চিঠিপত্র

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০১৯

অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগ

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। তাদের শিক্ষা-সংক্রান্ত যে কোনো নির্দেশনার ক্ষেত্রে তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাস্তবতা, স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে গড়ে ওঠা শিক্ষাব্যবস্থা আরও গভীরভাবে অবলোকন প্রয়োজন। বর্তমানে সরকারি সর্বশেষ নীতিমালা অনুসারে কলেজগুলোতে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগে অনেকটা শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এখনও ওই পদ দুটিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে যারা পূর্ব থেকে কর্মরত আছে, তাদের ক্ষেত্রে শিক্ষা জীবনে একটি তৃতীয় বিভাগ থাকলেও আবেদন করার পূর্বে যে বিধান ছিল, তা পুনরায় বহাল রাখা উচিত। কর্মরত অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ স্বপদে বা উপাধ্যক্ষ থেকে অধ্যক্ষ পদে কর্মরত প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করার জন্য শিক্ষা সচিব ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের আশু সুদৃষ্টি আশা করি।

রহমান আরজু
মুসাপুর, সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম

চিকিৎসা ব্যয় কমান

বাংলাদেশ এক উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের নাম। কিন্তু সবকিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ দেশের চিকিৎস্যা ব্যবস্থা উন্নত হয়নি। একদিকে যেমন অনুন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা, অন্যদিকে আকাশছোঁয়া চিকিৎসা খরচ। এই দুই মিলিয়ে মধ্যবিত্তদের নাজুক অবস্থা। মধ্যবিত্তের দিকে দেখার কি কেউ নেই? কিছুদিন আগে এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শুধু চিকিৎসা ব্যয় মেটাতেই বছরে ৫০ লাখ মানুষ দরিদ্র হচ্ছে, যা একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই সরকার ও আমাদের প্রত্যেকের এ বিষয়টির দিকে নজর  দেওয়া উচিত। চিকিৎসা ব্যয় কমাতে যথাযথ  ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

জাকারিয়া হাবিব (হিমেল)
প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়


মন্তব্য