সারাদেশ

যাত্রী নামিয়ে ৫ সিএনজি খালে ফেলে দিল পুলিশ

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০১৯ | আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৯

যাত্রী নামিয়ে ৫ সিএনজি খালে ফেলে দিল পুলিশ

খালে ফেলে দেওয়া একটি সিএনজি -সমকাল

  পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

মহাসড়কে তিন চাকার গাড়ি নিষিদ্ধ হলেও চট্টগ্রামের পটিয়ায় মানা হচ্ছে না সেই নিয়ম। বিভিন্ন সময় পুলিশ নিষিদ্ধ এসব গাড়ি আটক করে মামলা দিলেও চালক ও মালিকরা জরিমানা দিয়ে সেগুলো পুনরায় রাস্তায় নামাচ্ছেন। ফলে প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন দুর্ঘটনা ঘটছে। অবশেষে তিন চাকার এসব যান নিয়ন্ত্রণে পটিয়ায় ব্যতিক্রমী অভিযান শুরু হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সকালে পটিয়া-ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশ ৫টি সিএনজি আটক করে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে সেগুলো পার্শ্ববর্তী খালে ফেলে দেয়। 

এদিকে সিএনজি আটক করে মামলা না দিয়ে খালে ফেলে গাড়ির ক্ষতিসাধন করায় মালিক ও চালকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। 

হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কে তিন চাকার গাড়ি চলাচল যোগাযোগ মন্ত্রণালয় নিষিদ্ধ করলেও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান মহাসড়কের পটিয়া, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া উপজেলায় তা মানছে না। তিন চাকার শত শত গাড়ি প্রতিদিন মহাসড়ক হয়ে চলাচল করছে। পটিয়া-ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মিজানুর রহমান মহাসড়কে সিএনজি চলাচল বন্ধে এবার ব্যতিক্রমী অভিযান শুরু করেছে। দুর্ঘটনা কমাতে মিজানুর রহমান নিষিদ্ধ গাড়ির বিরুদ্ধে মামলার পাশাপাশি আটক করে তা তাৎক্ষণিক খালে ও ডোবায় ফেলে দিচ্ছেন। গত ৭ দিনে প্রায় ত্রিশটি গাড়ি খালে ও ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং অর্ধ শতাধিক গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। 

পটিয়া-ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, মহাসড়কে নিষিদ্ধ সিএনজি চলাচল কোনভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না। এসব গাড়ি বন্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। সিএনজির বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া ছাড়াও অতিরিক্ত লোডের কারণে বেশ কিছু গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

২ ঘণ্টার জন্য ড. সামাদের মরদেহ কাছে পেয়েছিলেন স্বজনরা


আরও খবর

সারাদেশ

নিহত ড. সামাদ

  নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

নিউজিল্যান্ডে ক্রাইস্টচার্চে আল নূর মসজিদে হামলায় নিহত বাংলাদেশি কৃষিবিদ ড. আব্দুস সামাদের মরদেহ পেয়েছেন স্বজনরা। 

বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত তিনটার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়িতে মরদেহ পাঠায়। পরে মরদেহে কাফন পরানো শেষে দাফনের জন্য আবারও নিয়ে আসে সরকারি কর্তৃপক্ষ। 

তবে দাফন কখন হবে তা নিশ্চিত করতে পারেননি নিহতের কোন স্বজন। সামাদের মরদেহ দুই ঘণ্টার মত স্ত্রী-সন্তানের কাছে ছিল বলে জানান ঢাকায় অবস্থানরত নিহতের বড় ছেলে তোহা মোহাম্মদ। 

তোহা মোহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশ সময় রাত তিনটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ আমাদের নিউজিল্যান্ডের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। গোসল করানোর পর কাফন শেষে আবারও মরদেহ নিয়ে যায়। দুই ঘণ্টা মরদেহের পাশে ছিলেন মা ও ভাইয়েরা। 

তোহা জানায়, তারও নিউজিল্যান্ডে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এ মূহুর্তে নিউজিল্যান্ড সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকায় যেতে পারেননি। 

এদিকে নিহত ড. সামাদের বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী পৌর এলাকার মধূর হাইল্যা গ্রামে শোকের মাতম থামছে না। এ বর্বর ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি স্বজনদের। 

নাগেশ্বরী পৌর এলাকার মধূরহাইল্যা গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিন সরকারের ছেলে ড. সামাদ নাগেশ্বরীতে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা শেষে বাকৃবি থেকে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে ১৯৮০ সালে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন। এর আগে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটেও চাকরি করেছেন কৃষিবিদ সামাদ। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিরত অবস্থায় ১৯৮৮ সালে নিউজিল্যান্ডের লিংকন বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করতে যান। দেশে ফিরে আবারও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন এবং কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হন। চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি অবসর নিয়ে নিউজিল্যান্ডে চলে যান পরিবার নিয়ে। ড. সামাদের তিন ছেলে। দুই ছেলে ও স্ত্রী কিশোয়ারা সুলতানাকে নিয়ে নিউজিল্যান্ডে বসবাস করতেন সামাদ। বড় ছেলে ঢাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

খসে পড়লো জেলা জজের বাসার ছাদের পলেস্তরা


আরও খবর

সারাদেশ

  চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনের ছাদ থেকে খসে পড়লো পলেস্তরা। শহরের কালিবাড়ি এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ভবনের ২য় তলার এক কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন জেলা ও দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান ও তার পরিবারের সদস্যরা। 

চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খানের ছোট ছেলে মো. জুহায়ের খান মুরিজ বলেন, আমি সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ভবনের ওই কক্ষে বই পড়ছিলাম। হঠাৎ ১১টার সময় এই কক্ষের সিলিংয়ের প্লাস্টার খসে পড়ে বিকট আওয়াজ হয়। এতে আমি ভয়ে চিৎকার দিলে আমার আম্মু ও ভাইয়া এই কক্ষে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে। 

জেলা ও দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান বলেন, এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা নিরাপদবোধ করছি না। 

মো. জুলফিকার আলী খানের বড় ছেলে মো. জুনায়েদ খান মুনিম বলেন, আমরা এই পরিবারে বাবা মা ও আমার ছোট ভাইসহ মোট ৪ জন থাকি। আমরা এখানে আসছি মাত্র অল্প কয়েক মাস হলো। এখনি ভবনের এই অবস্থা। আমরা এখানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন গণপূর্ত বিভাগের জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান। তিনি জানান, এই ভবনটি আনুমানিক ১৯৮৮ সালে নির্মিত হয়েছিলো। শুধু এই কক্ষটিই নয়, ভবনের অন্যান্য কক্ষের সিলিংয়ের প্লাস্টারগুলোও খসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করেছি। ছাদের প্লাস্টার করা হবে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু


আরও খবর

সারাদেশ

ফাইল ছবি

  সিলেট ব্যুরো

বিশিষ্ট লেখক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিলেট মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদলতের বিচারক মমিনুন নেসার আদালতে একজন স্বাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

মামলার বাদি শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ইশফাকুল হোসেনের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হলো। আগামী ২৫ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ হবে। 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি মাশুক আহমেদ সমকালকে এসব তথ্য জানিয়েছে। 

তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে ৫৬ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে।  

গত বছরের ৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে ড. জাফর ইকবালকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায় ফয়জুর ওরফে ফয়জুল হাসান নামে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ এক সাবেক মাদ্রাসাছাত্র।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইশফাকুল বাদী হয়ে ওই দিনই সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জালালাবাদ থানায় মামলা করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর