সারাদেশ

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট

ফাইল ছবি

   চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম নগরীতে গ্যাস সংকটে দুর্ভোগ বেড়েছে। বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গ্যাসের চাপ কম থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে নগরবাসী।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (কেজিডিসিএল) কর্মকর্তারা জানান, শীতকালে বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় গ্যাসের ব্যবহার বেশি থাকে। এ সময় বাসাবাড়িতে ২০ শতাংশ বাড়তি গ্যাস ব্যবহার হয়। গরম পানির ব্যবহার বেশি হওয়ার ফলে গ্যাসের চুলার ব্যবহারও বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া শীতে তাপমাত্রা কম থাকায় গ্যাসের স্বাভাবিক প্রবাহ ঠিক থাকে না। গ্যাসের লাইনে এ সময় তেল জাতীয় পদার্থ জমে এবং গ্যাস ঘন হয়ে যায়। আর গ্যাসের প্রবাহ কমে যাওয়ায় তৈরি হয় সংকট। বর্তমানে চট্টগ্রামে দৈনিক গড়ে গ্যাসের চাহিদা ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

জানা যায়, নগরের হালিশহর, কোতোয়ালি, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, চকবাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় সংকট দেখা দিয়েছে। নগরের জামালখান, রহমতগঞ্জ, আসকারদীঘির পাড়সহ বিভিন্ন এলাকায় সকাল ১০টার পর গ্যাসের চাপ একেবারে কমে আসে। দুপুর ২টার পর আবার ধীরে ধীরে তা স্বাভাবিক হয়।

হালিশহর এলাকার বাসিন্দা রিমা আকতার সমকালকে বলেন, শীত আসার পর থেকেই গ্যাসের চাপ কমে গেছে। রান্না করতে হয় দুপুরের পর। কেজিডিসিএলের কর্মকর্তা মোহময় দত্ত সমকালকে বলেন, শীত মৌসুমে গ্যাসের চাহিদা বাড়ে। ঠাণ্ডায় গ্যাসের লাইনে তেল জাতীয় পদার্থ জমে যাওয়ায় এ সময় গ্যাসের চাপ কমে যায়। তাই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

আ'লীগ নেতার দুই পা ভেঙে দিল মাদক কারবারিরা


আরও খবর

সারাদেশ

  সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দিয়েছে মাদক কারবারিরা। 

শুক্রবার সকালে পিরোজপুর ইউনিয়নে মঙ্গলেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনকে উদ্ধার করে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের কোবরানপুর গ্রামের রাসেলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছে। এক মাস আগে রুহুল আমিনের ছেলে লুৎফরকে মাদক দেওয়ার চেষ্টা করে রাসেল ও তার সহযোগী আবদুর রহিম। এ ঘটনায় রুহুল আমিন গালমন্দ করেন আবদুর রহিমকে। এরপর লুৎফরকে একা পেয়ে পিটিয়ে আহত করে আবদুর রহিম। এ ঘটনায় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির কাছে বিচার দাবি করেন রুহুল আমিন। এতে রাসেল ও তার সহযোগীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলের নেতৃত্বে ১০-১২ জনের একটি দল রুহুল আমিনকে পিটিয়ে আহত করে। এরপর শুক্রবার সকালে আবার দ্বিতীয় দফায় রাসেলের নেতৃত্বে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী গিট্টু হৃদয়, কমল, সোলায়মান, আবদুর রহিম, নুরুদ্দিন, ইমরানসহ অর্ধশতাধিক লোক হকিস্টিক ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রুহুল আমিনের দুই পা ভেঙে দেয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাসেল বাহিনীর অত্যাচারে এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। গত বছর মাজহারুল ইসলাম নামের এক যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে তারা। 

অভিযুক্ত রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাদকের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তার এক বন্ধুকে পিটিয়ে আহত করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন পাল্টা হামলা চালিয়েছে। 

সোনারগাঁ থানার ওসি মোরশেদ আলম জানান, হামলার খবর শুনেছেন। অভিযোগ পেলে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

২১ বছর পর গ্রেফতার আজিবুন নেছা


আরও খবর

সারাদেশ
২১ বছর পর গ্রেফতার আজিবুন নেছা

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

  বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি

দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আজিবুন নেছা নামের ষাটোর্ধ্ব এক নারী ২১ বছর পলাতক থাকার পর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাধু গ্রামের তোরাব আলীর স্ত্রী। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আগের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিশ্বনাথ থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এসআই জবা রানী দেব ও এসআই পরিমল শীল জানান, ১৯৯৯ সালে দায়ের করা সাধু গ্রামে ঘর পোড়ানো মামলায় আজিবুন নেছাকে অভিযুক্ত করা হয়। দীর্ঘদিন শুনানি শেষে আদালত ২০০৫ সালে আজিবুন নেছাসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন। এতে আজিবুন নেছার ২ বছরের সাজা হয়।

এ ব্যাপারে বিশ্বনাথ থানার ওসি শামসুদ্দোহা সমকালকে বলেন, ২১ বছর ধরে ওই আসামির কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে সিলেট থেকে তাকে গ্রেফতারের পর সাজাপ্রাপ্ত ওই নারীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এবার ভিন্ন চিত্র দেখলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত


আরও খবর

সারাদেশ

ওসমানী বিমানবন্দর

এবার ভিন্ন চিত্র দেখলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

  সিলেট ব্যুরো

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিলেটে এসেছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সে দিন যথারীতি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা গিয়েছিল। ২০০৯ সালে অর্থমন্ত্রী হওয়ার পর প্রত্যেকবার সিলেটে এলেই এমন চিত্র দেখেছেন তিনি। তবে 'সাবেক' হওয়ার মাত্র এগারো দিন পর ওসমানী বিমানবন্দরে নেমে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখলেন মুহিত। শুক্রবার দুপুরে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সিলেটে পৌঁছে দেখলেন তাকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করছেন মাত্র দু'জন!

শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টায় নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সিলেট আসেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত। বিমান থেকে নেমে একটি হুইল চেয়ারে করে ভিআইপি লাউঞ্জে পৌঁছান তিনি। এ সময় মুহিতকে অভ্যর্থনা জানান সাবেক এপিএস জনি ভট্টাচার্য। এ ছাড়া প্রায় জনশূন্য ভিআইপি লাউঞ্জে তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সদস্য ও সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম। এদের নিয়েই সাবেক অর্থমন্ত্রী সরাসরি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যান। শুক্রবার দুপুরে সিলেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ডায়নামাইটসের সঙ্গে সিলেট সিক্সার্সের বিপিএল ম্যাচ ছিল। সিলেট সিক্সার্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত এবং চেয়ারম্যান তার ছেলে সাহেদ মুহিত।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তার ছোটভাই ড. এ কে আবদুল মোমেন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়ে ড. মোমেন নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এ আসনে টানা তিনবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হয়েছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এক দশক ধরে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে মুহিত ঢাকা থেকে সিলেট ফিরলে ভিড় লেগে থাকত ওসমানী বিমানবন্দরে। ভিআইপি লাউঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের পড়ে যেত হুড়োহুড়ি-ধাক্কাধাক্কি। প্রতি বার মোটর শোভাযাত্রা সহকারে পারিবারিক বাড়ি হাফিজ কমপ্লেক্সে তাকে নিয়ে যাওয়া হত।