সারাদেশ

শরীয়তপুরে ট্রাকচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

শরীয়তপুরে ট্রাকচাপায় স্বামী-স্ত্রী নিহত

  শরীয়তপুর প্র‌তি‌নি‌ধি

শরীয়তপুরে ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী-স্ত্রী মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুর-মাদারীপুর সড়কের সদর উপজেলার কাশিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। 

নিহতদের নাম মিঠুন মন্ডল (৩০) ও নন্দী রানী (২৫)। তাদের বাড়ি সদর উপজেলার চরসোনামুখী গ্রামে। ইতালি প্রবাসী মিঠুন ওই গ্রামের বিশ্বনাথ মন্ডলের ছেলে।

মিঠুনের পরিবার জানায়, ইতালি প্রবাসি মিঠুন মন্ডল ছুটি কাটাতে বুধবার বাংলাদেশে আসেন। এক মাস পর ফেরার সময় স্ত্রীকে সাথে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। শুক্রবার সকালে স্ত্রী নন্দী রানীকে নিয়ে শশুর বাড়ি বরিশালের আগৈলঝাড়া যাচ্ছিলেন। বাড়ি থেকে আট কিলোমিটার দূরে শরীয়তপুর-মাদারীপুর সড়কের কাশিপুর এলাকায় বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই ওই দম্পতির মৃত্যু হয়। 

স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে আসেন। ওই দম্পতিকে চাপা দিয়ে ট্রাক ফেলে চালক পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে দম্পতির স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসেন। স্বজনরা হাসপাতাল চত্বরে আহাজারি করতে থাকেন।

মিঠুনের বোন সুচিত্রা রানী বলেন, মিঠুন আমাদের আদরের ভাই। সংসারে সচ্ছলতা ফেরাতে পাঁচ বছর আগে মিঠুন ইতালি যায়। তার এ মৃত্যু কিভাবে বাবা-মা মেনে নেবে? দুই বছর আগে নন্দীর সাথে ওর বিয়ে হয়। নন্দীকে ইতালি নেয়ার জন্য বুধবার বাড়িতে এসেছিল। নন্দীদের বাড়িতে যাওয়ার জন্য সকালে রওনা হয়েছিল।

শরীয়তপুর সদরের পালংমডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ভেক্যু মেশিনবোঝাই একটি ট্রাক মোটর সাইকেল আরোহী দম্পতিকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। ট্রাক ফেলে চালক পালিয়ে যায়। ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। ওই চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

১২ টাকার ইনজেকশন এক হাজার টাকায় বিক্রি


আরও খবর

সারাদেশ

ফাইল ছবি

  বরিশাল ব্যুরো

'ইফিড্রিল' নামে একটি ইনজেকশনের দাম মাত্র ১২ টাকা। অজ্ঞাত কারণে ইনজেকশনটি বরিশালের ফার্মেসিগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না। এ সংকটের সুযোগ নিয়ে এক ফার্মেসি মালিক এক হাজার টাকায় ইনজেকশনটি কিনতে বাধ্য করেছেন এক রোগীর স্বজনকে। 

সোমবার দুপুরে এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ফার্মেসি মালিককে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন। তার আগে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন রোগীর স্বজন মো. রুবেল হাওলাদার। অভিযুক্ত ব্যবসায়ী হচ্ছেন নগরীর ইসলামিয়া হাসপাতালের সামনে অবস্থিত 'মেডিসিন কর্নার' ফার্মেসির মালিক মনিরুল ইসলাম।

বরিশাল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জয়দেব চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার দুপুরে রুবেল হাওলাদার নামের এক ব্যক্তি তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তিনি বিকেল সাড়ে ৩টায় অভিযানে যান। অভিযোগের সত্যতা মেলায় মালিক মনিরুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

রোগীর স্বজন রুবেল হাওলাদার বলেন, চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে ওই ইনজেকশনটি আনতে বলেন। আমি অনেক দোকান ঘোরার পরও কোথাও না পেয়ে মেডিসিন কর্নার থেকে এক হাজার টাকায় কিনি। এত দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে চিকিৎসককে সবকিছু খুলে বলি। এ সময় চিকিৎসক জানান, এই ইনজেকশনের দাম মাত্র ১২ টাকা। তিনি বিষয়টি জেলা প্রশাসকের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিতে পরামর্শ দেন।

