সারাদেশ

ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান বদির

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণের আহ্বান বদির

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আব্দুর রহমান বদি— সমকাল

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

ইয়াবা কারবারিদের আত্মসমর্পণ করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদি।

শুক্রবার বিকেলে টেকনাফ চৌধুরী পাড়ায় নিজ বাসভবনে কক্সবাজার-৪ আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শাহীন আক্তারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ আহ্বান জানান তিনি।

বদি বলেন, 'ছেলেহারা মা বাবা,  স্বামীহারা স্ত্রী ও বাবাহারা সন্তানদের কথা চিন্তা করে আপনারা আত্মসমর্পণ করার জন্য প্রস্তুত থাকেন। সবাইকে মিলে টেকনাফের ইয়াবার বদনাম ঘোচাতে হবে।'

তিনি বলেন, 'তালিকাভুক্ত এবং তালিকার বাইরে যেসব ইয়াবা কারবারি রয়েছেন তারা সবাই আত্মসমর্পণ করুন। না হলে এ ইয়াবার কারণে কারও মা বাবা সন্তানহারা হচ্ছে আবার কারও স্ত্রী স্বামী হারা হচ্ছে। ইয়াবা টেকনাফবাসীর জন্য অভিশাপ।'

কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহিন আক্তার বলেন, টেকনাফের বদনাম ঘোচাতে সবাইকে সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। তার নির্বাচনী এলাকায় যেসব কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে সেগুলো খুব দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি ইয়াবাসহ সব ধরনের অপকর্ম বন্ধ করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহম, ভাইস চেয়ারম্যান মো. রফিক উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজিজ উদ্দিন, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বাহাদুর, সোনা আলীসহ দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বির্তকের কারণে এবার আবদুর রহমান বদিকে বাদ দিয়ে কক্সবাজার-৪ আসনে তার স্ত্রীকে নৌকার প্রার্থী করা হয়। গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে শাহিন আক্তার ১ লাখ ৫৯ হাজার ৯৫৬ ভোট বেশি পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত ন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

আ'লীগ নেতার দুই পা ভেঙে দিল মাদক কারবারিরা


আরও খবর

সারাদেশ

  সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দিয়েছে মাদক কারবারিরা। 

শুক্রবার সকালে পিরোজপুর ইউনিয়নে মঙ্গলেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের কোবরানপুর গ্রামের রাসেলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে। এক মাস আগে রুহুল আমিনের ছেলে লুৎফরকে মাদক দেওয়ার চেষ্টা করে রাসেল ও তার সহযোগী আবদুর রহিম। এ ঘটনায় রুহুল আমিন গালমন্দ করেন আবদুর রহিমকে। এরপর লুৎফরকে একা পেয়ে পিটিয়ে আহত করে আবদুর রহিম। এ ঘটনায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির কাছে বিচার দাবি করেন রুহুল আমিন। এতে রাসেল ও তার সহযোগীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল রুহুল আমিনকে পিটিয়ে আহত করে। এরপর শুক্রবার সকালে আবার দ্বিতীয় দফায় রাসেলের নেতৃত্বে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী গিট্টু হৃদয়, কমল, সোলায়মান, আবদুর রহিম, নুরুদ্দিন, ইমরানসহ অর্ধশতাধিক লোক হকিস্টিক ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রুহুল আমিনের দুই পা ভেঙে দেয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাসেল বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গত বছর মাজহারুল ইসলাম নামের এক যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে তারা। 

অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদকের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তার এক বন্ধুকে পিটিয়ে আহত করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন পাল্টা হামলা চালিয়েছে। 

সোনারগাঁ থানার ওসি মোরশেদ আলম জানান, হামলার খবর শুনেছেন। অভিযোগ পেলে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

২১ বছর পর গ্রেফতার আজিবুন নেছা


আরও খবর

সারাদেশ
২১ বছর পর গ্রেফতার আজিবুন নেছা

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

  বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আজিবুন নেছা নামের ষাটোর্ধ্ব এক নারী ২১ বছর পলাতক থাকার পর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাধু গ্রামের তোরাব আলীর স্ত্রী। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিশ্বনাথ থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এসআই জবা রানী দেব ও এসআই পরিমল শীল জানান, ১৯৯৯ সালে দায়ের করা সাধু গ্রামে ঘর পোড়ানো মামলায় আজিবুন নেছাকে অভিযুক্ত করা হয়। দীর্ঘদিন শুনানি শেষে আদালত ২০০৫ সালে আজিবুন নেছাসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন। এতে আজিবুন নেছার ২ বছরের সাজা হয়।

এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার ওসি শামসুদ্দোহা সমকালকে বলেন, ২১ বছর ধরে ওই আসামির কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে সিলেট থেকে তাকে গ্রেফতারের পর সাজাপ্রাপ্ত ওই নারীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এবার ভিন্ন চিত্র দেখলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত


আরও খবর

সারাদেশ

ওসমানী বিমানবন্দর

এবার ভিন্ন চিত্র দেখলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

  সিলেট ব্যুরো

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিলেটে এসেছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সে দিন যথারীতি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা গিয়েছিল। ২০০৯ সালে অর্থমন্ত্রী হওয়ার পর প্রত্যেকবার সিলেটে এলেই এমন চিত্র দেখেছেন তিনি। তবে 'সাবেক' হওয়ার মাত্র এগারো দিন পর ওসমানী বিমানবন্দরে নেমে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখলেন মুহিত। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছে দেখলেন তাকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করছেন মাত্র দু'জন!

শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টায় নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সিলেট আসেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত। বিমান থেকে নেমে একটি হুইল চেয়ারে করে ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছান তিনি। এ সময় মুহিতকে অভ্যর্থনা জানান সাবেক এপিএস জনি ভট্টাচার্য। এ ছাড়া প্রায় জনশূন্য ভিআইপি লাউঞ্জে তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম। এদের নিয়েই সাবেক অর্থমন্ত্রী সরাসরি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যান। শুক্রবার দুপুরে সিলেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ডায়নামাইটসের সঙ্গে সিলেট সিক্সার্সের বিপিএল ম্যাচ ছিল। সিলেট সিক্সার্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত এবং চেয়ারম্যান তার ছেলে সাহেদ মুহিত।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তার ছোটভাই ড. এ কে আবদুল মোমেন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়ে ড. মোমেন নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এ আসনে টানা তিনবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হয়েছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এক দশক ধরে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে মুহিত ঢাকা থেকে সিলেট ফিরলে ভিড় লেগে থাকত ওসমানী বিমানবন্দরে। ভিআইপি লাউঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পড়ে যেত হুড়োহুড়ি-ধাক্কাধাক্কি। প্রতি বার মোটর শোভাযাত্রা সহকারে পারিবারিক বাড়ি হাফিজ কমপ্লেক্সে তাকে নিয়ে যাওয়া হত।