মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি

যশোরের মনিরামপুরে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র তারিফকে অপহরণের পর হত্যা, বন্দুকযুদ্ধে অপহরণকারী নিহত এবং অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় থানায় পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। তবে পুলিশ এ তিন মামলার কোনো আসামিকে আটক করতে পারেনি। অপরদিকে বন্দুকযুদ্ধে নিহত অপহরণকারী বিল্লালের লাশ এখনও মর্গে রয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিল্লালের লাশ তার পরিবার থেকে কেউ গ্রহণ করেনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মনিরামপুর থানার এসআই জহির রায়হান।

মনিরামপুর থানার ওসি (তদন্ত) এনামুল হক জানান, শিশু তারিফ অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় নিহতের চাচা শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে বুধবার রাতে একটি মামলা করেন। এ মামলায় আসামি করা হয়েছে বন্দুকযুদ্ধে নিহত অপহরণকারী বিল্লাল হোসেন, তার বাবা গোলাম মোস্তফা এবং মা মরিয়ম বেগমসহ অজ্ঞাত তিনজনকে। অন্যদিকে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ এবং গুলিভর্তি একটি ওয়ানশুটার গান উদ্ধারের ঘটনায় এসআই জহির রায়হান বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েক ব্যক্তির নামে পৃথক দুটি মামলা করেন। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত এ তিন মামলার কোনো আসামিকে আটক করতে পারেনি। অন্যদিকে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র অপহৃত শিশু তারিফের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।


মন্তব্য