সারাদেশ

চবিতে পরীক্ষার ৬শ' খাতা পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা

প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৮

চবিতে পরীক্ষার ৬শ' খাতা পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা

  চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তিন সেমিস্টারের ছয় শতাধিক উত্তরপত্র পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে জানাজানি হয়েছে দেরিতে। এ ব্যাপারে বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।

জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানকে প্রধান করে গঠন করা কমিটিতে সদস্য সচিব করা হয়েছে সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র এবং সদস্য করা হয়েছে সহকারী প্রক্টর হেলাল উদ্দিন আহম্মদকে। কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র সমকালকে বলেন, উত্তরপত্র পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন। পাশাপাশি ঘটনাটি সম্পর্কে হাটহাজারি থানা পুলিশকে অবগত করেছেন তিনি। এ বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগও দেওয়া হবে।

হাটহাজারি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বেলাল উদ্দীন জাহাঙ্গীর সমকালকে বলেন, 'ঘটনাটি মৌখিকভাবে আমাকে জানানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে দোষীদের খুঁজে বের করা হবে।'

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে কে বা কারা বিভাগটির সভাপতির কক্ষে প্রবেশ করে তৃতীয়, পঞ্চম এবং সপ্তম সেমিস্টারের মোট ১১ বান্ডেল উত্তরপত্র চুরি করে পুড়িয়ে ফেলে। এর মধ্যে তৃতীয় সেমিস্টারের দুটি কোর্স, পঞ্চম সেমিস্টারের চারটি কোর্স এবং সপ্তম সেমিস্টারের তিনটি কোর্সসহ মোট নয়টি কোর্সের উত্তরপত্র ছিল।

বিভাগের সভাপতির কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরাটি মঙ্গলবার রাত ১২টা ৫৫ সেকেন্ডে বন্ধ হয়ে যায় বলে জানিয়েছে বিভাগ সূত্র।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. অছিয়র রহমান সমকালকে বলেন, 'ঘটনাটি জানার পর বিভাগে জরুরি মিটিং করে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এবং দোষীদের খুঁজে বের করতে প্রক্টর অফিসকে অবগত করেছি।'

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শ্যামনগরে গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা, স্বামী আটক


আরও খবর

সারাদেশ

   সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জেবুন্নেছা (৫০) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের নাগবাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ ওই গ্রামের আব্দুল আজিজ সরদারের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, আব্দুল আজিজ সরদার তারাবির নামাজ পড়তে গেলে দুর্বৃত্তরা বাড়ির প্রাচীর টপকে গাছ বেয়ে ছাদে উঠে ঘরে প্রবেশ করে ওই গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ সময় তারা দুটি মোবাইল ফোন ও ওই গৃহবধূর কানের দুল ছিড়ে নিয়ে যায়। তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে আব্দুল আজিজ তার স্ত্রীকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশিদের খবর দেন। ওই গৃহবধূর মুখে গেঞ্জি ঢুকিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানান প্রতিবেশিরা।
 
শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী ঘটনাস্থল ঘুরে এসে জানান, ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

কবিরাজির নামে নারীদের ধর্ষণ করতেন তারা!


আরও খবর

সারাদেশ

  সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

কবিরাজি চিকিৎসার নামে নারীদের ধর্ষণ, ধর্ষণের ভিডিওচিত্র ধারণ ও সেই ভিডিওচিত্র ফাঁসের ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে সিরাজগঞ্জে দুই ভণ্ড কবিরাজকে আটক করেছে র‌্যাব। 

শুক্রবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আটকরা হলেন জেলার সদর উপজেলার মুক্তারগাঁতী গ্রামের মৃত হাশেম আনছারীর ছেলে জাকারিয়া আনছারী (৪৫) ও পৌর এলাকার সয়াধানগড়া মহল্লার মহির উদ্দিনের ছেলে আপেল মাহমুদ (২৯)। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে নারীদের কবিরাজি চিকিৎসার নামে ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিওধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নিচ্ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার মুজিব সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকদের শুক্রবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় হস্তাস্তর করা হয়েছে। 

সদর থানার ওসি মোহাম্মদ দাউদ হোসেন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ধর্ষকদের হাতেনাতে ধরল জনতা, ছেড়ে দিল ইউপি সদস্য


আরও খবর

সারাদেশ

ফাইল ছবি

  মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

বাবার সঙ্গে আত্মীয়র বাড়িতে পূজা দেখতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী। জনতা তিন ধর্ষককে হাতেনাতে ধরলেও সালিশে মীমাংসার কথা বলে পুলিশে না দিয়ে তাদের ছেড়ে দিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্য। 

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কলতা গ্রামে গত মঙ্গলবার ঘটে এ ঘটনা। পরে বৃহস্পতিবার তিনজনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা হয়েছে। তবে এখনও আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীর ভাই জানান, তার বোন মানিকগঞ্জ শহরের একটি স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে ঘিওর উপজেলার কলতা গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে পূজা অনুষ্ঠানে যায়। রাত ৮টার দিকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে তার বোনেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায় একই গ্রামের জসিম মিয়ার ছেলে জনি (২০)। এর পর তাকে পাশের ফাঁকা মাঠে নিয়ে জনি ও তার দুই সহযোগী একই এলাকার বাবলু মিয়ার ছেলে রুবেল (২৬) ও ইয়াদ আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম (২৫) ধর্ষণ করে। 

স্থানীয় জনতা তিনজনকে হাতেনাতে ধরে ফেললেও পরে তাদের ছেড়ে দেন নালী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মজিবর রহমান। 

ওই ছাত্রীর ভাই আরও অভিযোগ করেন, ওই ইউপি সদস্যসহ গ্রামের প্রভাবশালী একটি মহল মামলা না করতে তাদের চাপ দেয়। এক লাখ টাকা নিয়ে ঘটনা আপস-মীমাংসার প্রস্তাবও দেয় তারা। কিন্তু সে প্রস্তাবে তারা রাজি হননি। বৃহস্পতিবার ঘিওর থানায় তিনজনকে আসামি করে মামলা করেছেন তিনি। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান আপসের প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, ঘটনার পর এলাকার কয়েকজন হাতেনাতে তিন যুবককে ধরলেও তিনি স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসার প্রস্তাব দিয়ে তাদের ছেড়ে দেন। 

ঘিওড় থানার ওসি রবিউল ইসলাম জানান, নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হবে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে বলেও জানান ওসি।

সংশ্লিষ্ট খবর