সারাদেশ

ফতুল্লায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১

প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮

ফতুল্লায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ১

টায়ার পুড়িয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা— সমকাল

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে আবারও শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এক নারী শ্রমিক নিহত ও পুলিশ সদস্যসহ শতাধিক আহত হয়েছেন।

মাত্র তিন দিন আগে ফকির নিটওয়্যারে সংঘর্ষের রেশ কাটতে না কাটতেই বিসিকের এনআর গার্মেন্টে শ্রমিক অসন্তোষের এ ঘটনা ঘটল। মজুরি বাড়ানোর দাবিতে দু'দিন ধরে রফতানিমুখী এ প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বৃহস্পতিবার তা সহিংসতায় রূপ নেয়।

নিহত শ্রমিকের নাম বুবলী বেগম (৪০)। তার বাড়ি নওগাঁ জেলার পাঁচচাটিয়া গ্রামে। ফতুল্লার ভোলাইল এলাকার জব্বার মিয়ার বাড়িতে তিনি ভাড়া থাকতেন। তিনি এনআর গার্মেন্টে হেলপার হিসেবে কাজ করতেন।

এদিন সকালে ফতুল্লার বিসিকে শ্রমিকরা সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন শুরু করলে এনআর গার্মেন্টের স্টাফদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেধে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, গার্মেন্টের ভেতরে আটকে শ্রমিকদের মারধর করা হয় ও গরম পানি ছিটানো হয়। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা বের হয়ে আশপাশের বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানায় ভাংচুর এবং পঞ্চবটি-মুন্সীগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। শ্রমিকরা বেশ কিছু যানবাহনও ভাংচুর করেন। এ সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাসের শেল ও জলকামান ব্যবহার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে বিকেলে কারখানায় ছুটে যান নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান— সমকাল

এদিকে, বুবলীর মরদেহ উদ্ধার করতে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ভোলাইল এলাকায় গেলে পুলিশকে অবরুদ্ধ করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। এ সময় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও ইউনাইটেড ফেডারেশন অব গার্মেন্ট ওয়ার্কার্সের কেন্দ্রীয় সভাপতি কাউসার আহমেদ পলাশ পুলিশ সদস্যদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যান।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে বিকেলে কারখানায় ছুটে যান নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান। শ্রমিক ও মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে শ্রমিকদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।

এনআর গার্মেন্টের শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানার ভেতরে শ্রমিকদের অবরুদ্ধ করে বেদম পেটানো হয়। কোনো মতে সেখান থেকে বরে হয়ে আসার পর পুলিশ ও মালিকের লোকদের মুখে পড়েন তারা। পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং টিয়ার গ্যাসের শেল ও গরম পানি নিক্ষেপ করে। শ্রমিকরা ইটপাটকেল ছুড়ে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এ সময় জলকামান থেকে নিক্ষিপ্ত পানি বুবলীর বুকে লাগলে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে গিয়ে জ্ঞান হারান। সহকর্মীরা উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ তিনশ' শয্যা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বুবলীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকরা আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তখন পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে পুলিশের ৯ সদস্যসহ শতাধিক শ্রমিক আহত হন।

শ্রমিকরা জানান, সরকার ঘোষিত নতুন মজুরি কাঠামো চলতি ডিসেম্বর মাস থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। শ্রমিকরা বর্ধিত বেতন জানুয়ারিতে পাবেন। কিন্তু গার্মেন্ট মালিক মোখলেছুর রহমান বর্ধিত বেতনকে 'পাগলের প্রলাপ' বলে মন্তব্য করেন। এর পর শ্রমিকরা আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

শ্রমিক নেতা কাউসার আহমেদ পলাশ বলেন, নতুন মজুরি কার্যকরের দাবি নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত হয়। তবে তৃতীয় কোনো পক্ষ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এ সংঘর্ষে ইন্ধন দিয়েছে কি-না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের জানান, দু'দিন ধরে এনআর গ্রুপের শ্রমিকরা আন্দোলন করে আসছিলেন। প্রতিষ্ঠানটিতে ১০-১২ হাজার লোক কাজ করেন। গত বুধবার মালিক পক্ষ তাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেয়। তা সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার সকালে শ্রমিকরা ফের আন্দোলন শুরু করেন এবং কারখানায় ও সড়কে গাড়ি ভাংচুর করেন। একপর্যায়ে পুলিশ-শ্রমিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ঘটনা ঘটে।

তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় আতঙ্কিত হয়ে এক নারী শ্রমিক স্ট্রোক করে মারা গেছেন। তার গায়ে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। পুলিশের আঘাতে তার মৃত্যু হয়নি।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ বুবলীর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে একই বক্তব্য দিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ তিনশ' শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. তাহমিনা নাজনিন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা যান। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। ময়নাতদন্ত ছাড়াই শ্রমিকরা তার লাশ নিয়ে গেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোকে মারা গেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

বিএনপি কর্মীদের পিটুনিতে আ.লীগ নেতার মৃত্যু


আরও খবর

সারাদেশ

হাসপাতালে নিহতের মরদেহ -সমকাল

  ফরিদপুর অফিস

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের প্রচারের দ্বিতীয় দিনে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনে পিটুনিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম ইউসুফ আল মামুন (৪০)। তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশররাফ হোসেনের কর্মী। বিএনপি সমর্থকদের পিটুনিতে তার মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। 

ইউসুফ আল মামুন সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গি এলাকায় একটি চায়ের দোকানে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আফসার উদ্দিন বলেন, রাত সাড়ে আটার সময় নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের গোলডাঙ্গা এলাকার একটি চায়ের দোকানে আওয়ামী লীগ নেতা ইউসুফের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির সমর্থক মজিদ ও আজিজের নির্বাচন প্রসঙ্গে ও শেখ হাসিনাকে নিয়ে কথাকটাকাটি হয়।

তিনি বলেন, মজিদ শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করেন। এ সময় ইউসুফ তার প্রতিবাদ করলে তাকে কিল ঘুষি মারেন মজিদ ও আজিজ। এক পর্যায়ে দোকানের ঝাপের লাঠি দিয়ে ইউসুফকে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান ইউসুফ। 

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি লালন ফকির গুরুতর আহত হলে তাকে সদর হাসপাতলে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা বিএনপির প্রার্থী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের সমর্থক। 

তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনকে অশান্ত করার জন্যই এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

নর্থচ্যানেল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জমিরউদ্দিন হাজি এ বিষয়ে বলেন, নিহত ইউসুফ ও আজিজ দুইজনই সমবয়সী। তারা একই সঙ্গে চলাফেরা করেন। 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নির্বাচন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

অন্যদিকে সমর্থকদের শান্ত থাকার অনুরোধ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এলজিআরডি মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেছেন, হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কুষ্টিয়ায় পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ আ.লীগ-বিএনপির


আরও খবর

সারাদেশ

হামলার পর আটক কয়েকজন- সমকাল

  কুষ্টিয়াপ্রতিনিধি

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের নির্বাচনী কার্যালয় থেকে যুবলীগের মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি বলছে, হামলাটা হয়েছে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকেই।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কোটপাড়ায় কোর্ট ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকার এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আটক করা হয়েছে কয়েকজনকে।

জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, নৌকার পক্ষে মিছিল নিয়ে তারা কোর্ট ষ্টেশনের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপি প্রাথী জাকির হোসেন সরকারের অফিস থেকে তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এতে যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম সরুজসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। 

ঘটনার পর রাতে পুলিশ জাকিরের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়ে জন নেতাকর্মীকে আটক করে থানায় নিয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে নৌকার মিছিল বের হয়। মিছিলটি কোটষ্টেশনের পিছনের সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলো। ওই সড়কে বিএনপি প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের নির্বাচনী অফিস। যুবলীগের মিছিলে জাকিরের অফিস থেকে হামলা করা হয়। এতে কমপক্ষে ৬ থেকে ৭জন আহত হন।

জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম বলেন, ‘জাকিরের অফিস খেকে আমাদের মিছিলে হামলা চালানো হয়। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হন।'

বিএনপি প্রার্থী জাকির হোসেন পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কোটপাড়ায় কোর্ট ষ্টেশন সংলগ্ন এলাকায় একটি ভবনের দ্বিতীয়তলায় আমার নির্বাচনী কার্যালয়ে পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করছিলাম এসময় হঠাৎ করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন নেতাকমী লাঠিশোটা নিয়ে হামলা চালায়। দশ মিনিট থাকার পর তারা চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে অভিযান চালায়। যুবলীগের মিছিলে হামলার কোন সত্যতা নেই। এটা মিথ্যা কথা।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, যুবলীগের নৌকার মিছিলে জাকির হোসেনের লোকজন ওপর থেকে ইটপাটকেল ছুড়েছে। এতে ৬-৭ জন আহত হয়েছে। বেশ কয়েকজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। অফিসে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যাচাই বাছাই করে ছেড়ে দেওয়া হবে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

জামায়াত নেতাকে জেলে পাঠানো নিয়ে আদালতে হট্টগোল


আরও খবর

সারাদেশ

ফাইল ছবি

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিনকে নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখানো ও জামিন শুনানিতে আদালতে চরম হট্টগোল করেছেন জামায়াত সমর্থিত একদল আইনজীবী। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহীদুল্লাহ কায়সারের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। পরে আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আদালতে জামায়াত সমর্থিত আইনজীবীদের হট্টগোল করার কথা স্বীকার করলেও এর থেকে বেশি কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কোর্ট ইন্সপেক্টর বিজন কুমার বড়ূয়া। এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা কিংবা জিডি এখনও হয়নি বলেও জানান তিনি। চট্টগ্রাম চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির আবু তাহের বলেন, জামিন ও গ্রেফতার শুনানি নিয়ে হট্টগোল করেন জামায়াত সমর্থক আইনজীবীরা।

জানা গেছে, শুক্রবার জসিম উদ্দিনকে একাধিক নাশকতা মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। লোহাগাড়া থানায় করা অপর একটি নাশকতা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করে পুলিশ। আদালত তাকে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর শুনানির সময় আদালতেই বিশৃঙ্খলা ও হট্টগোল সৃষ্টি করেন আইনজীবীরা।

সংশ্লিষ্ট খবর