২ থেকে ৬ ঘণ্টা বিলম্বে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেন

ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০১৯

   সেলিম সরদার, ঈশ্বরদী (পাবনা)

ঈদের এক সপ্তাহ পরও পশ্চিমাঞ্চল রেলের প্রায় সব ট্রেনই চলাচল করছে অস্বাভাবিক দেরিতে। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দুই থেকে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বে চলাচল করায় ঈদের পর ট্রেনযাত্রীরা তাদের নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন। বাড়ি থেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে রওনা দিয়ে বিভিন্ন স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে নানা সমস্যায় পড়ছেন ট্রেনযাত্রীরা।

ঈশ্বরদী থেকে ঢাকা, রাজশাহী, চিলাহাটি, খুলনাসহ সব রুটের ট্রেনই চলছে বিলম্বে। রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনা-চিলাহাটি রুটে চলাচলরত আন্তঃনগর রূপসা ও সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি প্রতিদিন চলছে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা বিলম্বে। খুলনা-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেন চলছে তিন থেকে চার ঘণ্টা বিলম্বে। রাজশাহী-ঈশ্বরদী-ঢাকা রুটের আন্তঃনগর সিল্ক্কসিটি এক্সপ্রেস তিন থেকে চার ঘণ্টা, আন্তঃনগর ধূমকেতু এক্সপ্রেস চার থেকে সাড়ে চার ঘণ্টা ও আন্তঃনগর পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন চার ঘণ্টা দেরিতে চলাচল করছে। ঢাকা-ঈশ্বরদী-রাজশাহীগামী আন্তঃনগর সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস দুই ঘণ্টা, ঢাকা-পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর দ্রুতযান এক্সপ্রেস দুই ঘণ্টা ও একই রুটের আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন তিন ঘণ্টা দেরিতে চলাচল করছে। লালমনিরহাট থেকে ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃনগর লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেন ও ঈদ স্পেশাল ট্রেনও প্রতিদিন চলছে ছয় ঘণ্টা দেরিতে। এসব আন্তঃনগর ট্রেনসহ বিভিন্ন রুটের লোকাল ট্রেনগুলোও চলাচল করছে দুই থেকে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত দেরিতে।

ট্রেনের টিটিই আবদুল আলিম বিশ্বাস মিঠু বলেন, ট্রেন দেরিতে চলাচলের কারণে একদিকে যেমন যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়ছেন, অন্যদিকে ট্রেনে টিকিট চেকিংসহ বিনা টিকিটে চলাচলরত যাত্রীদের নিয়ে প্রতিদিনই ট্রেনে টিটিই, গার্ডসহ দায়িত্বরদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ঈদ স্পেশাল লালমনি এক্সপ্রেস ও আন্তঃনগর নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনসহ বেশ কয়েকটি ট্রেনের সিডিউল এখনও স্বাভাবিক হয়নি। তবে দু-চার দিনের মধ্যে ট্রেনের দেরি কমিয়ে  আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য