চিঠিপত্র

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০১৯

খাদ্যে ভেজাল বন্ধ হোক

খাদ্যে ভেজালের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি আলোচিত বর্তমান সময়ে। আমরা আহারের জন্য যে খাবার খাই, সে খাবারের অধিকাংশই দূষিত কোনো না কোনোভাবে। ফলে খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ধরনের একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন রয়ে যাচ্ছে বরাবরই। খাদ্য দূষণ শুরু হয় একেবারে বীজতলা থেকেই। তারপরও কিছু কিছু খাদ্য, যেমন ব্রয়লার মুরগির মাংস, ডিম ও পালিত মাছে ভারি ধাতুর বৃদ্ধি আরও বেশি সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। শিল্পাঞ্চলগুলোর খাল, নদী প্রচুর পরিমাণে দূষিত। ফসল বপন করার সঙ্গে সঙ্গে ফসলে ঢুকছে ক্ষতিকর সবকিছু এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভয়াবহ আকারে ঢুকছে অ্যান্টিবায়োটিকও। কারণ খাল ও নদীতে সরাসরি ফেলা হয় হাসপাতালের বর্জ্য ও ওষুধ! সার ও কীটনাশকের ব্যবহার খাদ্য দূষণে এখনও সেরকমভাবে আমলে নেওয়া হচ্ছে না। অথচ অপরিকল্পিত ও অনিয়মিত কীটনাশক অধিকাংশ ফসলে ঢুকে তা বিষ হিসেবেই থেকে যাচ্ছে। মাটিও দূষণ করছে এবং তা আবার ফসলে ঢুকছে। এর সঙ্গে তো খাদ্যে প্রিজারভেটিভ হিসেবে কেমিক্যালের ব্যবহার, খাবার স্বাদ তৈরির জন্য বিভিন্ন অরগানের ব্যবহার আছেই। মাটি, পানি ও বাতাস দূষণ বন্ধ না করে খাদ্য ভেজালমুক্ত পাওয়া কঠিন। এর সঙ্গে ভেজালবিরোধী অভিযান দ্রুতগতিতে করতে হবে। উপজেলাভিত্তিক খাবার পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিও করা প্রয়োজন বলে মনে করি। খাদ্য নিয়ে যারা গবেষণা করছেন, তাদের অর্থ দিয়ে সরকার সহায়তা করবে, এটাও প্রত্যাশা করি।

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর



নগর পরিচ্ছন্নতায় আধুনিক যন্ত্রপাতি

নিত্য চলার পথে বিঘ্ন ঘটে, যখন অপরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাস্তাঘাট পাড়ি দিতে হয়! নোংরা, ময়লা আবর্জনার স্তূপ বা দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেন সামনে পড়ে। আমরা এই জিনিসগুলো খুব দ্রুতই এড়িয়ে চলতে চাই। কিন্তু কেউ না কেউ এগুলো পরিস্কার করেই জীবিকা অর্জন করছে। তারা হলেন নগরের পরিচ্ছন্ন কর্মী। তারাও আমাদের মতোই মানুষ। চলার পথে প্রায়ই চোখে পড়ে, তাদের কেউ কেউ ডুবে ডুবে ময়লা তুলে আনছে অথবা হাত দিয়ে অথবা পুরো শরীর ডুবাচ্ছে সেসব অপরিস্কার ড্রেন বা নালায়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একজন মানুষের জন্য। তারাও নাগরিক; তারাও যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার দাবি রাখে। তাই তাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কেও নজর দিতে হবে নগরপিতাকে। দিন পাল্টাচ্ছে; দেশ পাল্টাচ্ছে! তাদের পরিচ্ছন্নকরণ পদ্ধতিও পাল্টানো উচিত। তাদের এই কাজে যন্ত্রপাতির আধুনিকীকরণ অতীব জরুরি। আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ফলে তাদের স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন কাজে দ্রুতকরণও ঘটবে। তাই পরিস্কার কাজে আধুনিক যন্ত্রপাতির প্রসার ঘটুক।

মিতা কলমদার

লোকপ্রশাসন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়


মন্তব্য