সারাদেশ

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

দুমড়েমুচড়ে যাওয়া সিএনজিচালিত অটোরিকশা

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সিএনজি চালক ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সার পলিশা গ্রামের আক্তার আলীর ছেলে ছবুর মিয়া (৩৫)। নিহত অপর দুইজনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, ঢাকা ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীবাহী একটি বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে পেছন থেকে চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজি চালক ছবুর মিয়া নিহত হন। আহত হন সিএনজির দুইজন যাত্রী। 

আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিংসাধীন অবস্থায় সকাল ৯টার দিকে তাদেরও মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

জয়পুরহাটে লেভেল ক্রসিংয়ে অল্পের জন্য বাঁচলো ৪৮ বাস যাত্রী


আরও খবর

সারাদেশ

ট্রেনের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত বাস— সমকাল

  কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর এলাকার পশ্চিম আমুট্ট (মহিলা কলেজ সংলগ্ন) এলাকায় লেভেল ক্রসিংয়ে তিতুমীর আন্তঃনগর ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে ট্রেন আসার আগেই মাত্র ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে বাস থেকে যাত্রীরা নেমে যাওয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

দুর্ঘটনায় ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে অংশে সামান্য ক্ষতি হয়েছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনার পর লেভেল ক্রসিংয়ের দায়িত্বে থাকা দাউদুল ইসলাম ও শিপলু হোসেন নামে দুই জন গেইটম্যান পালিয়ে গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বাসযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নওগাঁর রানীনগর উপজেলার বেলঘড়িয়া গ্রামের প্রয়াত মিছর মণ্ডলের পাঁচ ছেলের পরিবারের সদস্য ৪৮ জন। তারা দিনাজপুরের স্বপ্নপুরীতে পিকনিকে যাওয়ার জন্য একটি বাস ভাড়া করেন। শনিবার সকালে ওই বাসে করে তারা স্বপ্নপুরীতে পিকনিকে যান। সেখান থেকে ফেরার পথে আক্কেলপুর পৌর এলাকার পশ্চিম আমুট্ট (মহিলা কলেজ সংলগ্ন) লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় বাসের সামনের চাঁকা একটি গর্তে আটকে যায়। তখন চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী তিতুমীর আন্তঃনগর ট্রেন উত্তর দিক থেকে আক্কেলপুর স্টেশনে যাত্রা বিরতির জন্য আসছিল। ট্রেন আসা দেখে বাসে থাকা চালক ও হেলপার এবং ৪৮ যাত্রীরা সবাই মাত্র ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে বাস থেকে নেমে যান। এর পরপরই ট্রেনের ধাক্কায় বাসটি দুমড়ে মুচড়ে লেভেল ক্রসিংয়ের কাছ থেকে ত্রিশ গজ দূরে একটি খালে গিয়ে পড়ে।

বাসযাত্রী আমিনুল ইসলাম বলেন, 'আমি বাসটিতে সবার পেছনের সিটে বসে ছিলাম। ক্রসিংয়ে বাসটি আটকে যাওয়ার পর হঠাৎ ট্রেন আসতে দেখে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কেউ জানালা দিয়ে কেউ দরজা দিয়ে বাস থেকে নেমে পড়ি। এতে প্রানে বেঁচে যাই সবাই। মুহূর্তে ট্রেনটি বাসটিকে ধাক্কা মারে। তখন লেভেল ক্রসিংয়ের দায়িত্বে কোনো লোক ছিল না। 

আক্কেলপুর রেল স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার হাসিবুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'আমুট্ট লেভেল ক্রসিংটি আমাদের আউটের বাইরে। এ কারণে ওই লেভেল ক্রসিংয়ের দায়িত্বে থাকা গেইট ম্যানদের আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। শুনেছি ঘটনার সময় তারা ছিলেন না। এখন তাদেরকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ঘটনায় ট্রেন ২০ মিনিট বিলম্ব হয়েছে।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সিডরে নিখোঁজের ১১ বছর পর প্রত্যাবর্তন


আরও খবর

সারাদেশ

  শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

প্রলংয়করী ঘূর্ণিঝড় সিডরে নিখোঁজের ১১ বছর পর বাড়ি ফিরেছেন শরণখোলা উপজেলার জেলে শহীদুল মোল্লা (৪০)। বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ছাপড়াখালী চর এলাকায় সিডরের কবলে পড়েন শহীদুল, তার পিতা এবং আরো ৩ জেলে নিখোঁজ হন। শহীদুল দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

শনিবার বিকেলে আমড়াগাছিয়া বাজারে পরিচিত লোকজন শহীদুলকে দেখতে পেয়ে বাড়ি নিয়ে যায়। তার বড় বোন মঞ্জু বেগম বলেন, সিডরের পর বহু খোঁজ করে কোনো সন্ধান না পেয়ে সবাই ধরে নিয়েছিল শহীদুল ও তার সঙ্গীদের কেউ আর বেঁচে নেই। শহীদুল তার ভগ্নিপতি পান্না ফরাজীর বাসায় বসে এলোমেলো কথা বলছিলেন। তিনি জানান, এতোদিন তিনি ভারতের পাটগ্রাম এলাকার রশিদ খানের বাড়িতে রাখালের কাজ করতেন। ভারতে তিনি কিভাবে গেলেন তা তার মনে নেই।

পান্না ফরাজী বলেন, শহীদুল নিখোঁজের সময় তার বাড়িতে স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই কন্যা রেখে যান। ইতোমধ্যে মেয়েদের বিবাহ হয়ে গেছে। তার স্ত্রী মাসুমা বেগম জীবিকার প্রয়োজনে ভারতের বেঙ্গালোরে ঝিয়ের কাজ করেন। শহীদুলের স্ত্রীকে তার স্বামীর ফিরে আসার খবর জানানো হয়েছে। শহীদুলকে দেখতে তার বাড়িতে উৎসুক জনতা ভিড় করে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতির জেল


আরও খবর

সারাদেশ

ইব্রাহিম হোসেন মুন -ফাইল ছবি

  রাজশাহী ব্যুরো

সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং পাবনা-১ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ইব্রাহিম হোসেন মুনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার বিকেলে রাজশাহী মহানগরীর কাজলা এলাকায় ওই নেতার মালিকানাধীন একটি রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান চালানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে গিয়েছিলেন কাজলা এলাকার সিয়ামুন চাইনিজ রেস্টুরেন্টে। খবর পেয়ে সেখানে হাজির হন রেস্টুরেন্টের মালিক রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন মুন। এসময় তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান। এক পর্যায়ে তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত বন্ধ করার জন্য বল প্রয়োগ করেন। এক পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে কারাদণ্ড দেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামনুল ইসলাম অনিক জানান, দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারায় সরকারি কাজে বাধাদানের অভিযোগে ইব্রাহিম হোসেন মুনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, ইব্রাহিম হোসেন মুন পাবনা-১ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর