সাত দশকের দলটি যে অর্জন করতে পারে

সময়ের কথা

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০১৯

সাত দশকের দলটি যে অর্জন করতে পারে

  অজয় দাশগুপ্ত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০ বছর পূর্ণ হবে আগামী ২৩ জুন। গত বছর ১ সেপ্টেম্বর দেশের অপর গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপির চার দশক পূর্ণ হয়েছে। সন্দেহ নেই যে, সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর যে দলটি গঠন করেছিলেন, সেটি এখন গভীর সংকটে। এক যুগের বেশি ক্ষমতায় নেই তারা। দলের মধ্যে বিভ্রান্তি-হতাশা চরমে। ভবিষ্যৎ নিয়ে রয়েছে উদ্বেগ-অনিশ্চয়তা। যদিও দলে কর্মী-সমর্থক সংখ্যা অনেক; কিন্তু কার্যত দিকনির্দেশনাহীন। এর বিপরীত চিত্র আওয়ামী লীগে। ১৯৭১ সালে এ দলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে এবং এ ধরনের কৃতিত্ব বিশ্বে কম রাজনৈতিক দলই দেখাতে পেরেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে যে দৃশ্যমান উন্নতি করছে, তার পেছনেও রয়েছে এ দলের এবং বিশেষ করে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা-সংকল্প-উদ্যম। অনেকেই এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত হবেন- বহু বছর বাস্কেট কেস-বটমলেস বাস্কেট হিসেবে উপহাসের পাত্র হিসেবে গণ্য হওয়া দেশটি কিন্তু এখন আমেরিকা-ইংল্যান্ডের মতো অতি ধনবান না হোক, মালয়েশিয়া-থাইল্যান্ডের মতো দেশের সারিতে বসার যোগ্য বিবেচিত হচ্ছে। এটা নিছক স্বপ্ন নয়, সে আস্থা জনগণের মধ্যেও সংক্রমিত হতে শুরু করেছে।

আওয়ামী লীগ রাজপথের সংগ্রামে পোড়-খাওয়া দল। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পাকিস্তানে ক্ষমতাসীন দল মুসলিম লীগ থেকে রাষ্ট্রক্ষমতায় পূর্ব বাংলার অধিকতর হিস্যা, বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রের দাবি সামনে রেখে দলটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। ক্রমে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিকেও আওয়ামী লীগ সামনে নিয়ে আসে, যা প্রকৃতপক্ষে ছিল 'হিন্দু-মুসলিমের একসঙ্গে বসবাস সম্ভব নয়'- মুসলিম লীগের এই আদর্শগত ভিত্তির ওপর বড় ধরনের আঘাত। বিএনপিকে ঠিক এভাবে দেখা যায় না। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে দলটি গড়ে তোলা হয়। আশির দশকে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এ দলটি নতুন প্রাণ পেয়েছিল। বিশেষভাবে আকৃষ্ট করতে পারে তরুণ প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য অংশকে। কিন্তু ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে এ দলটি আওয়ামী লীগকে রুখতে গিয়ে একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহচর রাজাকার-আলবদরদের দল জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য ধর্মান্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এ প্রক্রিয়ায় তারা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের রাজনীতির মূলধারা থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে থাকে। একের পর এক নির্বাচনী বিপর্যয় এবং একযুগের বেশি ক্ষমতার বাইরে থাকার কারণে এ ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা কঠিন। অন্যদিকে, যদি তারা আলবদর-রাজাকারদের ছেড়ে আসতে সংকল্পবদ্ধ হয় এবং অকারণ ভারতবিরোধিতার নীতি-কৌশল পরিত্যাগ করে, তাহলে আদর্শগত ভিত্তিটাই হারিয়ে যাবে- এমন শঙ্কা অনেকের। তখন এটাও মনে হতে পারে যে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির পার্থক্য রইল কোথায়?

তবে এ লেখা আওয়ামী লীগের ৭০ বছরকে সামনে রেখে। দুই মাসের কিছু বেশি সময় পর এ ধরনের একটি স্মরণীয় বার্ষিকী তারা উদযাপন করবে। দলের নেতৃত্ব এখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের কর্মসূচি চূড়ান্ত করছে। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনের প্রস্তুতিও চলছে। বহু বছর উন্নত বিশ্বের কাছে অবহেলা-তাচ্ছিল্যের শিকার দেশটি এখন উন্নত বিশ্বের সমীহ আদায় করছে, এটা আওয়ামী লীগের জন্য শ্নাঘার বিষয়। টানা দশ বছরের শাসনকালে দলটি দেশের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা পাঁচ কোটিতে উন্নীত করেছে। স্বাস্থ্যসেবার প্রসার ঘটিয়েছে। খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়েছে। খেলাপি ঋণের সমস্যা প্রকট থাকলেও ব্যাংকের আমানত প্রায় সাড়ে দশ লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে। ধনী-গরিবে বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ থাকলেও জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার টানা এক দশক ধরে উচ্চ পর্যায়ে রাখতে পেরেছে। ২০১২-১৩ অর্থবছরেও সরকারের রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের আকার ছিল দুই লাখ কোটি টাকার কম; কিন্তু ছয় বছরের মধ্যে তা দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। নিজস্ব অর্থে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু প্রকল্প হাতে নেওয়ার ভিতটা এভাবেই তৈরি হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে আরও বেশি যে বিষয়টি কাজ করেছে সেটা হচ্ছে, আত্মমর্যাদাবোধের জাগরণ। বহু বহু বছর বাংলাদেশের রাজনীতিক-সুশীল সমাজ-অর্থনীতিবিদদের বড় অংশের ধারণা ছিল- বিশ্বব্যাংক-এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক-আইএমএফ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন বাংলাদেশ সম্পর্কে যা কিছু বলে, তাদের যা কিছু পর্যবেক্ষণ-অবস্থান- সেটাই শতভাগ সত্য। এর বাইরে কোনো সত্য নেই। থাকতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেদের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এই মিথ বা অতিকথনের ওপর বড় আঘাত হেনেছেন। প্রকৃতই বরিশাল-খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সরাসরি সড়ক-রেল যোগাযোগ স্থাপনের এ প্রকল্প একটি চেতনার জন্ম দিয়েছে- পদ্মা সেতু স্পিরিট। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য এ স্পিরিট ধরে রাখতেই হবে।

আওয়ামী লীগের ৬০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে (২৩ জুন, ২০০৯) সমকালের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী একটি জরিপ পরিচালনা করেছিলাম। ২০১০ সালের ২৪ জুলাই দলের ২০তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সে সময়েও একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। উভয় জরিপেই অংশ নিয়েছিল ঢাকাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েক হাজার নেতাকর্মী। এ দুটি জরিপে মতামত প্রদানকারীদের প্রায় সবাই একটি অভিন্ন অভিযোগ করেছিলেন- 'আওয়ামী লীগ এবং তার বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উল্লেখযোগ্য অংশ সরকারি টেন্ডারে হস্তক্ষেপ করছে, নানা ধরনের দুর্নীতি-অনিয়মে যুক্ত হয়ে পড়ছে।' গত দশ বছরে কি এ পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে অর্থাৎ এ প্রবণতা কমেছে? নাকি পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে? দলের সাত দশক পূর্তি উপলক্ষে এ নিয়ে জরিপ-অনুসন্ধান হতেই পারে।

দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও কি ক্ষমতার প্রভাব পড়ছে? দশ বছর আগে এ প্রশ্ন তুলেছিলাম। দেখা গেছে, ২০০১-২০০৬ সাল দলটি যখন ক্ষমতার বাইরে থেকে বিএনপি-জামায়াতের প্রবল রোষের শিকার, যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন শহর-গ্রাম সর্বত্র বিস্তৃত হয়েছে এবং সফলতা লাভ করেছে- সে সময়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ছিল অপেক্ষাকৃত বেশি। অন্যদিকে, দল ক্ষমতায় থাকাকালে দলের অভ্যন্তরে কলহ-কাজিয়া বেড়েছে, সাংগঠনিক কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। দশ বছর আগে দলটি এক কোটি সদস্য সংগ্রহ করার জন্য প্রবল উৎসাহে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু কত সদস্য করা সম্ভব হয়েছে, সে প্রশ্ন কেউ কাউকে করেছে বলে জানা নেই। সাত দশকের গৌরবের বার্ষিকী পালন করতে গিয়ে এসব বিষয়ে সালতামামি কি হতে পারে না?

