সারাদেশ

দেশের কোনো মানুষ শীতে কষ্ট করবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯

দেশের কোনো মানুষ শীতে কষ্ট করবে না: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় হতদরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন— সমকাল

  রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, দেশের কোনো মানুষ শীতে কষ্ট করবে না। দেশের প্রতিটি হতদরিদ্র পরিবারে মাঝে পর্যায়ক্রমে কম্বল বিতরণ করা হবে।

শনিবার সকালে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় হতদরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রীর নিজ এলাকার রৌমারী সিজি জামান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সদর ইউনিয়নের ২০০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণের মধ্য দিয়ে ছয়টি ইউনিয়নে ৮শ’ কম্বল বিতরণ করা হয়।

জাকির হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কোনো দুর্নীতি করে না। কেউ দুর্নীতি করার চেষ্টা করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

এ সময় তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

কম্বল বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন রৌমারী উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু, সরবেশ আলী, কবীর হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর কাদের, রৌমারী সিজি জামান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু হোরায়রা, জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক জাইদুল ইসলাম মিনু প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

তারাকান্দায় সহোদর দুই কৃষককে হত্যার দায়ে চারজনের মৃত্যুদণ্ড


আরও খবর

সারাদেশ

  ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহের তারাকান্দার কোদালধর এলাকার সহোদর দুই কৃষককে হত্যার মামলায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন  আদালত।

বুধবার দুপুরে বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো: এহ্সানুল হক এই আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- একই এলাকার রামচন্দ্রপুরের জমির উদ্দিনের ছেলে লিয়াকত আলী (৫৫), লিয়াকত আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৫), জমির উদ্দিনের ছেলে আবুল কাসেম(৫০) ও সিরাজ আলীর ছেলে হোসেন আলী (৬২)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে ২০০১ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে ধারালো রাম দা-বল্লমের আঘাতে আসামিরা মৃত হাফিজ উদ্দিনের দুই ছেলে আব্দুর রশিদ ও গিয়াস উদ্দিনকে হত্যা করে পালিয়ে যান। ওই দিনই নিহত গিয়াস উদ্দিনের ভাই আব্দুল খালেক বাদী হয়ে তারাকান্দা থানায় ২২ জনের নামে মামলা করেন।

কয়েকদিন পর বিভিন্ন জায়গা থেকে ২২ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১৫ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য ও যুক্তি-তর্ক শুনে বিচারক এ আদেশ দেন। 

রাষ্ট্র পক্ষের অ্যাডভোকেট শেখ আবুল হাসেম, বাদী পক্ষের অ্যাডভোকেট আব্দুর গফুর, বিশ্বনাথ পাল ও আসামি পক্ষের অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান মামলা পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মহাসড়ক অবরোধ করে রাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ


আরও খবর

সারাদেশ

   রাবি প্রতিনিধি

ঢাকায় বাস চাপায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরী নিহতের প্রতিবাদে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের পেছনের আমতলা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরে প্রক্টোরিয়াল বডির আশ্বাসে তারা বিক্ষোভ বন্ধ করেন।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে স্লোগান দেন। তাদের হাতে বিভিন্ন  প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করতে দেখা যায়।

আন্দোলনে ৮ দফা দাবি জানানো হয়। তাদের দাবিগুলো হলো- আবরারের ‘হত্যাকারী’কে বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দেওয়া, জাবালে নূরের সকল বাস বন্ধ করা, রাস্তায় রাস্তায় চেকিং সিস্টেম বন্ধ করা,  প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে স্টপেজ রাখা, প্রত্যেক বাস চালকের ছবি এবং লাইসেন্স শো করা, শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়া কার্যকর করা, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ওভারব্রিজ নির্মাণ এবং প্রতিটি জেব্রা ক্রসিংয়ের পাশে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা।

এর আগে একই দাবিতে ক্যাম্পাসে মৌন মিছিল ও মানববন্ধন করে লোকপ্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা অভিযুক্ত বাস চালকের দৃষ্টন্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবিরে আগুনে পুড়ল ২০ ঘর


আরও খবর

সারাদেশ

আগুনে পুড়ে যাওয়া নগদ অর্থ -সমকাল

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফের অনিবন্ধিত লেদা রোহিঙ্গা শিবিরে আগুন লেগে ২০টি ঘর পুড়ে গেছে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই ঘরগুলো আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল মতলব। 

তিনি জানান, বুধবার সকালে লেদার স্থানীয় একজনের জমিতে গড়ে উঠা রোহিঙ্গা শিবিরের এইচ বল্কে এক রোহিঙ্গা নারীর ঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।  তবে তার আগেই ২০টি ঘর পুড়ে গেছে।     

রোহিঙ্গারা জানায়, বুধবার সকালে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগনের সুত্রপাত হয়। প্রথমে হাসিনা বেগমের  ঘরে আগুন লাগে। পরে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ২০টি ঝুপড়ি ঘর পুড়ে যায়।

তারা আরও জানায়, আগুনে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ঘরে থাকা নগদ টাকা ও চালসহ পণ্য সামগ্রী পুড়ে গেছে। 

টেকনাফ নিবন্ধিত নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, লেদা রোহিঙ্গা শিবিরের পাশে আবদুল সালাম নামে এক স্থানীয়ের জমিতে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ঘর থেকে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে বিষয়টি আরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শিবিরে যাতে কোন অপ্রতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা নজরদারি রাখছে। 

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল হাসান বলেন, আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস পাঠানো হয়েছে। 

তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন বলেও জানান।

সংশ্লিষ্ট খবর