যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

সরে গেলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাটিস

প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১৮

সরে গেলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ম্যাটিস

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

পদত্যাগ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে অবসরে যাচ্ছেন তিনি।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক টুইট বার্তার বরাত দিয়ে শুক্রবার বিবিসির প্রতিবেদনে এতথ্য জানানো হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, ম্যাটিস ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে অবসরে যাচ্ছেন। তিনি আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তাকারী ছিলেন। 

সিরিয়া থেকে সব মার্কিন সৈন্যকে ফেরত আনার বিতর্কিত সিদ্ধান্তের একদিনের মাথায় ম্যাটিসের পদত্যাগের ঘোষণা এলো।

ম্যাটিস তার পদত্যাগপত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সম্মানের কথা জানিয়েছেন। ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে তিনি লিখেছেন, বিভিন্ন বিষয়ে আপনার সঙ্গে যার দৃষ্টিভঙ্গির সাদৃশ্য রয়েছে তাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ করার অধিকার আছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, গর্বিত মন্ত্রী হিসেবে তিনি প্রেসিডেন্ট এবং জাতির জন্য অনেক কিছু করেছেন।

ম্যাটিসকে ট্রাম্প প্রশাসনে 'স্থায়িত্বের দ্বীপ' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ডেমোক্রেটিক সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

যুদ্ধাপরাধীর নাগরিকত্ব কেড়ে নিলো যুক্তরাষ্ট্র


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

  এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে

বলকান যুদ্ধে বেসামরিক লোকজন এবং কারাবন্দিদের হত্যা মামলায় দণ্ডিত বসনিয়া-হারজেগভিনা সেনা অফিসার স্যামি রাশেমা ইয়াটিসেন ওরফে রাশেমা হ্যান্ডানোভিচ ওরফে জোলজার (৪৬) মার্কিন নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়ে তাকে বসনিয়ায় পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

গত সপ্তাহে ওরেগণের ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের জজ মারকো এ হারনান্দেজ এই যুদ্ধাপরাধীর নাগরিকত্ব বাতিলের রায় দেন। কারণ, তিনি সিটিজেনশিপ গ্রহণের সময় মিথ্যা তথ্য দেন। ফেডারেল কোর্টের মুখপাত্র গত বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

মামলার বিবরণে জান যায়, ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে বসনিয়া-হারজেগভিনার সেনা বাহিনী ত্রম্নসিনা গ্রামে হামলা চালিয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের নির্বিচারে হত্যা করে। সভ্যবিশ্বে যেটি 'ত্রম্নসিনা হত্যাযজ্ঞ' হিসেবে পরিচিত। রাশেমা যুক্তরাষ্ট্রে এসে ২০০২ সালে নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। সে সময় তিনি কখনোই উল্লেখ করেননি যে, তিনি কোন দেশের সামরিক বাহিনীতে কাজ করেছেন কিংবা মানবাধিকার লংঘনের মত গুরুতর অপরাধে লিপ্ত ছিলেন।

এ মামলা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সিপাল ডেপুটি অ্যাসোসিয়েট এটর্নি জেনারেল জিসে পেনোকিয়ো এক বিবৃতিতে বলেন, 'যুদ্ধাপরাধীরা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। মানবতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী কিংবা বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডে জড়িতদের সন্ধান করছে বিচার বিভাগ। মিথ্যা তথ্য দিয়ে প্রতারণামূলকভাবে যারা যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার করেছেন, তাদের বিরুদ্ধ এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।'

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে মানবাধিকার লংঘন এবং যুদ্ধাপরাধ সেন্টারের প্রধান মার্ক শ্যাফার বলেন, 'এই মামলাটি হচ্ছে সর্বশেষ একটি দৃষ্টান্ত- মানবাধিকার লংঘনকারী এবং যুদ্ধাপরাধ সেন্টারের চলমান কার্যক্রমের। আমরা আমাদের সবকিছু ব্যবহার করে, সম্ভাব্য সকল সহযোগির সাথে পরামর্শক্রমে বিদ্যমান আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মানবাধিকার লংঘনের মত জঘন্য অপকর্মে লিপ্তদের খুঁজে বের করে বিচারে সোপর্দ করবোই'।

নারী এবং প্রবীণসহ ২২ জনকে নির্বিচারে হত্যার দায়ে সে দেশের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন রাশেমাসহ আরো কয়েকজন। তাদেরকে সাড়ে ৫ বছরের দণ্ড দেয়া হয় ২০১২ সালে। দণ্ড ভোগের পর রাশেমা যুক্তরাষ্ট্রে এসে ওরেগণে বসবাস করছিলেন। এই হত্থাযজ্ঞে জড়িত রাশেমার আরেক সহযোগী সেনা অফিসার এডিন ডিজেকোর বিরুদ্ধে এর আগে যুক্তরাষ্ট্র বিচার বিভাগ একই পদক্ষেপ নেয়। তাকেও নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়ে স্বদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

একদিনেই ৩০ বার পুরস্কার লাভ!


