সারাদেশ

স্ত্রীর ভাড়া করা খুনিরা হত্যা করে আরিফকে: পুলিশ

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

স্ত্রীর ভাড়া করা খুনিরা হত্যা করে আরিফকে: পুলিশ

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে শ্বশুর বাড়িতে কাজি আরিফ হোসেন নামে এক যুবককে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে কাশিয়ানী থানা পুলিশ।

স্ত্রী ও তার ভাড়া করা খুনিরা গত রোববার রাতে তাকে পিটিয়ে হত্যা করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী, শ্বশুর ও ভাড়াটে এক খুনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কাশিয়ানী থানার ওসি মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, কাশিয়ানী এম.এ.খালেক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাশিয়ানীর ঘোনাপাড়া গ্রামের মো. ইবাদুল ইসলামের মেয়ে ফারাজানা ইসলাম কেয়াকে গোপালগঞ্জ জেলা শহরের গেটপাড়ার মৃত কাজী মজিবর রহমানের ছেলে কাজী মো. আরিফ হোসেন ৯ বছর আগে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে ঝগড়া ও বিবদ চলে আসছিল। ঘটনার রাতে কেয়া তার দূর সর্ম্পকের মামাতো ভাই রায়হান মাহমুদের (৩৫) সঙ্গে যোগাযোগ করে সহযোগিতা চান। রায়হান  রোববার রাতে খুলনা জেলার দৌলতপুর দেওয়ানা দক্ষিণপাড়া থেকে দুই ব্যক্তিকে ভাড়া করে কেয়াদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। তারা আরিফকে শ্বশুরবাড়ির একটি কক্ষে আটকে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে পুলিশ সোমবার সকালে সুরাতহাল রির্পোট শেষে আরিফের লাশ গোপালগঞ্জ মর্গে পাঠিয়ে দেয়। 

তিনি জানান, এ ঘটনায় আরিফের স্ত্রী ও শ্বশুরকে আটক করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদে কেয়া এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যমতে কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর সার্কেলের সিনিয়র এএসপি হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস.আই মো.ফারুক হোসেনকে নিয়ে খুলনা জেলার দৌলতপুর দেওয়ানা দক্ষিণ পাড়ায় অভিযান চালিয়ে বুধবার মো. ফারুক মোড়লের ছেলে ও ভাড়াটে খুনি মো. তন্ময় হোসেন মোড়লকে (২০) গ্রেফতার করের। তন্ময়ও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার নিহতের ভাই কাজী মো. গালিব হোসেন বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায়  ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

নড়াইলে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক ব্যক্তি নিহত


আরও খবর

সারাদেশ

  নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল পৌরসভার কাড়ারবিল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুম্মান হোসেন রোমিও (২৮) নড়াইল সদরের বিছালী ইউনিয়নের মুধুরগাতি গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে।

নড়াইল সদর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে একদল সন্ত্রাসী নড়াইল সদরের কাড়ারবিল এলাকায় অবস্থান করছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালালে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ একজনকে নড়াইল সদর হাসপাতালে আনলে চিকিসৎক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সদস্য সোহাগ, মফিজুল ও নাজমুল আহত হন। তাদের নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।' 

পুলিশের দাবি, রুম্মান হোসেন রোমিও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতিসহ নড়াইল, যশোর ও অভয়নগর থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সাতক্ষীরায় এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার


আরও খবর

সারাদেশ

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার তালায় এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলিতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী মইজুদ্দিন আহমেদ টুলু (৪৫) নিহত হয়েছে। বুধবার সকালে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়ার বিশ্বাসের মোড়ে রাস্তার ধার থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিকড়ি গ্রামের মৃত সামছুল হক সরদারের ছেলে।

তালা থানার ওসি মেহেদি রাসেল বলেন, 'তালার তেঁতুলিয়ার বিশ্বাসের মোড়ে রাস্তার ধারে একটি গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ জানতে পারেন আগের রাতে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় টুলু নিহত হয়েছে। নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী। ঘটনাস্থল থেকে ১৬০ পিস ইয়াবা, ১৫ বোতল ফেনসিডিল, একটি মোটর সাইকেল ও একটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়েছে।'

ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ২০১৪ সালের ১১ নভেম্বর রাতে সাতক্ষীরার গজালিয়া বিলে চোরাচালানবিরোধী অভিযান চলাকালে গোয়েন্দা পুলিশের দুই সদস্য আমিনুল ইসলাম ও আবদুর রহিম আহত হন। এ ঘটনায় মইজুদ্দিন আহমেদ টুলুর বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলা এখনও বিচারাধীন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক পাচারের আরও মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

তবে নিহত মইজুদ্দিন টুলুর স্ত্রী রহিমা বেগম রেখা জানান, তার স্বামী আগে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও এখন তিনি রড-সিমেন্ট ব্যবসায়ী। গত ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ২০ হাজার টাকাসহ মোটর সাইকেলে তিনি সাতক্ষীরা যাচ্ছিলেন। এ সময় গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায় কিছু লোক। স্থানীয় একটি দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায় সেই ছবিও রয়েছে। এরপর থেকে টুলুর মোবাইল বন্ধ থাকায় ১৪ জানুয়ারি রহিমা বেগম সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি করেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আড়াইহাজারে ডাকাতি, ২০ ভড়ি স্বর্ণসহ ১২ লাখ টাকা লুট


আরও খবর

সারাদেশ

  আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে আড়াইহাজার পৌরসভার নোয়াপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী মনির হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে ৮-১০ জনের মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাতদল নোয়াপাড়ায় মনির হেসেনের বাড়ির নিচতলার পেছনের জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে মনির হোসেন ও তার ছেলে তানভীর হাসান ইকনের হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে ফেলে। পরে আগ্নেয়ান্ত্র দিয়ে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ডাকাতদল প্রায় দেড় ঘণ্টা ওই বাড়িতে অবস্থান করে একে একে সব আলমিরা থেকে ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৬৫ হাজার টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান আসবাবপত্রসহ অন্তত ১২ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আড়াইহাজার থানার ওসি আক্তার হোসেন জানান, ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ডাকাতদের গ্রেফতার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর