একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন :ভোটের অভিজ্ঞতা

মা-মেয়ে হেঁটে হেঁটেই ভোটকেন্দ্রে গেলাম

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮

মা-মেয়ে হেঁটে হেঁটেই ভোটকেন্দ্রে গেলাম

   খুশী কবির

রাজধানী সিটি কলেজ ভোটকেন্দ্রে এ নিয়ে তিনবার ভোট দিলাম। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। আগের দিনই আমার ও আমার মেয়ের ভোটের ক্রমিক নম্বর স্লিপ দিয়ে গিয়েছিল একজন প্রার্থীর কর্মীরা। আমার নম্বরটা মিললেও মেয়ের নম্বর মেলেনি। কিন্তু তাতে করে কোনো সমস্যা হয়নি। মিনিট দুয়েকের মধ্যেই তার নম্বরটাও বের করে দিলেন পোলিং কর্মকর্তারা। আমার মেয়ে বিদেশে ছিল। এবারই প্রথম বাংলাদেশে ভোট দিল। জীবনের প্রথম ভোট দিতে পেরে সে খুবই আনন্দিত ও উত্তেজিত।

ভোটকেন্দ্রের বাইরে অন্যান্যবার সব প্রার্থীর পক্ষে বুথ খোলা হয়। এবার একজন প্রার্থীর বুথই কেবল চোখে পড়ল। কেন্দ্রের ভেতরের ব্যবস্থাপনাও ছিল সুচারু। একজন বের হলেই কেবল আরেকজনকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছিল। আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। আমাকে হয়তো চেনে; ফলে বিনয়ের সঙ্গে অপেক্ষা করতে বলেছে। নিয়ম ভাঙার প্রবণতাও কারও মধ্যে দেখিনি। তারপরও বাইরে ভোটারের সারি দীর্ঘ ছিল না। ভেতরেও হৈচৈ ছিল না। সব প্রার্থীর এজেন্ট ছিল কিনা, সেটা অবশ্য লক্ষ্য করিনি। ভোট দিয়েই চলে এসেছি।

ভোটকেন্দ্রটি আমার বাসার কাছেই। মা-মেয়ে হেঁটে হেঁটেই ভোটকেন্দ্রে গেলাম। গল্প করতে করতে। পথে কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েনি। ভোটের দিন সাধারণত নানা ধরনের তর্কাতর্কি, হট্টগোলের শব্দ শোনা যায়। এবার কাছে-দূরে তেমন কোনো শব্দ শুনিনি।

সকাল ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে সাড়ে ১১টার মধ্যেই ভোট দেওয়া শেষ করতে পেরেছি। এটা আমার ভোটকেন্দ্রের চিত্র। অন্যান্য ভোটকেন্দ্রে কী হয়েছে আমি দেখিনি।

নারী নেত্রী


মন্তব্য যোগ করুণ