যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

ক্যালিফোর্নিয়ায় বারে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ১২

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮

ক্যালিফোর্নিয়ায় বারে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ১২

  অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি বারে বন্দুকধারীর গুলিতে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার স্থানীয় সময় বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে ৬৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে থাউজ্যান্ড ওকস এলাকার বর্ডারলাইন বারে এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, গুলির ঘটনার পর সন্দেহভাজন বন্দুকধারীকে বারের ভেতরেই মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তার পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। এছাড়া কী কারণে ওই বন্দুকধারী বারে গুলি চালিয়েছে সেটাও এখন পর্যন্ত উদঘাটন করা যায়নি।

হামলার সময় বারটিতে একটি কলেজের মিউজিক নাইট অনুষ্ঠান চলছিল এবং সেখানে অন্তত দুইশ' জন উপস্থিত ছিল।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

জয়নবকে বাঁচাতে রক্তের খোঁজ চলছে গোটা দুনিয়ায়


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

জয়নব মুগল

  অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা জয়নব মুগল। মাত্র দুই বছর বয়স এই মেয়েটির। এ বয়েসেই সে ক্যান্সারে আক্রান্ত । কিন্তু দু:খের বিষয় হল, তার রক্তের গ্রুপ এতই দুর্লভ যে তার চিকিৎসার জন্য রক্ত পেতে শুরু হয়েছে এক বিশ্বব্যাপী অভিযান।

বিবিসি জানায়, এ বছরেরই গোড়ার দিকে জয়নবের দেহে নিউরোব্লাস্টোমা নামক এক রোগ ধরা পড়ে; যা খুবই বিরল এবং আগ্রাসী এক ধরণের ক্যান্সার।

জয়নবের রক্ত যে গ্রুপ তা অতিশয় দুর্লভ এবং বিরল, কারণ তার রক্তের লোহিতকণিকায় 'ইন্ডিয়ান বি' নামের একটি এ্যান্টিজেন নেই। এ রক্ত পাওয়া যাবে শুধুমাত্র ভারতীয়, পাকিস্তানী বা ইরানীদের মধ্যে যাদের রক্তের গ্রুপ 'ও' বা 'এ' - তাদের মধ্যে।

বাবা-মায়ের সঙ্গে জয়নব 

কিন্তু এই ভারতীয়, পাকিস্তানী বা ইরানীদের মধ্যেও মাত্র ৪ শতাংশেরও কম লোক আছে যাদের রক্তে সেই 'ইন্ডিয়ান বি' এ্যান্টিজেনটি অনুপস্থিত।

জয়নবের রক্তের গ্রুপ এতই বিরল যে তার সাথে রক্তদাতার রক্তের হুবহু মিল না হলে তার দেহ সেটাকে গ্রহণ করবে না।

এ পর্যন্ত ১ হাজার লোকের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে- কিন্তু জয়নবকে দেয়া যাবে এমন রক্তদাতা পাওয়া গেছে মাত্র তিন জন। এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাওয়া গেছে মাত্র দু'জন দাতা, আর যুক্তরাজ্যে পাওয়া গেছে একজন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছে, জয়নবের যথাযথ চিকিৎসার জন্য ৭ থেকে ১০ জন দাতা প্রয়োজন।

ওয়ানব্লাড নামে একটি প্রতিষ্ঠান জয়নব মুগলের জন্য এখন বিশ্বের নানা দেশে রক্তের অনুসন্ধানের নেতৃত্ব দিচ্ছে। ওয়ানব্লাডের ফ্রিডা ব্রাইট বলছেন, জয়নবের রক্ত এতই বিরল যে গত ২০ বছরে আমি প্রথম এরকম ঘটনা দেখলাম।

তিনি বলছেন, জয়নবের জন্য রক্ত পাওয়া গেলেও এতে কিন্তু তার রোগ সারবে না - তবে ক্যান্সার চিকিৎসার ধকল সহ্য করার ক্ষমতা তৈরি হবে।

'কেমোথেরাপির ফলে জয়নবের টিউমারের আকার ইতিমধ্যেই ছোট হয়ে আসছে, কিন্তু তার আরো হাড়ের মজ্জার প্রতিস্থাপন দরকার হবে।'

জয়নবের বাবা রাহিল মুগল বলছেন, 'তার ক্যান্সার হয়েছে শুনে আমরা অনেক কেঁদেছি।' তিনি এবং জয়নবের মা নিজেরা রক্ত দিতে চেয়েছিলেন -কিন্তু ডাক্তাররা বলেছেন যে তাদের রক্ত জয়নবের শরীর গ্রহণ করবে না। 

কিন্তু তার পর অন্য অনেকে রক্ত দেবার প্রস্তাব করেন এবং এভাবেই বিষয়টি ছড়িয়ে যায়। রাহিল মুগল বলছেন, দাতারা জয়নবের জন্য যা করছেন তা তাদের অভিভূত করেছে, এবং সেটা তারা কখনও ভুলবেন না।

পরের
খবর

জোর করে শিক্ষার্থীর চুল কেটে বিপদে শিক্ষিকা


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

মার্গারেট জিসযিঞ্জার

  অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় জোর করে শিক্ষার্থীর চুল কেটে ভালোই বিপদে পড়েছেন মার্গারেট জিসযিঞ্জার নামে পঞ্চাশোর্ধ এক শিক্ষিকা। 

তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে নিজের চাকরিও হারিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার ভিসালিয়ার ইউনিভার্সিটি প্রিপারেটরি হাই স্কুলের এই শিক্ষিকা। তবে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন তিনি। খবর সিএনএনের।

কৌসুলিরা জানান, মার্গারেটের বিরুদ্ধে শিশুর প্রতি নিষ্ঠুরতা, প্রহারসহ ছয়টি অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগে তার সাড়ে তিন বছরের জেল হতে পারে।

তারা আরও জানান, স্থানীয় সময় গত শুক্রবার মার্গারেট জিসযিঞ্জার এক লাখ ডলার মুচলেকা দিয়ে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ।

এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, স্কুলটির বিজ্ঞানের শিক্ষক মার্গারেট এক ছাত্রকে শ্রেণিকক্ষের একেবারে সামনের দিকে এসে বসতে বলেন। তারপর তিনি তার কয়েক মুঠো চুল কেটে দেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা ভুল সুরে জাতীয় সঙ্গীত গাইছিল। এরপর মার্গারেট নিজের মাথার ওপরে কাঁচি উঁচু করে ধরেন এবং এরপর তিনি এক ছাত্রীর চুল কাটার হুমকি দেন।

ওই ছাত্রের পক্ষের আইনজীবী সিএনএনকে বলেন, শিক্ষিকার হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার আগ পর্যন্ত তার মক্কেল ‘সম্পূর্ণ আতঙ্কগ্রস্ত’ হয়ে পড়েছিল।

এই ঘটনার পর কাউন্টি অফিসের শিক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা এক বিবৃতিতে বলেন, ক্লাসরুমে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তাকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

এক ফোনেই ফাঁকা নিউ ইয়র্কে সিএনএন কার্যালয়


আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা

  অনলাইন ডেস্ক

ফোনে বোমা হামলার হুমকিরে পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে সংবাদ মাধ্যম সিএনএনের কার্যালয় ফাঁকা করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে ওই হুমকির পর প্রতিষ্ঠানটির স্টুডিওসহ সব বিভাগ বন্ধ করে কর্মীরা বেরিয়ে আসেন বলে সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

তবে পরিস্থিতি এখন স্বাভাকি আছে বলে কর্মীদের উদ্দেশ্যে এক বার্তায় জানিয়েছেন বিশ্বব্যাপী প্রচারে থাকা সংবাদ মাধ্যমটির সভাপতি জেফ জুকার।

তিনি বলেন, কার্যালয়টি এখন নিরাপদ। সবাইকে সকাল নাগাদ ভবনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

জেফ বলেন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবকি হওয়ায় এবং যারা এ ধরনের ঘটনায় চাপে পড়েছিলেন তাদের ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের প্রতি সম্মান জানাচ্ছি।

কারা বা কেন ওই হুমকি দিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয় বলে নিউ ইয়র্ক পুলিশের এক টুইটার বার্তায় জানানো হয়েছে।

সিএনএন বলছে, বৃহস্পতিবার রাতে একটি ফোন আসে কার্যালয়ে। এসময় বলা হয় ভবনটিতে পাঁচটি বিস্ফোরক রাখা হয়েছে।

এরপরই অগ্নিনির্বাপক সতর্ক সংকেত বেজে ওঠে। সবাইকে দ্রত স্থান ত্যাগ করার পরামর্শ দেয় কর্তৃপক্ষ।

ওয়ার্নার সেন্টার ভবন ছাড়ার জন্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার সময় চ্যানেলটিতে 'সিএনএন টুনাইট' নামের একটি পোগ্রামের বিরতি চলছিল। এরপরই সম্প্রচার বন্ধ করে বের হয়ে যান সবাই।

এর আগে গত অক্টোবরেও বিস্ফোরক থাকার সংবাদ পেয়ে ভবনটি ফাঁকা করা হয়েছিল। 


সংশ্লিষ্ট খবর