ্গ এবং গর্ভাশয় ঠিকভাবে কাজ করে না। তবে তার ডিম্বাশয় ঠিকঠাক ছিল।

চিকিৎসকরা সেখান থেকে ডিম্বাণু নিয়ে সম্ভাব্য পিতার ভ্রূণের সঙ্গে নিষিক্ত করে এবং সেটি হিমায়িত করে রাখে।

সেই নারীকে এমন ওষুধ দেওয়া হয় যা তার শরীরের রোগ ক্ষমতাকে দুর্বল করে ফেলে, যাতে জরায়ু প্রতিস্থাপনে কোন বাধা তৈরি না হয়। এর দেড় মাস পর থেকে তার মাসিক হতে শুরু করে।

সাত মাস পর নিষিক্ত ডিম্বাণুটি তার জরায়ুতে স্থাপন করা হয়। সব মিলিয়ে স্বাভাবিক গর্ভধারণের পর সিজারিয়ান অপারেশনের পর তিনি আড়াই কেজি ওজনের একটি শিশুর মা হন।

ড. ডানি ইযেনবার্গ বলেন, জীবিত নারীদের শরীর থেকে জরায়ু প্রতিস্থাপন ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য একটি যুগান্তকারী ব্যাপার, যার ফলে অনেক নারী মা হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু জীবিত দাতাদের ক্ষেত্রে সমস্যা হলো, এরকম দাতা দুর্লভ।

তিনি আরও বলেন, মৃত শরীর থেকে জরায়ু সংগ্রহ করে প্রতিস্থাপন করতে পারাটা অত্যন্ত চমৎকার ব্যাপার। কিন্তু এই সফলতা আরো অনেক বেশি দাতা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে, খরচ কমাবে এবং জীবিত দাতাদের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের ঝুঁকি হ্রাস করবে।

পরের
খবর

ক্রিকেটার উসমান খাজার ভাই আটক


আরও খবর

অন্যান্য
ক্রিকেটার উসমান খাজার ভাই আটক

প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার উসমান খাজার ভাই আরসালান খাজাকে (৩৯) আটক করেছে দেশটির পুলিশ। ভুয়া সন্ত্রাসী চক্রান্তে আরেক ব্যক্তিকে ফাঁসানোর অভিযোগে তাকে আটক করা হয়। খবর বিবিসির

অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ আরসালান খাজার বিরুদ্ধে জালিয়াতি এবং ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করার চার্জ গঠন করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিবিদদের হত্যার উদ্দেশ্যে নোটবুকে করা পরিকল্পনার অভিযোগে গত আগস্টে শ্রীলঙ্কার এক ছাত্রকে আটক করে অস্ট্রেলীয় পুলিশ। 

মোহামেদ কামের নিজামদ্দিন নামের ওই শিক্ষার্থী প্রায় এক মাস জেল খাটেন।

জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ২৫ বছর বয়সী পিএইচডি শিক্ষার্থী নিজমাউদ্দিন বলেন, কর্মস্থল নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিদ্বন্দ্বীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন তিনি।

এরপর অধিকতর তদন্ত শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ। গত মঙ্গলবার পুলিশ জানায়, আরসালান খাজার পরিকল্পনায় ফেঁসে গিয়েছিলেন নাজিমদ্দিন।

পুলিশ আরও জানায়, নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিভাগে নাজিমদ্দিন কাজ করতেন সেই একই বিভাগে আরসালান খাজাও কাজ করতেন। এক নারীকে নিয়ে খাজার ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার হয়েছিলেন নাজিমদ্দিন। 

পরের
খবর

ইংল্যান্ডের পাউন্ডের নোটে জায়গা পাচ্ছে জগদীশচন্দ্র বসুর ছবি


আরও খবর

অন্যান্য

  অনলাইন ডেস্ক

ব্রিটেনের নতুন ৫০ পাউন্ডের নোটে আসতে পারে প্রখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর ছবি। সম্প্রতি এমনটাই জানানো হয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের পক্ষ থেকে।

ব্যাংক অব ইংল্যান্ড জানিয়েছে, ২০২০ সালে আসবে ৫০ পাউন্ডের নতুন নোট। সেই নতুন নোটে বিশ্বের কোনও খ্যাতনামা বিজ্ঞানীর ছবি রাখার কথা ভেবেছে তারা। বিশ্বের অন্যান্য বিজ্ঞানীদের সঙ্গে তালিকায় নাম রয়েছে জগদীশচন্দ্রেরও। 

নতুন ৫০ পাউন্ডের নোটে কার ছবি থাকবে, এজন্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নামের প্রস্তাবও চেয়েছিল ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। শর্ত ছিলো- ব্রিটেনের বিজ্ঞানচর্চায় সেই বিজ্ঞানীর অবদান থাকতে হবে। আর তাতেই মনোনীত হয়েছে জগদীশচন্দ্র বসুর নামও। 

ব্যাংক অব ইংল্যান্ড এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার ১১২ জন বিজ্ঞানীর নাম পেয়েছেন। আর সমীক্ষার প্রথম পর্যায়ে মনোনীতদের মধ্যে জগদীশচন্দ্র বসুর নাম রয়েছে। এছাড়া তালিকায় রয়েছে বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার, গ্রাহাম বেল, বিজ্ঞানী অ্যালান টিউরিং এবং অ্যাডা লোভেলেস, বিজ্ঞানী জন স্নো, জ্যোতির্বিজ্ঞানী প্যাট্রিক মুর–সহ আরও অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানীর নাম। 

১৪ ডিসেম্বরের পর ব্যাংক অব ইংল্যান্ড সিদ্ধান্ত নেবে ৫০ পাউন্ডের নোটে কার ছবি যাবে। সূত্র: আজকাল।