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

  অনলাইন ডেস্ক

একেই বলে ভাগ্য। অনেকে ভাগ্য বদলাতে বছরের পর বছর লটারির টিকেট কেনেন। কিন্তু তারপরও একটা পুরস্কারও জিততে পারেন না । 

অথচ একদিনেই ৩০ বার লটারি জিতেছেন এক নারী। ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার রিসমোন্ডের বাসিন্দা ডেবোরাহ ব্রাউনের সঙ্গে। জানা গেছে, ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ৩০ টি লটারির টিকেট কিনেছিলেন ১-০-৩-১ সিরিজ মিলিয়ে। তবে আশ্চর্যজনক হলো ওই ৩০ টা টিকেটই ভার্জিনিয়ার পুরস্কার জেতে। 

ডেবোরাহ ৩০ টি লটারির টিকেট কিনতে খরচ করেছিলেন মাত্র ৩০ ডলার। এখন প্রতিটা টিকেটে পুরস্কার জিতে তার টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার ডলারে। 

লটারি জেতার পর ডেবোরাহ খুশীতে ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না। নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ উত্তেজনায়  মনে হচ্ছিল, আমি বোধ হয় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছি’।

লটারির টাকা দিয়ে কি করবেন তা এখন ঠিক করতে পারেননি ডেবোরাহ। তবে নিজের বাড়িটি সংস্কার করার চিন্তা করেছেন। সূত্র : ডেইলিনিউজ

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বন্ধুর পাঠানো টেলিগ্রাম পেলেন ৫০ বছর পর


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

  অনলাইন ডেস্ক

টেলিগ্রামের প্রয়োজনীয়তা আগেই ফুরিয়েছে। ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নও তাদের টেলিগ্রাম সেবা বন্ধ করে দিয়েছে ২০০৬ সালে। ইন্টারনেটের এই যুগে তাই হঠাৎ করে গত মাসে একটি টেলিগ্রাম পেয়ে অবাক হয়ে যান যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ফিঙ্ক নামের এক ব্যক্তি। সেখানে তার বন্ধুদের লেখা একটা অভিনন্দন বার্তা ছিল। যদিও তা ছিল ৫০ বছর আগের। 

জানা গেছে, ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিঙ্ক গ্রাজুয়েশন ডিগ্রী লাভ করেন্। ওই সময় তার এক বন্ধু তাকে অভিনন্দন জানিয়ে একটা টেলিগ্রাম করেন। তাতে লেখা ছিল ‘তোমার ডিগ্রী নেওয়ার সময় অভিনন্দন জানানোর জন্য উপস্থিত থাকতে না পারায় আমরা দুঃখিত। তবে আমাদের ভালোবাসা ও শুভকামনা সবসময় থাকবে তোমার জন্য।’- শুভেচ্ছান্তে ডা.ফিচম্যান এবং মিসেস ফিচম্যান।  

টেলিগ্রামটি পাঠানো হয়েছিল ১৯৬৯ সালের ২ মে। কিন্তু তার একদিন আগেই ফিঙ্ক তার আপার্টমেন্টটা ছেড়ে দিয়েছিলেন। এ কারণে চিঠিটা তিনি আর পাননি। 

গত বছরের ডিসেম্বরে হঠাৎ করেই ফিঙ্ক মিশিগান থেকে একজন অচেনা ব্যক্তির ইমেইল পান। ক্রিস্টিনা জাসেক নামের এক নারী লিখেছেন কাজ করতে গিয়ে একটা ক্যাবিনেট গোছানোর সময় তিনি একটা টেলিগ্রাম পেয়েছেন ফিঙ্কের নামে। 

ফিঙ্ক বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি ইমেইলটি পেয়ে প্রথমে আমার মনে সন্দেহ জেগেছিল। ভেবেছিলাম, মিথ্যে করে কেউ এটা লিখেছে’। 

তিনি আরও বলেন, পরে জেনেছি জাসেকের কোম্পানি মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে ক্যাবিনেট বদলানোর সময় একটা ক্যাবিনেটে ওই টেলিগ্রামটি দেখতে পান। পরে ক্রিস্টিনা জাসেক তাকে খুঁজে বের করে ইমেইলটি করেন। 

ফিঙ্ক জানান, ১৯৬৯ সালে নিজের অ্যাপার্টমেন্টটি ছেড়ে দেওয়ায় তিনি আর ওই টেলিগ্রামটি পাননি। বাড়ির মালিক তার নতুন বাসার ঠিকানা না জানায় টেলিগ্রামটি ইউনিভার্সিটিতেও ফেরত পাঠানো হয়।

ফিঙ্ক বলেন, ‘ ভাগ্যের কি অদ্ভুত পরিহাস! আমি জীবনে একটামাত্র টেলিগ্রামই পেলাম। সেটাও পোস্ট করার ৫০ বছর পরে’।

আফসোসের সুরে ফিঙ্ক আরও বলেন, ‘টেলিগ্রামটির জন্য ফিচম্যান দম্পতিতে কোনদিন ধন্যবাদ জানাতে পারবো না কারণ তারা আর বেঁচে নেই’।  সূত্র : ইনসাইড এডিশন

সংশ্লিষ্ট খবর