অস্ট্রেলিয়া

জন্মের প্রথম দিনে দেখা বন্ধুই হলো জীবনসঙ্গী

প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮

জন্মের প্রথম দিনে দেখা বন্ধুই হলো জীবনসঙ্গী

  অনলাইন ডেস্ক

প্রথম দর্শনে প্রেম –এটা অনেকের জীবনেই প্রযোজ্য। কিন্তু জন্মের প্রথম দিনেই যাদের প্রথম দেখা তাদের মধ্যে প্রেমের ঘটনা সত্যিই বিরল।

কিন্তু অষ্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ণে বসবাসকারী এক দম্পতি জেমা আর ড্যানিয়েলের জীবনে এমন ঘটনাই ঘটেছে। ঘটনাটি ২৯ বছর আগের। জেমা আর ড্যানিয়েলের মা লেবার পেইন নিয়ে ১৯৮৯ সালে অষ্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া প্রদেশের উইলিয়াম অ্যাংলিশ হসপিটাল ইন আপার ফার্নানট্রি গালিতে ভর্তি হন একইসঙ্গে। একই দিনে দুইজন সন্তান প্রসব করেন। যাদের একজনের নাম ড্যানিয়েল ,অন্যজন জেমা।সন্তানসহ দুই নারীকে হাসপাতালে একইরুমে পাশাপাশি বেডে রাখা হয়। সেখানে ওই দুই নারীর মধ্যে দারুন বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

জেমা আর ড্যানিয়েলের মা দুজনে তাদের সদ্যজাত ছেলেমেয়ের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে তুলবেন এমন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। 

জেমা ও ড্যানিয়েল জন্ম থেকেই হয়ে ওঠে বন্ধু। কিন্তু তাদের এ বন্ধুত্বে ফাটল দেখা দেয় ৯ বছর বয়সে দুই পরিবার শহরের দুই প্রান্তে চলে যাওয়ার কারণে। 

মাঝখানে চলে যায় অনেক বছর। ২০১৩ সালে জেমা ও ড্যানিয়েলের বয়স যখন ২৪ বছর তখন ফেসবুকের মাধ্যমে আবার তারা দুজন দুজনকে খুঁজে পায়। নতুনভাবে যোগাযোগ শুরু হয় তাদের মধ্যে। এরপর তারা নিয়মিত ম্যাসেজ আদান প্রদান শুরু করে। আবারও তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। দুই বছর পর ড্যানিয়েল বিয়ের প্রস্তাব দেয় জেমাকে। ২০১৭ সালের এপ্রিলে বিয়ে হয়ে যায় জন্মক্ষণের সঙ্গীদের মধ্যে। শিগগিরই এই দম্পতির ঘর আলো করে আসছে নতুন অতিথি। জেমা আর ড্যানিয়েলের বিয়ের গল্প অনেকের কাছে সিনেমার মতোই রোমাঞ্চকর।  সূত্র: ইনডিপেন্ডেন্ট


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বিশালাকৃতির বাঁধাকপি ফলিয়ে চমক দেখালেন দম্পতি


আরও খবর

অস্ট্রেলিয়া

  অনলাইন ডেস্ক

অষ্ট্রেলিয়ান দম্পতি রোজমেরি নরউন ও তার স্বামী সিন ক্যাডমানের দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে শাকসবজি চাষ করে। 

চাষের ক্ষেত্রে নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেও পছন্দ করেন তারা। সেই পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফল হিসাবেই এবার বিশালাকৃতির একটি বাঁধাকপি ফলিয়ে চমক দেখিয়েছেন তারা। বাঁধাকপিটির আকৃতি এতটাই বিশাল যে তা একজন মানুষের সমান। 

জানা গেছে, কাজ থেকে প্রায় অবসর নেয়া এই দম্পতি অনেকদিন ধরেই শাকসবজির চাষ করছেন। তবে এবারই তারা সবচেয়ে বড় আকারের সবজি ফলালেন। 

৭০ বছর বয়সী রোজমেরি বলেন, ‘বাঁধাকপিটি তোলার আগ পর্যন্ত আমি বুঝতেই পারিনি এটার আকৃতি এতটা বড়।’

রোজমেরি জানান, গত মে মাস থেকেই এই বাঁধাকপির চাষে মন দিয়েছিলেন তারা। চাষ করার জন্য তারা বেছে নিয়েছিলেন নিজেদের একটি পরিবেশ-বান্ধব গেস্ট হাউস।