জাতীয় সংসদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের এখন নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব। বেশিরভাগ সিটি করপোরেশন তাদের দখলে। গণতন্ত্র রয়েছে, এমন যে কোনো দেশেই একটি রাজনৈতিক দলের এ ধরনের কর্তৃত্ব ঈর্ষার বিষয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে সরকারের বিরোধিতা কার্যত অনুপস্থিত। প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি এখন ছন্নছাড়া দল। তারা রাজপথ কাঁপানোর হুমকি মাঝেমধ্যে দেয় বটে; কিন্তু আপাতত নখদন্তহীন অবস্থাই তাদের কপালের লিখন। আওয়ামী লীগের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের এ এক চমৎকার সুযোগ।

কিন্তু দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কেউ কেউ তো বলেন, হরিণের জন্য বিপদ যেমন তার নিজের সুস্বাদু মাংস, তেমনি আওয়ামী লীগের মতো তৃণমূলে বিস্তৃত দলের জন্য এটাই বিপদ। সাম্প্রতিক উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকটভাবে ধরা পড়েছে। দেখা গেছে, সংসদ সদস্যরা চেষ্টা করেছেন- তাদের একান্ত অনুগতরাই চেয়ারম্যান-ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন লাভ করুক। অথচ বিএনপি এ নির্বাচন বর্জন করেছিল। এ অবস্থায় আওয়ামী লীগের জন্য সুযোগ ছিল দল ও জনগণের কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচিত হয়ে আসার পরিবেশ সৃষ্টি করা। বাস্তবে সেটা হয়নি। পরপর দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন কার্যত একতরফা হওয়ায় জনমনে যে হতাশা, সেটা এভাবে কিছুটা হলেও কাটিয়ে ওঠা যেত। অন্যদিকে, বেশিরভাগ উপজেলায় ভোটারদের মধ্যে প্রবল অনীহা দেখা গেছে। তারা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়নি। জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকারের প্রতিটি স্তরে যেখানে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ-কর্তৃত্ব, সেখানে স্বল্প ভোটারের নির্বাচন কি দলের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করে না? স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও দলের সাত দশক উদযাপনের জন্য ব্যস্ত সময় পার করা দলটি কি এ বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখবে? ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কম উপস্থিতির পক্ষে সাফাই ছিল- বিএনপি-জামায়াতের পেট্রোল বোমার সহিংস রাজনীতি। কিন্তু এখন কী অজুহাত আমরা শুনতে পাব?

আগামী অক্টোবরে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি ২০১৬ সালে জাতীয় সম্মেলন আয়োজন করেছিল, যেখানে তারেক রহমানকে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করা হয়। এখন খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমান দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত। সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ তাদের কারও নেই। কিন্তু আওয়ামী লীগের সামনে অবারিত মাঠ। কেন্দ্রীয় নেতারাই বলছেন- দলে কিছুটা গা-ছাড়া ভাব এসেছে। একতরফা উপজেলা নির্বাচন দলে বিভেদ বাড়িয়েছে। এ অবস্থায় দলকে ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল করার জন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভায় নেই, এমন জ্যেষ্ঠ নেতার তৃণমূলের সম্মেলনে যোগ দেবেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর কর্মসূচিতেও তারা উপস্থিত থাকবেন। এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু টানা ১০ বছর এবং সব মিলিয়ে ১২ থেকে ১৫ বছর মন্ত্রী থাকার পরও যাদের মন ভালো নেই, তাদের ক'জন তৃণমূলের দলীয় সভায় যেতে উৎসাহবোধ করবেন? আওয়ামী লীগের মতো দলে 'প্রটোকল' গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি জিয়াউর রহমানের ক্ষমতায় থাকার সময়ে গঠিত দল। শুরুর দিকে ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে মহাসচিব করা হয়। চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। তার প্রতিনিধি হিসেবে মহাসচিব ডা. চৌধুরী যাতে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সময় দিতে পারেন, সে জন্য তাকে উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদে রাখা হয়- উদ্দেশ্য প্রটোকল সুবিধা কাজে লাগাবেন দলের স্বার্থে। অন্যদিকে, ১৯৫৭ সালে শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক শ্রম-বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেন। তার সামনে ছিল মহৎ লক্ষ্য- স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন। এ জন্য চাই শক্তিশালী, নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক দল। মন্ত্রিত্ব তার কাছে তুচ্ছ ছিল।

এখন কি সেটা সম্ভব হবে? যদি মন্ত্রী হতে না পারা সিনিয়র নেতারা জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সভা-সম্মেলনে হাজির হতে রাজি থাকেন, তৃণমূলের 'প্রবল ক্ষমতাধর' নেতারা কি তাদের স্বাগত জানাবেন? যদি তারা আগ্রহী হন এবং তৃণমূলে তাদের সাদরে বরণ করে নেওয়া হতে থাকে, তাহলে ৭০ বছরের পুরনো রাজনৈতিক দলের সেটা হবে বড় অর্জন।

সাংবাদিক
ajoydg@gmail.com


মন্তব্য যোগ করুণ

সম্পাদকীয় ও মন্তব্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