সারাদেশ

রাজশাহীতে লাঞ্ছিত কাদের সিদ্দীকি

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

রাজশাহীতে লাঞ্ছিত কাদের সিদ্দীকি

কুমারপাড়া নগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে নেতা-কর্মীরা কাদের সিদ্দীকির গাড়িতে লাথি মারেন -সমকাল

  রাজশাহী ব্যুরো

'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আর জিয়াউর রহমানের যে দ্বন্দ্ব, এই দ্বন্দ্ব করে যারা দেশকে লুটেপুটে খাচ্ছে, আল্লাহ যদি আমাকে সময় দেয়- তাহলে শেখ মুজিব আর জিয়াউর রহমানের দ্বন্দ্ব আমি ঘুচিয়ে দেবো ইনশাল্লাহ।'

শুক্রবার বিকেলে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় এই মন্তব্য করায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা লাঞ্ছিত করেছেন কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকিকে। 

কাদের সিদ্দীকি জনসভা শেষ করে কুমারপাড়া নগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন। ওই সময় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা 'মীরজাফর মীরজাফর, বেঈমান বেঈমান' বলে স্লোগান দিতে থাকেন। ওই সময় গাড়ি থেকে বের হয়ে আসেন কাদের সিদ্দীকি। তিনি গাড়ি থেকে নেমেই আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের মাথায় ঘিলু নাই। জবাবে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা বলেন, 'আপনি বেঈমান-মীরজাফর। আপনাকে আমরা ঘৃণা করি। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়াউর রহমানের তুলনা করে আপনি অপরাধ করেছেন। ক্ষমা চাইতে হবে।' 

এসময় নেতা-কর্মীরা কাদের সিদ্দীকির গাড়িতে লাথি মারেন। পরে পুলিশ এসে তাকে গাড়িতে তুলে দেয়।

নগর আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহমেদ লেমন বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটুক্তি করায় আমরা তাকে মীরজাফর ও বেঈমান বলেছি। শারীরিকভাবে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়নি। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে পুলিশ এসে তাকে গাড়িতে তুলে দেয়।

এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকি বলেন, আমাদের কয়েকজন ছেলে গালাগালি করছিলো। লোক জড়ো হয়েছিলো। পরে আমরা চলে এসেছি। আমি সারাজীবন দেশের জন্য কাজ করেছি। বঙ্গবন্ধুকেই বাংলাদেশ মনে করি। ভালবাসি। আমাকে গালি দেয়া মানে বঙ্গবন্ধুকে গালি দেয়া। বঙ্গবন্ধুকে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে এক করিনি। বঙ্গবন্ধু দেশের নেতা, জাতির পিতা। আমরা তার সন্তান। দুই রহমানকে শিখন্ডিত করে যারা ফয়দা লুটে, আমি তাদের দুরত্বটা কমিয়ে দিতে চাই।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নড়াইলে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত


আরও খবর

সারাদেশ

  নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল পৌরসভার কাড়ারবিল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুম্মান হোসেন রোমিও (২৮) নড়াইল সদরের বিছালী ইউনিয়নের মুধুরগাতি গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।

নড়াইল সদর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে একদল সন্ত্রাসী নড়াইল সদরের কাড়ারবিল এলাকায় অবস্থান করছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ একজনকে নড়াইল সদর হাসপাতালে আনলে চিকিসৎক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য সোহাগ, মফিজুল ও নাজমুল আহত হন। তাদের নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।' 

পুলিশের দাবি, রুম্মান হোসেন রোমিও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতিসহ নড়াইল, যশোর ও অভয়নগর থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সাতক্ষীরায় এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার


আরও খবর

সারাদেশ

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার তালায় এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলিতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মইজুদ্দিন আহমেদ টুলু (৪৫) নিহত হয়েছে। বুধবার সকালে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়ার বিশ্বাসের মোড়ে রাস্তার ধার থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিকড়ি গ্রামের মৃত সামছুল হক সরদারের ছেলে।

তালা থানার ওসি মেহেদি রাসেল বলেন, 'তালার তেঁতুলিয়ার বিশ্বাসের মোড়ে রাস্তার ধারে একটি গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ জানতে পারেন আগের রাতে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় টুলু নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল থেকে ১৬০ পিস ইয়াবা, ১৫ বোতল ফেনসিডিল, একটি মোটর সাইকেল ও একটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়েছে।'

ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ২০১৪ সালের ১১ নভেম্বর রাতে সাতক্ষীরার গজালিয়া বিলে চোরাচালানবিরোধী অভিযান চলাকালে গোয়েন্দা পুলিশের দুই সদস্য আমিনুল ইসলাম ও আবদুর রহিম আহত হন। এ ঘটনায় মইজুদ্দিন আহমেদ টুলুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলা এখনও বিচারাধীন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক পাচারের আরও মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

তবে নিহত মইজুদ্দিন টুলুর স্ত্রী রহিমা বেগম রেখা জানান, তার স্বামী আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও এখন তিনি রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী। গত ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ২০ হাজার টাকাসহ মোটর সাইকেলে তিনি সাতক্ষীরা যাচ্ছিলেন। এ সময় গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায় কিছু লোক। স্থানীয় একটি দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় সেই ছবিও রয়েছে। এরপর থেকে টুলুর মোবাইল বন্ধ থাকায় ১৪ জানুয়ারি রহিমা বেগম সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আড়াইহাজারে ডাকাতি, ২০ ভড়ি স্বর্ণসহ ১২ লাখ টাকা লুট


আরও খবর

সারাদেশ

  আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে আড়াইহাজার পৌরসভার নোয়াপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী মনির হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে ৮-১০ জনের মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাতদল নোয়াপাড়ায় মনির হেসেনের বাড়ির নিচতলার পেছনের জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে মনির হোসেন ও তার ছেলে তানভীর হাসান ইকনের হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে। পরে আগ্নেয়ান্ত্র দিয়ে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ডাকাতদল প্রায় দেড় ঘণ্টা ওই বাড়িতে অবস্থান করে একে একে সব আলমিরা থেকে ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৬৫ হাজার টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান আসবাবপত্রসহ অন্তত ১২ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আড়াইহাজার থানার ওসি আক্তার হোসেন জানান, ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ডাকাতদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর