মোদিকে হুঁশিয়ারি ইমরানের

প্রতিটি আঘাতের জবাব দেব

কাশ্মীর নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠকের আহ্বান পাকিস্তানের

প্রকাশ : ১৫ আগষ্ট ২০১৯

   সমকাল ডেস্ক

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুঁশিয়ারি করে বলেছেন, কাশ্মীর ইস্যুতে প্রতিটি আঘাতের কঠোর জবাব দেওয়া হবে। ভারত ইট ছুড়লে পাকিস্তান পাথর ছুড়ে তা প্রতিহত করবে। গতকাল বুধবার পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের আইন পরিষদের বিশেষ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় মোদির বিরুদ্ধে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। কাশ্মীরের জনগণের সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন ইমরান। এদিকে, এর আগে গতকাল পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এবারের স্বাধীনতা দিবসকে 'কাশ্মীরিদের সঙ্গে সংহতি দিবস' হিসেবে বর্ণনা করেন। এ ছাড়া ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলগুলোর নেতারা সবাই কাশ্মীরিদের প্রতি সংহতি জানিয়েছেন। কেউ কেউ বলেছেন, কাশ্মীরেও একদিন স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হবে। অন্যদিকে, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের ওপর আলোচনার জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে বৈঠক করার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। এ বিষয়ে তাদের পক্ষে চীন রয়েছে দাবি করে এ আহ্বান জানায় ইসলামাবাদ। খবর ডন ও এনডিটিভির।

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরকে (পিওকে) দেশটিতে আজাদ কাশ্মীর বলা হয়। বুধবার সেখানকার আইন পরিষদে ইমরান খানের আগে বক্তব্য দেন আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী রাজা ফারুক হায়দার। তার বক্তব্যের সুরে ইমরান খান বলেন, কাশ্মীরের পর পাকিস্তানেও গোলমাল সৃষ্টি করতে পারে ভারত। তিনি বলেন, 'কাশ্মীরে সংঘাত বন্ধ হবে না। ঘৃণায় ভরা এই আদর্শ পাকিস্তানেও ঢুকে পড়তে পারে।' ইমরান খান আরও বলেন, ভারত সরকার আজাদ কাশ্মীরে যে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে বলে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কাছে তথ্য আছে। পুলওয়ামার ঘটনার পর বালাকোটে হামলার মতো ঘটনা ঘটাতে পারে তারা। এ নিয়ে আমাদের কাছে তথ্য আছে।

অন্যদিকে মঙ্গলবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ বরাবর লেখা এক চিঠিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি বলেন, পাকিস্তা যুদ্ধের উস্কানি দেবে না। তবে ভারত যেন আমাদের সংযমকে দুর্বলতা না ভাবে। ভারত যদি ফের শক্তি প্রয়োগ করার পথে যায়, আত্মরক্ষার জন্য সর্বশক্তি নিয়ে পাকিস্তান জবাব দিতে বাধ্য হবে। পাকিস্তানের অনুরোধে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ কীভাবে সাড়া দেবে এবং এক্ষেত্রে পরিষদের কোনো সদস্য দেশের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ দরকার হবে কি-না, তাৎক্ষণিকভাবে তা পরিস্কার হওয়া যায়নি। তাদের এ পদক্ষেপের প্রতি চীনের সমর্থন আছে বলে শনিবার জানিয়েছিল পাকিস্তান।


মন্তব্য