স্পোর্টস ডেস্ক

একদিক দিয়ে এ ম্যাচকে বলা যেতে পারে বিশ্বকাপের দুই বিস্টেম্ফারক ব্যাটিং লাইনআপের লড়াই। নিজেদের দিনে উইন্ডিজের ক্রিস গেইল, এভিন লুইস, আন্দ্রে রাসেল আর শিমরন হেটমায়াররা চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে রানের পাহাড় গড়তে পারেন।

অন্যদিকে ভয়ডরহীন ব্যাটিংয়ে ওয়ানডের ইতিহাসই তো নতুন করে লিখছেন ইংল্যান্ডের জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো, জশ বাটলার আর ইয়ন মরগানরা। তাদের সামনে নিরাপদ নয় কোনো লক্ষ্যই। কিন্তু এমন সব খুনে ব্যাটসম্যানকে ছাপিয়ে এ ম্যাচের আগে আলোচনায় চলে এসেছেন পেস বোলাররা।

আলোচনায় আসার কারণ দু-দলের বোলারদের গতি আর পারফরম্যান্স। এ বিশ্বকাপে বাউন্সার আর শর্ট বল দিয়ে প্রতিপক্ষকে নাস্তানাবুদ করছেন উইন্ডিজের কটরেল-গ্যাব্রিয়েল-রাসেল-থমাসরা।

পাকিস্তানকে মাত্র ১০৫ রানে অল আউট করার পর অস্ট্রেলিয়াকেও কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন তারা। গতি আর আক্রমণাত্মক বোলিং দিয়ে এই পেস চতুষ্টয় যেন মনে করিয়ে দিচ্ছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্বর্ণযুগের গার্নার-মার্শাল-হোল্ডিং-রবার্টসদের।

তবে মার্ক উড জানাচ্ছেন, ইংল্যান্ডও খুব বেশি পিছিয়ে থাকবে না। আগুনের জবাব আগুন দিয়েই দেবেন তারা। এটা যে শুধুই হুমকি নয় তা বোঝা যাবে উড-আর্চারদের গতির দিকে তাকালে। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন পাঁচটি বলের দুটি করেছেন মার্ক উড আর জোফরা আর্চার।

বাংলাদেশের সঙ্গে কার্ডিফে এ দু'জন যেন নেমেছিলেন একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে। সেদিন স্পিডগানে উড তুলেছিলেন ঘণ্টায় ১৫৪ কিলোমিটার আর আর্চার ১৫৩।

এ ম্যাচে তাই ব্যাটসম্যানদের বদলে বোলারদের দাপটই থাকতে পারে বেশি। উডও অবশ্য এমনটাই প্রত্যাশা করছেন। তার মতে, যখন দু-দলেই গতিসম্পন্ন বোলার থাকে তখন একের পর এক আক্রমণ চলতেই থাকে। ব্যাটসম্যানরা আসলে দম ফেলার সুযোগ পায় না।

তার কথায়, সত্যিকারের গতি যে কোনো ব্যাটসম্যানকে নাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। সেইসঙ্গে ম্যাচের গতিও পাল্টে দিতে পারে।


মন্তব্য