সারাদেশ

‘ইয়াবা ব্যবসায়ীদের’ নৌকায় ‘গায়েবি’ হামলা

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০১৯

‘ইয়াবা ব্যবসায়ীদের’ নৌকায় ‘গায়েবি’ হামলা

সৈকতে রাখা ১৩টি নৌকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে -সমকাল

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফনদী ও সমুদ্রে ১৩টি নৌকা পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা আগুন দিয়েছে সে বিষয়ে পুলিশের কাছে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। 

তবে পুড়ে যাওয়া নৌকার মালিকদের অধিকাংশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

পুলিশের ভাষ্যমতে, এসব হামলা হচ্ছে 'গায়েবি'। কিছুদিন আগেও টেকনাফে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরে ঘটনা ঘটেছিল। এখন আবার তাদের নৌকার হামলা হচ্ছে। 

গত দুই দিকে কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নে বাহারছড়া সৈকতে পাঁচটি ও মুন্ডার ডেইল ঘাটের সৈকতে আটটিসহ ১৩টি ইঞ্জিন চালিত নৌকায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছে। 

এসব নৌকার মালিকরা হলেন- টেকনাফের চাঁন মিয়া, মোহাম্মদ ছিদ্দিক, মোহাম্মদ ফারুক, আলী আহমদ, শাকের আহমদ মাঝি, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ ভূট্টো, সৈয়দ আলম, রহিম উল্লাহ ও ফিরোজ আহমদ। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার বাহারছড়া-শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত সৈকতে প্রচুর পরিমাণে নৌকা রয়েছে। এসব নৌকা সাগরে মাছ ধরতে যায়। হঠাৎ করে বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতে মুখাশেধারী একদল লোক সৈকতে এসে ১৩টি নৌকা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। ওই সময় আরও শতাধিক নৌকা ছিল আশপাশে, কিন্তু সেগুলোতে কোনো ধরনের আঘাত করা হয়নি। 

স্থানীয়রা বলেন, সৈকতে ইয়াবা ব্যবসায় অভিযুক্তদের নৌকাগুলোতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। কিন্তু কারা এসব করেছে, তা জানা যাচ্ছে না। এলাকার মানুষও মুখ খুলছেন না।

 টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কিছু নৌযানে অগ্নিসংযোগ করার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় লোকজন বলছে এটি গায়েবি হামলা। এর প্রতিকার চেয়ে কেউ মামলা কিংবা অভিযোগ দেয়নি।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কোচিং সেন্টার বন্ধে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী


আরও খবর

সারাদেশ

ফাইল ছবি

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, কোচিং সেন্টার বন্ধ করার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কোচিং সেন্টার বন্ধ নয়, নীতিমালা তৈরি করে ঢেলে সাজানো হবে। প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রাথমিক স্কুলগুলোতে ভবন দিয়েছি, বিভিন্ন ধরনের উপকরণ দিয়েছি, ভালো শিক্ষক দিয়েছি। তাহলে ছেলেমেয়েরা কেন কোচিংয়ে আকৃষ্ট হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় যেসব বাধাবিঘ্ন ও সমস্যা রয়েছে, তা দূর করা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের ছেলেমেয়েরা যাতে সরকারি স্কুলগুলোতে পড়ে, সে জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে পবিত্র ফাতেহা পাঠ ও বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাতে করেন।

এ সময় কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহম্মেদ মঞ্জু, শেখ বাবুল, রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিনু, রাজীবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই সরকার, কুড়িগ্রাম মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুরাইয়া জাকির ও গোপালগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনন্দ কিশোর সাহাসহ রাজীবপুর এবং রৌমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আ'লীগ নেতার দুই পা ভেঙে দিল মাদক কারবারিরা


আরও খবর

সারাদেশ

  সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দিয়েছে মাদক কারবারিরা। 

শুক্রবার সকালে পিরোজপুর ইউনিয়নে মঙ্গলেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের কোবরানপুর গ্রামের রাসেলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে। এক মাস আগে রুহুল আমিনের ছেলে লুৎফরকে মাদক দেওয়ার চেষ্টা করে রাসেল ও তার সহযোগী আবদুর রহিম। এ ঘটনায় রুহুল আমিন গালমন্দ করেন আবদুর রহিমকে। এরপর লুৎফরকে একা পেয়ে পিটিয়ে আহত করে আবদুর রহিম। এ ঘটনায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির কাছে বিচার দাবি করেন রুহুল আমিন। এতে রাসেল ও তার সহযোগীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল রুহুল আমিনকে পিটিয়ে আহত করে। এরপর শুক্রবার সকালে আবার দ্বিতীয় দফায় রাসেলের নেতৃত্বে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী গিট্টু হৃদয়, কমল, সোলায়মান, আবদুর রহিম, নুরুদ্দিন, ইমরানসহ অর্ধশতাধিক লোক হকিস্টিক ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রুহুল আমিনের দুই পা ভেঙে দেয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাসেল বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গত বছর মাজহারুল ইসলাম নামের এক যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে তারা। 

অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদকের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তার এক বন্ধুকে পিটিয়ে আহত করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন পাল্টা হামলা চালিয়েছে। 

সোনারগাঁ থানার ওসি মোরশেদ আলম জানান, হামলার খবর শুনেছেন। অভিযোগ পেলে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

২১ বছর পর গ্রেফতার আজিবুন নেছা


আরও খবর

সারাদেশ
২১ বছর পর গ্রেফতার আজিবুন নেছা

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

  বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আজিবুন নেছা নামের ষাটোর্ধ্ব এক নারী ২১ বছর পলাতক থাকার পর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাধু গ্রামের তোরাব আলীর স্ত্রী। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিশ্বনাথ থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এসআই জবা রানী দেব ও এসআই পরিমল শীল জানান, ১৯৯৯ সালে দায়ের করা সাধু গ্রামে ঘর পোড়ানো মামলায় আজিবুন নেছাকে অভিযুক্ত করা হয়। দীর্ঘদিন শুনানি শেষে আদালত ২০০৫ সালে আজিবুন নেছাসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন। এতে আজিবুন নেছার ২ বছরের সাজা হয়।

এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার ওসি শামসুদ্দোহা সমকালকে বলেন, ২১ বছর ধরে ওই আসামির কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে সিলেট থেকে তাকে গ্রেফতারের পর সাজাপ্রাপ্ত ওই নারীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর