সারাদেশ

জয়পুরহাটে আগুনে একই পরিবারের ৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

জয়পুরহাটে আগুনে একই পরিবারের ৮ জনের মৃত্যু

বাড়িটির সামনে এলাকাবাসী ও স্বজনদের ভিড়

  কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের আরামনগর মহল্লার একটি বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে ৮ সদস্যের একটি পরিবারের সবাই নিহত হয়েছেন। কেউ আর জীবিত নেই ওই পরিবারের। 

নিহতরা হলেন-বাড়ির গৃহকর্তা আব্দুল মোমিন, মোমিনের মা মোমেনা বেগম, মোমিনের বাবা দুলাল হোসেন, স্ত্রী পরীনা বেগম, বড় মেয়ে বৃষ্টি, জমজ দুই মেয়ে হাসি ও খুশি এবং ছোট ছেলে তাইমুল ইসলাম নুর।

জয়পুরহাট ফায়ার স্টেশনের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ব্যবসায়ী মোমিনের বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে। মুহূর্তেই তা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও বলেন, আগুনে দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে ৮ জনকে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা ৩ জনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর ৫ জনকে দগ্ধ অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৪ জনের মৃত্যু হয়। জীবিত বাকি ১ জনকে বগুড়া থেকে ঢাকা নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন ও এলাকাবাসী বাড়িটির সামনে ভিড় করছেন। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

টেকনাফে 'দু্ইদল মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি'তে নিহত ১


আরও খবর

সারাদেশ

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজারের টেকনাফে 'দুইদল মাদক ব্যবসায়ীর গোলাগুলি'তে একজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত মোহাম্মদ বেলাল (৩৫) টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পূর্ব পানখালীর (ওয়াকিয়াপাড়া) নূর আহমদের ছেলে।

শুক্রবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল গ্রামের মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশ থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, নিহত ব্যক্তি মাদক চোরাকারবারী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকদ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে।

ওসি আরও জানান, সকালে বাহারছড়ার বড় ডেইল মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে গুলিবিদ্ধ লাশটি দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তার শরীরে দু'টি গুলির চিহ্ন রয়েছে। দুইদল ইয়াবা ব্যবসায়ীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তিনি গুলিতে নিহত হয়ে থাকতে পারেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

খাগড়াছড়িতে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার


আরও খবর

সারাদেশ

  খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম আজগর আলী। শুক্রবার সকালে দীঘিনালার ছোট মেরুং বিবাড়িয়া পাড়ার জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আসগরের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়ির বিজয়নগর এলাকায়। 

পুলিশ জানায়, আজগর আলী গত রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে দীঘিনালায় খালার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরের দিন থেকে তিনি নিখোঁজ থাকলেও স্বজনরা থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা রাস্তার পাশের জঙ্গলে তার লাশ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। এরপর পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

দীঘিনালা থানার ওসি উত্তম কুমার দেব জানান, ওই যুবকের মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

মিরসরাইয়ে পটকা মাছ খেয়ে ২ জনের মৃত্যু


আরও খবর

সারাদেশ

  মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বিষাক্ত পটকা মাছ খেয়ে দাদি ও নাতনির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এই মাছ খেয়ে একই পরিবারের আরো ৬ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বারইয়ারহাট পৌরসভায় উত্তর সোনাপাহাড়ের চিনকী আস্তানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ফজিলা খাতুন (৬০) ও মরিয়ম নেছা (৪)। 

অসুস্থরা হলেন- মরিয়ম নেছার মা বিলকিস, ভাই সাব্বির, রাব্বি, বোন ঝর্ণা, আতিয়া ও মরিয়মের মামা আমজাদ হোসেন। হতাহতদের বাড়ি কিশোরগঞ্জে বাজিতপুর এলাকায়।

বারইয়ারহাট পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. বাবুল জানান, চিনকী আস্তানা রেল স্টেশন এলাকায় কয়েকটি ঘরে নিম্ন আয়ের কিছু ভাড়াটিয়া পরিবার থাকে। এদের মধ্যে অনেকে বারইয়ারহাট মাছ বাজারে জেলেদের ফেলা দেয়া মাছ খাওয়ার জন্য কুড়িয়ে আনে। বৃহস্পতিবার মরিয়ম নেছার পরিবারের কেউ বাজার থেকে ফেলে দেয়া মাছ কুড়িয়ে আনে। কুড়িয়ে আনা ওই মাছের মধ্যে থাকা পটকা মাছ (যার বৈজ্ঞানিক নাম ট্রেট্রোডন প্যাটোকা) খেয়ে শিশু মরিয়ম মারা যায় এবং পরিবারের অন্যরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মরিয়ম ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া পথে ফজিলা খাতুনের মৃত্যু হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. শহিদুল্লাহ বলেন, পটকা মাছ খেয়ে অসুস্থ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে মরিয়ম নেছা (৪) নামে এক শিশু হাসপাতালে পৌঁছার আগেই মারা গেছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর