যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

তিন বছরে ১০ লাখ স্থায়ী অভিবাসী নেবে কানাডা

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০১৯

তিন বছরে ১০ লাখ স্থায়ী অভিবাসী নেবে কানাডা

  অনলাইন ডেস্ক

আগামী তিন বছরে কানাডা সরকার ১০ লাখেরও বেশি স্থায়ী অভিবাসী নেবে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দেশটির পার্লামেন্টে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। খবর সিএনএনের

২০১৭ সালে দেশটি দুই লাখ ৮৬ হাজার অভিবাসীকে স্থায়ীভাবে স্বাগত জানিয়েছে। ২০১৯ সালে এ সংখ্যা তিন লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি হতে পারে। ২০২০ সালে তিন লাখ ৬০ হাজার অভিবাসীকে স্বাগত জানাবে দেশটি এবং ২০২১ সালে নেবে তিন লাখ ৭০ হাজার অভিবাসী। 

কানাডার অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ হোসেন বলেন, কানাডা এমন এক সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে যেখানে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারবে। কানাডায় নতুনদের স্বাগতম।

আহমেদ হোসেন নিজেও সোমালিয়া থেকে আসা একজন অভিবাসী। তিনি বলেন, কানাডায় জন্মহার কমে গেছে এবং বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে। নতুন আসা জনশক্তি কানাডাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো যখন অভিবাসী নীতিতে আরও কঠোর হচ্ছে সেখানে কানাডার এমন ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।  


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

কিছুই 'লুকাচ্ছেন না' ট্রাম্প


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
কিছুই 'লুকাচ্ছেন না' ট্রাম্প

প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভ্লাদিমির পুতিন- রয়টার্স

  অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে গোপন বৈঠক নিয়ে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

২০১৭ সালের এক অনুষ্ঠানে এ দুই নেতার বৈঠক নিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের অভিযোগকে অস্বীকার করে তিনি বলেছেন, তিনি আসলে কিছু লুকাচ্ছেন না।

ফিনল্যান্ডের হেলিংসিকিতে পুতিন-ট্রাম্পের দুই ঘণ্টার আলোচনা নিয়ে এরই মধ্যে জল ঘোলা হয়েছে অনেক। তবে এর কোনও রেকর্ড প্রমাণ হিসেবে এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে বিবিসি বলছে।

পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে প্রসঙ্গে ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, আমি কিছুই লুকাচ্ছি না। অন্য নেতারা রাশিয়ার নেতার সঙ্গে যেভাবে কথা বলেছেন; আমিও সেভাবেই কথা বলেছি।

এসময় তার সঙ্গে ইতিবাচক কথা হয়েছে জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, অর্থনীতির মতো বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। এর চেয়ে কিছু নয়।

ট্রাম্প বলেন, হেলিসিংকিতে তো আরও অনেক নেতার সঙ্গেই কথা হয়েছে; তবে পুতিনের সঙ্গে কথা বলা নিয়েই আলোচনা হচ্ছে বেশি।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স বিষয়টিকে 'অসত্য' হিসেবে দাবি করেছেন।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের ক্ষেত্রে রাশিয়া সরকারের ভূমিকা আছে কিনা তা নিয়ে বেশ দীর্ঘ এক অনুসন্ধান চলছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন এফবিআইয়ের সাবেক প্রধান রবার্ট মুলার। তার সঙ্গে আরও একটি তদন্ত শুরু হয়েছে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নির্বাচনে বিজয়ী করতে রাশিয়া সাইবার হামলা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ভুয়া সংবাদ ছড়িয়ে দেওয়া শুরু করে বলে ২০১৬ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছিল। 

পরের
খবর

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

  অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারে অচলাবস্থা (শাটডাউন) টানা ২২ দিনে পৌঁছেছে শনিবার। এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি শাটডাউন। এর আগে ১৯৯৫-৯৬ সালে বিল ক্নিনটনের আমলে টানা ২১ দিন অচলাবস্থা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে। খবর বিবিসি ও সিএনএনের

গত ২১ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই অচলাবস্থা নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং অচলাবস্থাকে থোড়াই কেয়ার করে নিজের প্রতিশ্রুতি মেক্সিকো সীমান্ত দেয়াল নির্মাণে অটল রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, দেয়াল নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ পেতে আবারও জরুরি অবস্থা জারির হুমকি দিয়েছেন তিনি।

এই অচলাবস্থার কারণে আটকে আছে ফেডারেল সরকারের ৮ লাখ কর্মকর্তার বেতন। বিমানবন্দরকর্মী, কারারক্ষী এবং এফবিআই এজেন্টসহ আরও অনেকগুলো সরকারি সংস্থার কর্মীরা শুক্রবার তাদের নতুন বছরের প্রথম বেতন পাননি। ফলে বিক্ষুব্ধ কর্মীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করছেন। 

২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রচারণাকালে অন্যতম আশ্বাস ছিল মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ। কিন্তু ডেমোক্র্যাটদের বিরোধিতায় আটকে আছে তার সে পরিকল্পনা। 

ডেমোক্র্যাটরা বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দাদের করের টাকা দিয়ে দেয়াল নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে ডেমোক্র্যাটরা একটি বাজেট বিল পাস করলেও তাতে মেক্সিকো সীমান্তের জন্য তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়নি। 

অন্যদিকে ট্রাম্প বলছেন, তার দাবিকৃত বরাদ্দ না রাখলে কোনো বাজেট বিলই তিনি অনুমোদন দেবেন না। উপরন্তু কংগ্রেসকে এড়িয়েই দেয়াল নির্মাণে জরুরি অবস্থা জারি করতে পারেন ট্রাম্প- এমন হুমকি দিয়ে আসছেন গত কয়েকদিন ধরে। মূলত এ দ্বন্দ্বের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকারে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সেই সৌদি তরুণীর আশ্রয় হলো কানাডায়


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

রাহাফ মোহাম্মদ আল-কানুন

  অনলাইন ডেস্ক

নিজের পরিবার ছেড়ে পালানো সৌদি তরুণী রাহাফ মোহাম্মদ আল-কানুনকে আশ্রয় দিয়েছে কানাডা।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে 'বৈধ শরণার্থী' হিসেবে আশ্রয় দেওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে অনুরোধ জানানোর পর কানাডা তাকে আশ্রয় দিতে রাজী হয় বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়।

ব্যাংককের একটি হোটেলে অবস্থান করা এই তরুণীর দাবি, তিনি ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করায় তার জীবন এখন হুমকির মুখে।

এই সৌদি তরুণী নিজের হোটেল কক্ষে নিজেকে অবরুদ্ধ করে রাখেন, যাতে থাই কর্তৃপক্ষ তাকে ফেরত পাঠাতে না পারে। শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা এতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয়।

বিবিসি বলছে, ব্যাংকক থেকে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন রাহাফ; তবে কর্তৃপক্ষ তাকে কুয়েতে অবস্থানরত তার পরিবারের সদস্যদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছিল।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, আমার পরিবার অতি তুচ্ছ অপরাধেও আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। সৌদি আরবে ধর্মত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। রাহাফ এখন হোটেল কক্ষ থেকে তার অবস্থা জানিয়ে নিয়মিত টুইট করছেন।

শেষ পর্যন্ত আশ্রয় দেওয়ার জন্য কানাডার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। তারা বলছে, কিছুদিন যাবৎ আল-কুনুনের দুর্দশা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে।

গত শনিবার আল-কুনুন পরিবারে সঙ্গে কুয়েত যাওয়ার পথে ব্যাংককে পালিয়ে আসেন। ব্যাংকক বিমানবন্দরে আটক হওয়ার পর আল-কুনুন দাবি করেন তার কাছে অস্ট্রেলিয়ার ভিসা রয়েছে এবং তিনি এখান থেকে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে কানেকটিং ফ্লাইট ধরবেন। কিন্তু সুবর্ণভূমি বিমানবন্দরে তার পাসপোর্ট একজন সৌদি কূটনীতিক কেড়ে নিয়েছেন।

সৌদি তরুণী রাহাফকে আশ্রয়দানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিশ্বে মানবাধিকার ও নারী অধিকার রক্ষায় সব সময়ই পাশে দাঁড়ায় কানাডা। জাতিসংঘ তাকে আশ্রয় দেওয়ার অনুরোধ করেছিল; আমরা তা গ্রহণ করেছি।