চিঠিপত্র

প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

ফুট ওভারব্রিজে নিরাপত্তাহীনতা

ফুট ওভারব্রিজগুলোতে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পথেঘাটে এভাবেই প্রতিনিয়ত সর্বস্ব হারাচ্ছেন অসহায় পথচারীরা। আরেকটি অন্যতম সমস্যা নারীদের হয়রানি। প্রায়শই নারীরা ফুট ওভারব্রিজগুলোতে যৌন হয়রানির শিকার হন। রাতের বেলা যখন লোকজনের আনাগোনা কমে যায়, তখন ইভ টিজারদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। কারণ, ফুট ওভারব্রিজগুলোতে অবস্থানকারী ভাসমান মানুষ ও হকার। প্রথমেই তাদের শনাক্ত করা যায় না। কিন্তু এদের বেশিরভাগই নানা মাদকদ্রব্যে অভ্যস্ত। ফলে মাদকের টাকা জোগাড়ের জন্য তাদের লক্ষ্যই থাকে পথচারী। তাই ফুট ওভারব্রিজ থেকে অবৈধ হকার, ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষ এবং মাদকসেবীদের অপসারণ করা জরুরি। ফুট ওভারব্রিজের বেশিরভাগই রাতে বাতি থাকে না। ফলে এগুলো অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে। তাই প্রতিটি ফুট ওভারব্রিজে পথচারী নিরাপত্তায় পর্যাপ্ত আলো কিংবা সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবস্থা করা উচিত।

রজত আর্য

শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

পলিথিনের ব্যবহার

পলিথিনের ক্ষতিকর দিক বিবেচনায় সর্বপ্রথম এর উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয় ২০০২ সালে। ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৬-এর ক ধারা সংযোজনের মাধ্যমে এ সংক্রান্ত ঘোষণা বাস্তবায়ন করা হয়। একই বছরের ৮ নভেম্বর সরকার কর্তৃক একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাময়িকভাবে বিস্কুট, চানাচুরের মোড়ক হিসেবে পলিথিনের ব্যবহার করা যাবে বলে জানানো হয়। এই আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়, 'কেউ যদি পলিথিনসামগ্রী উৎপাদন, আমদানি বা বাজারজাত করে, তার শাস্তি হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। আর কোনো ব্যক্তি যদি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনসামগ্রী বিক্রি বা বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রদর্শন, গুদামজাত, বিতরণ ও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিবহন বা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করে, সে ক্ষেত্রে তার শাস্তি ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয়দণ্ডই প্রযোজ্য হতে পারে। তারপরও যেন আইনের প্রতি কোনো ভ্রূক্ষেপই নেই কারোর।

তুফান মাজহার খান, ডেমরা, ঢাকা

তামাকজাত পণ্য নিষিদ্ধ হোক

শ্বাস-কাশি, ফুসফুসে সমস্যা, হার্টে সমস্যা, লিভারজনিত সমস্যা আজ অনেকের যেন নিত্যসঙ্গী, শুধু তামাক সেবনের ফলে রোগগুলো মহামারী আকার ধারণ করছে। কেন আজ যুবকরা অযথা টাকা খরচ করে তামাকজাত পণ্য কিনে খারাপ নেশায় জড়িত হচ্ছে? যারা এই ধূমপান করে তাদের কাছ থেকে জাতি আজ যৌক্তিক চিন্তা আশা করতে পারছে না। মদ্যপানের ফলে যুবকরা আজ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। যুবসমাজের এই তামাক সেবন ও মদ্যপানের মতো এ খারাপ নেশা থেকে তাদের ফিরিয়ে আনার মতো ব্যবস্থা সরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়ন করতে হবে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসঙ্গে তামাকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সভা-সমাবেশ করে এর প্রতিকারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ধূমপান ও মদ্যপানের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবসা শিথিল করতে হবে। তামাকের অবাধ বা মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার বন্ধ করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

তাইফুর রহমান মুন্না, মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট


মন্তব্য