পিরোজপুর প্রতিনিধি

নাশকতার চেষ্টা, বিশেষ ক্ষমতা আইন, বিস্ম্ফোরক আইনসহ বিভিন্ন মামলায় পিরোজপুর জেলায় বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন। পুলিশি গ্রেফতারের ভয়ে অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন।

কারাগারে আটক নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি এলিজা জামান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিরোজপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন দুলাল, পিরোজপুর জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, নাজিরপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লাহেল মাহমুদ, ইউপি চেয়ারম্যান ও স্বরূপকাঠি বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ, ইউপি চেয়ারম্যান স্বরূপকাঠির বিএনপি নেতা মো. শাহীন মিয়া, টিটিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জালাল মৃধা, উপজেলা বিএনপি নেতা মো. রিপন মিয়া, আ. রাজ্জাক হাজি, জেলা ছাত্রদল সহসভাপতি ইমরান আহম্মেদ সজিব, জেলা ছাত্রদল নেতা আলী আহম্মেদ তুষার, মো. মিজান শেখ, মঠবাড়িয়া উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাহসীন জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রনী মুন্সি প্রমুখ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরে এসব নেতাকর্মীকে পুলিশ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করেছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের আটকের বিষয়ে পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন জানান, পিরোজপুর জেলায় এই পর্যন্ত বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীর নির্বাচন-পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশকে দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মিথ্যা মামলা ও অন্যায়ভাবে গ্রেফতার-নির্যাতনের ঘটনার মাধ্যমে পুলিশ বিভাগকে ইতিমধ্যে জাতির কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।

বিএনপির নেতাকর্মীদের যেভাবে গ্রেফতারের পর কারাগারে পাঠানো হচ্ছে, এতে করে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে সরকার। তিনি গণগ্রেফতার বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতাকর্মীদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানান।


মন্তব্য