সমকাল প্রতিবেদক

কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে সাগরপথে আসা জ্বালানিসহ নানাবিধ পণ্য খালাসের জন্য একটি বড় ধরনের টার্মিনাল নির্মাণে বাংলাদেশের সামিট গ্রুপ এবং জাপানের এনার্জি ফর নিউ এরা (জেইআরএ) নামে একটি কোম্পানির মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। গতকাল বুধবার জাপানের টোকিওর নিউ ওটানি হোটেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এই সমঝোতা হয়। সামিট গ্রুপের ফয়সাল করিম খান এবং জেইআরএ-এর তোশিরো কোদোমা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

সমঝোতা অনুসারে সামিট ও জিরা-এশিয়া মাতারবাড়ি এলাকায় উপকূলে জেটি ও সাইলোসহ একটি বড় অবকাঠামোর উন্নয়ন করবে, যার মাধ্যমে বছরে ২০ মিলিয়ন টন মালামাল আমদানি রফতানি করা যাবে। চুক্তিটির বাস্তবায়ন আগামী দুই বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বিনিয়োগ করা হবে কমবেশি ৫০ কোটি মার্কিন ডলার।

সামিট আশা করছে, এ টার্মিনালের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। মাতারবাড়িতে জাপানের অর্থায়নে ১৩শ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। মহেশখালীতে সাগরে বর্তমানে দুটো ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। এখানে ল্যান্ডবেইজ এলএনজি টার্মিনাল করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার

আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক এবং মিডি (মহেশখালী-মাতারবাড়ি ইনটিগ্রেটেড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ)-এর চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ, জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এবং সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান।

এ বিষয়ে সামিটের চেয়ারম্যান আজিজ খান বলেন, তাদের এই অবকাঠামোর মাধ্যমে আগামীতে আমদানি রফতানি বাণিজ্য ত্বরান্বিত হবে।






মন্তব্য