ভেনিজুয়েলায় দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হলেন মাদুরো

  সমকাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা মহল ও লাতিন প্রতিবেশীদের সমালোচনা উপেক্ষা করেই ক্ষমতার দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু করলেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। বৃহস্পতিবার রাজধানী কারাকাসে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি মাইকেল মোরেনোর কাছে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেন তিনি। মাদুরোর সমর্থকরা এ সময় সিম্ম্ফনির তালে তালে নেচে গেয়ে, হলুদ-নীল-লাল রঙের জাতীয় পতাকা উড়িয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। তবে ভেনিজুয়েলায় চলমান অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এখনও দেশ ছাড়ছেন অনেকে। খবর বিবিসি ও এএফপির।

ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদে আরও ছয় বছরের জন্য শপথ নেওয়ার পর প্রথম ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একহাত নিয়েছেন সমাজতান্ত্রিক ঘরানার এ নেতা। তিনি বলেন, এক নতুন বিশ্বব্যবস্থার আবির্ভাব ঘটতে যাচ্ছে, যা একটিমাত্র দেশ ও তার তাঁবেদারদের সাম্রাজ্য বিস্তার ও মতাদর্শিক আগ্রাসনকে প্রত্যাখ্যান করবে।

মাদুরোর শপথ অনুষ্ঠান বর্জন করা বিরোধীরা তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তবে কারাকাসের মিলিটারি অ্যাকাডেমির এক অনুষ্ঠানে অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তার পাশাপাশি সেনাপ্রধান ভদ্মাদিমির পারদিনোকেও মাদুরোর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করতে দেখা গেছে।

মাদুরোর শপথের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এ প্রেসিডেন্টকে 'দখলদার' অ্যাখ্যা দিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন টুইটার বার্তায় বলেন, ভেনিজুয়েলার অবৈধ ও স্বৈরশাসককে স্বীকার করবে না যুক্তরাষ্ট্র। সম্পর্কচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছে কানাডা ও প্যারাগুয়ে। কানাডা বলেছে, মাদুরোর দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে ভেনিজুয়েলা একেবারেই একনায়কতন্ত্রে প্রবেশ করল।

ব্রাজিলের নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট জাইর বোলসোনেরোও ক্ষমতা গ্রহণের পর ভেনিজুয়েলার ওপর চাপ বাড়ানোর হুমকি দিয়ে রেখেছেন।

মাদুরোর 'অবৈধ' নতুন মেয়াদের প্রতিবাদে পেরু ভেনিজুয়েলা থেকে তাদের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকেও ফিরিয়ে নিয়েছে।


মন্তব্য