হরুবেল হাওলাদার জানান, মেডিসিন কর্নারে ইনজেকশনটি পাওয়ার পর মালিক মনিরুল ইসলাম এক হাজার টাকা দাম চান। এত দামের কারণ জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, নিলে নেন, নইলে চলে যান।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চট্টগ্রামে স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনায় এবার গ্রেফতার প্রাইভেটকার মালিক


আরও খবর

সারাদেশ

পুলিশের হাতে গ্রেফতার স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনায় ব্যবহূত প্রাইভেটকারের মালিক জসিম- সমকাল

  চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রামে স্কুলছাত্র অপহরণের ঘটনায় ব্যবহূত প্রাইভেটকারের মালিক জসিমকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। সোমবার নগরের বাকলিয়া থানার মাস্টারপুল খেজুরতলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে অপহরণে ব্যবহূত গাড়িটি নগরের সাবএরিয়া এলাকা থেকে জব্দ করা হয়। এর আগে ওই ছাত্রের বাবা ব্যবসায়ী শামসুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়িচালক ও অপহরণের মূল পরিকল্পনাকারী সাইফুল ইসলাম স্বপন এবং তার সহযোগী মো. আলমগীরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতার প্রাইভেটকার মালিক মো. জসিম কুমিল্লার দেবীদ্বার থানার মাইজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাকে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মহিউদ্দিন মুরাদের আদালতে হাজির করা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় জসিম।

গত ২৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর লালদীঘিরপাড়ে সরকারি মুসলিম হাইস্কুলের সামনে থেকে অপহরণের শিকার হয় ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সাইদুল ইসলাম শামীদ। তার বাবা শামসুল ইসলাম নগরের রেয়াজউদ্দিন বাজারের ব্যবসায়ী। অপহরণকারীরা ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। খবর পেয়ে পুলিশ নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করলে ওইদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অপহরণকারীরা ছেলেটিকে নগরের ঘাটফরহাদবেগ এলাকায় ছেড়ে দেয়।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামরুজ্জামান জানান, জসিম মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের মালিক। লালদীঘিরপাড় এলাকায় এগুলো ভাড়া দেয় সে। স্বপন ও জসিম মিলে স্কুলছাত্র শামীদকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা করে। অপহরণের কাজে প্রাইভেটকারটিও সরবরাহ করে সে। 

অপহরণের পর শিশুটিকে ভয় দেখাতে তার গলায় ছুরিও ঠেকায় জসিম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপহরণের কথা স্বীকার করেছে জসিম।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

টাকার কাছে হেরে যাবেন সারোয়ার?


আরও খবর

সারাদেশ

  রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী গোলাম সারোয়ারের দুটি কিডনিই অকেজো। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ২১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। তার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ১২ লাখ টাকা। কিন্তু তার পরিবারের পক্ষে বিপুল এই অর্থের সংস্থান করা অসম্ভব। সারোয়ারের বাড়ি নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সারোয়ারের ছোটবেলায় তার বাবা মারা যান। অভাবের সংসারে নানা প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিন বছর আগে তার কিডনিজনিত (সিকেডি) রোগ ধরা পড়ে। কিছুদিন চিকিৎসা নিলেও অর্থাভাবে মাঝপথে দুই বছরের অধিক সময় তিনি নিয়মিত চিকিৎসা নেননি। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ৬ দশমিক ৭ পরিমাণ বেড়ে গিয়ে তার কিডনি কাজ করছে না। এমন অবস্থায় তার সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডায়ালাইসিস করলে যতদিন বাঁচবেন নিয়মিত এটি করতে হবে। ডায়ালাইসিস করলে তিনি কোনো কাজ করতে পারবেন না। এ জন্য কিডনি প্রতিস্থাপনকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সুস্থ জীবনে ফিরতে সমাজের হৃদয়বানদের সহযোগিতা কামনা করেছে সারোয়ারের পরিবার। তাকে সাহায্য পাঠানো যাবে- বিকাশ নম্বর-০১৯৩০৯১৯২৬৭ (ব্যক্তিগত)।

সংশ্লিষ্ট খবর