জানা গেছে, এই দম্পতি একসঙ্গে অনেকগুলো বাঁধাকপিই চাষ করেছিলেন। কিন্তু অন্য কোনটি এত দ্রুত বাড়েনি যেমনটি ওই বাঁধাকপিটি বড় হয়েছে। রোজমেরি জানান, পোকার আক্রমণ শুরু হওয়াতে তারা বাঁধাকপিটি তুলে ফেলেন।

জানা গেছে,  তাসমানিয়ায় বসবাসরত ওই দম্পতি বাঁধাকপিটি ফলানোর জন্য প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করেছিলেন । সেই সঙ্গে ওখানকার আবহাওয়াও বাঁধাকপির ফলনের জন্য যথেষ্ট অনুকূলে ছিল ।  বাঁধাকপিটির বিশালাকৃতিতে পৌঁছতে প্রায় ৯ মাস সময় লেগেছে।

রোজমেরি জানান, তাদের বাড়িতে যেসব অতিথি আসেন তাদেরকে নিজেদের ফলানো সবজি দিয়েই অ্যাপায়ন করেন তারা। প্রতি সন্ধ্যায় রান্নার সময় তারা তাজা শাকসবজি তুলে আনেন।রোজমেরি বলেন, 'যেহেতু বাঁধাকপি সবার পছন্দের সবজি এ কারণে তারা এই সবজিটি নিয়েই বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছেন'। সূত্র : মিরর

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

স্ত্রী খাবারের বিল দিতে অস্বীকার করায় পুলিশ ডাকল স্বামী


আরও খবর

অস্ট্রেলিয়া

  অনলাইন ডেস্ক

স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে খাবার খেতে গিয়েছিলেন এক চাইনীজ রেস্টেুরেন্টে। সেখানে সুস্বাদু সব খাবারও খান তারা। তবে এর পরেই বাঁধে বিপত্তি।ওয়েটার বিল নিয়ে এলে স্বামী তার স্ত্রীকে অর্ধেক বিল পরিশোধ করতে বলেন। কিন্তু স্ত্রী সেটা দিতে অস্বীকার করেন।

শুরু হয় তর্কাতর্কি। প্রচণ্ড রেগে গিয়ে স্বামী ফোন দেন পুলিশকে। সম্প্রতি ব্যতিক্রমী এই ঘটনাটি ঘটেছে অষ্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের উত্তরদিকে রেলওয়ে স্ট্রিটের একটি রেস্টুরেন্টে। 

এমনিতে যেকোন জরুরী প্রয়োজনে ৯৯৯ এ কল করার নিয়ম আছে সিডনিতে। স্বামী তাই বিল সমস্যার সমাধান করতে না পেরে জরুরী নাম্বারে কল দেন। পুলিশ আসার পর স্বামী তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। স্বামী জানান, তার স্ত্রী চাইছেন খাওয়ার পুরো বিল তিনি দেবেন। কিন্তু তিনি চান খাওয়ার অর্ধেক বিল যেন তার স্ত্রী দেয়। কিন্তু স্ত্রী সেটা কিছুতেই দিতে চাচ্ছেন না। 

এ ধরনের অদ্ভুত অভিযোগ শুনে রীতিমতো বিস্মিত হন পুলিশ কর্মকর্তারা। তখন তারা অভিযোগকারী স্বামীকে জানান, ৯৯৯ নাম্বারে শুধুমাত্র জরুরী প্রয়োজন যেমন-বিপদগ্রস্ত হলে কিংবা কোন ধরনের অপরাধ সংঘটিত হলে কল করা যায়। এ ধরনের ব্যক্তিগত সমস্যার জন্য নয়।এরপরই পুলিশ ওই জায়গা ত্যাগ করেন। 

ওই ঘটনার পর সিডনি পুলিশ তাদের অফিসিয়াল সাইটে ঘটনাটা তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে ৮০ এর দশকে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করেন। সিডনি পুলিশের ওই পোস্ট থেকে জানা যায়, ৮০ এর দশকে পল চার্লস ডোসা নামের এক ব্যক্তি এক ডজন চাইনীজ রেস্টুরেন্টে বিনা বিলে খাওয়ার জন্য গ্রেফতার হয়েছিলেন। সেই সময় পল চিৎকার করে বলেছিলেন, ‘ভদ্রমহোদয়গণ, এখানে গণতন্ত্র আছে। কিসের জন্য আমাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে? সুস্বাদু চাইনীজ খাবার খাওয়ার জন্য কেন আমি অভিযুক্ত হবো?’ সূত্র : মেইল অনলাইন

সংশ্লিষ্ট খবর