সারাদেশ

চবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

চবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

নিহত রাজু

  চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসের একটি কটেজ থেকে জাহাঙ্গীর ইসলাম রাজু (২৩) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী হলের পাশে অবস্থিত এতিম আলী কটেজের একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে হাটহাজারী থানা পুলিশ। ওই কক্ষেই থাকতেন তিনি। রাজু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। 

তিনি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী থানার লেবানন প্রবাসী মো. সিরাজের ছেলে। 

হাটহাজারী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অং শাং খীসার উপস্থিতিতে তার লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হাটহাজারী মডেল থানার ওসি বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, আলামত দেখে প্রাথমিক ধারণায় মনে হচ্ছে রাজু আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র জানান, রাজুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে রাজুর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

রাজুর সহপাঠীরা জানান, চলতি বছরের জানুয়ারির দিকে রাজু ওই কটেজ ভাড়া নেন। কটেজের ওই কক্ষে একাই থাকতেন তিনি। চাকরি এবং পড়াশোনা নিয়ে খুব বেশি চিন্তায় ছিলেন রাজু।

কটেজের অন্য শিক্ষার্থীরা জানান, বুধবার বিকেল থেকে মোবাইল ফোনে বারবার কল করার পরও ফোন রিসিভ না করলে রাজুর পাশের কটেজের এক শিক্ষার্থীকে জানায় তার ছোট ভাই। পরে ডাকাডাকির পরও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেলে জানালার ফাঁক দিয়ে রাজুর লাশ দেখতে পান তারা।

রাজুর চাচাতো ভাই মো. দিদারুল আলম সমকালকে বলেন, দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় রাজু। তার পরিবারেও তেমন কোনো ঝামেলা নেই। তবে সে সবসময় চাকরি এবং পড়াশোনা নিয়ে চিন্তায় থাকত।

রাজুর সাবেক রুমমেট মো. আজিম বলেন, গত ৩০ নভেম্বর আমি চট্টগ্রাম শহরে বাসা নিই। যখন রাজুর সঙ্গে থাকতাম তখন দেখতাম মানসিকভাবে সবসময় হতাশাগ্রস্ত ছিল সে। বিভিন্ন সময় পত্রিকায় আত্মহত্যার কলাম দেখে আমাকে দেখাত এবং বলত দিন দিন আত্মহত্যা বেড়েই চলেছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

সাতক্ষীরায় ৪৮ জন গ্রেফতার


আরও খবর

সারাদেশ
সাতক্ষীরায় ৪৮ জন গ্রেফতার

প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলার আট থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান বলেন, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১২ জন, কলারোয়া থানা থেকে ৭ জন, তালা থানা থেকে ৪ জন, কালিগঞ্জ থানা থেকে ৫ জন, শ্যামনগর থানা থেকে ৫ জন, আশাশুনি থানা থেকে ৯ জন, দেবহাটা থানা থেকে ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সব বিরোধী দল এক হয়েছি: ফখরুল


আরও খবর

সারাদেশ

ছবি: সমকাল

  ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ দেশের সব অর্জন নষ্ট করেছে। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। তারা এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করতে চায়। তাই দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে আমরা সব বিরোধী দল এক হয়েছি। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের মাধ্য দিয়ে এই সরকারের পতন হবে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর ইউনিয়নের বরুনাগাঁও মাদ্রাসা মাঠে এক নির্বাচনি পথসভায় এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমি নিজে এই সরকারের আমলে দুই বছর জেল খেটেছি, শতাধিক মামলার আসামি হয়েছি। এই স্বৈরাচারি সরকারের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে দেশে যেন গণতন্ত্রের সরকার প্রতিষ্ঠা হয়। তাহলে দেশ নৈরাজ্য থেকে সুশাসনের মধ্যে আসতে পারে, চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে থেকে শৃঙ্খলার মধ্যে আসতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ড. কামাল হোসেনসহ আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি শুধু অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করবার জন্য। গণতন্ত্র মুক্তির এ সংগ্রামে আমরা জয়ী হতে চাই ভোটের মাধ্যম্যে, ব্যালটের মাধ্যম্যে।

এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান, সহ-সভাপতি পয়গাম আলীসহ দলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে তিনদিন ধরে নির্বাচনি পথসভা ও জনসভা করছেন মির্জা ফখরুল। বৃহস্পতিবার বরুনাগাঁওয়ে পথসভার মধ্য দিয়ে তিনি তৃতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু করেন।

সারাদিন সালন্দর, রাজাগাঁও, রহিমানপুর, জামালপুর ইউনিয়নের ১৫ স্থানে পথসভায় বক্তব্য রাখবেন বিএনপির মহাসচিব। পরে রাত ৮টায় ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কাভার্ডভ্যান চাপায় প্রাণ গেল ৩ পথচারীর


আরও খবর

সারাদেশ

  ময়মনসিংহ ব্যুরো

ময়মনসিংহ সদরের জামতলা এলাকায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় তিন পথচারী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

নিহত তিনজন হলেন- ত্রিশাল উপজেলার জাকির হোসেন (৩০), তারাকান্দা উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের আব্দুল খালেক (২৮) এবং একই উপজেলার শহীদ (৩০)।

কোতয়ালি মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম জানান, ওই চারজন বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় সদর উপজেলার জামতলা এলাকা দিয়ে কাজের উদ্দেশে বাইপাস মোড় হয়ে শহরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় একটি কাভার্ডভ্যান তাদের পেছন থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই জাকির হোসেন ও আব্দুল খালেক মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সাভির্সের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। গুরুতর আহত দু'জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সকাল ৯টার দিকে শহীদ মারা যান। 

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে আধাঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশের গিয়ে যানবাহন চলা স্বাভাবিক করে।

সংশ্লিষ্ট খবর