পাট শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব

শিল্প খাত

প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পাট শিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সম্ভব

  ড. শফিক উজ জামান

বিগত শতাব্দীর আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত পাট ও পাটজাত পণ্য ছিল রফতানির প্রধান খাত। ১৯৭২-৭৩ সালে রফতানি আয়ের ৮৯ শতাংশই আসত কাঁচা পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে এবং পুরো সত্তর দশকব্যাপী রফতানি আয়ে পাটের অবদান ৮০ শতাংশের নিচে নামেনি। আশির দশকের শুরুতে তৈরি পোশাক রফতানি খাতে যুক্ত হলে পাটের একচেটিয়া আধিপত্য কমতে থাকে। তার স্থান দখল করে পোশাক শিল্প। তা সত্ত্বেও ১৯৮৭-৮৮ সাল অবধি রফতানি আয়ের অর্ধেক আসত পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে। বর্তমানে তৈরি পোশাক- নিটিং ও ওভেন একত্রে রফতানির ৮০ শতাংশের বেশি জোগান দিচ্ছে। রফতানি পণ্য হিসেবে পাট ও তৈরি পোশাকের পার্থক্য হলো- পাট রফতানির আয়ের অর্ধেক আসত কাঁচা পাট থেকে, বাকি অর্ধেক প্রস্তুত পণ্য থেকে। সে তুলনায় পোশাকের পুরোটাই প্রস্তুত পণ্য। তবে পাটপণ্যের মূল্য সংযোজন ৮০ শতাংশের ওপরে। সে তুলনায় পোশাক ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ। অবশ্য পাট ও পোশাক রফতানির এই তুলনা কোনোভাবেই পোশাক খাতের গুরুত্বকে খাটো করা নয় বরং পোশাকের সাফল্যের পাশাপাশি পাটের সম্ভাবনাকেও তুলে ধরা।

পোশাক শিল্প বিশ্ববাজারে বাংলাদেশকে পরিচিত করেছে। এই শিল্পে নিয়োজিত প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের ৭০ শতাংশই নারী। শিল্পক্ষেত্রে একত্রে এই বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের আগমন এটাই প্রথম। এই নারী শ্রমিকরা শুধু জীবিকার উৎসই খুঁজে পায়নি; পোশাক শিল্প তাদের ক্ষমতায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তবে পোশাক রফতানি শুরু হয়েছিল বাংলাদেশে সস্তা শ্রমের 'তুলনামূলক সুবিধা'র সুযোগ নিয়ে। সম্প্রতি পোশাকের চাহিদা সৃষ্টি এবং উচ্চমূল্য সংযোজনে কিছুটা অগ্রগতি হলেও এখনও পোশাকের চাহিদা, দাম, ডিজাইন, কোটা, পরিমাণ- সবকিছু নিয়ন্ত্রণের এখতিয়ার একান্তই ক্রেতাগোষ্ঠীর। অর্থাৎ ক্রেতাগোষ্ঠী দাম নির্ধারক আর মালিকগোষ্ঠী দাম গ্রহীতা। নিকট অতীতে বেশ কিছু মর্মান্তিক দুর্ঘটনাজনিত কারণে শ্রমিকের নিরাপত্তা ও পরিবেশ উন্নতকরণে ক্রেতাগোষ্ঠীর সংগঠন অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স আরোপিত শর্ত পূরণে বিপুল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। এতে আগের তুলনায় কাজের পরিবেশ উন্নত হয় এবং ক্রেতাদের আস্থা ফিরে আসে। কিন্তু শর্ত পূরণে অতিরিক্ত বিনিয়োগের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলেও ক্রেতাগোষ্ঠী পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে কোনো আগ্রহ দেখায়নি। ফলে শিল্প মালিকরা 'বেশি ব্যয় কিন্তু কম আয়' চক্র থেকে বের হতে পারেনি। তাই শিল্পের বহুমুখীকরণ আজ সময়ের দাবি। পোশাকের পাশাপাশি পাট শিল্প আয় এবং পণ্য বহুমুখীকরণে পথনির্দেশকের ভূমিকা পালন করতে পারে। গত তিন দশকে শুধু রফতানি খাত নয়, সামগ্রিকভাবে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প বলতে শুধু তৈরি পোশাককেই বোঝাত। এ সময় নতুন কোনো পণ্য, বিশেষ করে দেশি কাঁচামালভিত্তিক নতুন কোনো পণ্য রফতানি খাতে অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। আর দেখা গেলেও উল্লেখ করার মতো নয়। অথচ পাট দিয়েই এ দেশে রফতানি শুরু হয়েছিল।

ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ সরকার প্রথম পাট রফতানি শুরু করে। পাটের সুতা ব্যবহারের আগে শণের সুতা কারখানায় বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহূত হতো। ১৮৫৪-৫৬ সালে ক্রিমিয়ার যুদ্ধে রাশিয়া থেকে শণ আমদানি বন্ধ হয়ে গেলে যুক্তরাজ্যের ডান্ডির কারখানাগুলো শণের বিকল্প হিসেবে পাট ব্যবহার শুরু করে। ওই সময়েই ডান্ডিস্থ শণের কারখানাগুলো পাটকলে রূপান্তরিত হয়। ১৮৬১-৬৫ সালে আমেরিকায় গৃহযুদ্ধের কারণে তুলার সরবরাহ হ্রাস পেলে বিকল্প হিসেবে পাটের কদর বেড়ে যায়। পাট অপেক্ষাকৃত সস্তা বলে ইউরোপ, আমেরিকা ও রাশিয়াতেও পাটকল স্থাপিত হতে থাকে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বাঙ্কারের ওপরে পাটের বস্তায় বালু ভরে শত্রুর গোলা থেকে এবং মাথার ওপর পাটের মোটা দড়ি দিয়ে জাল তৈরি করে মাথার ওপর টানিয়ে শত্রুর বিমান ও কামানের গোলা থেকে রক্ষায় ব্যবহূত হয়েছে। সেই সঙ্গে গোলাবারুদ ও খাদ্যশস্য বহনেও পাটের বস্তা ব্যবহার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে ভারত ভেঙে পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্র জন্ম নেয় এবং পূর্ব পাকিস্তান একটি প্রদেশ হিসেবে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়। পাকিস্তানের উভয় অংশের দূরত্ব ছিল ১২শ' মাইলের বেশি। ভারত বিভক্তির সূচনালগ্নেই পাকিস্তান অস্তিত্বের সংকটে পড়ে। কেননা, স্বল্প সংখ্যক ক্ষুদ্রশিল্প ছাড়া পূর্ব পাকিস্তানে তেমন কোনো শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। ওই সময় ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিল্প ছিল পাট (প্রথমটি ছিল টেক্সটাইল)। এই পাট শিল্পের শতভাগ কাঁচামাল সরবরাহ করা হতো পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ আজকের বাংলাদেশ থেকে। পাকিস্তান সৃষ্টি হওয়ার পর পূর্ব পাকিস্তান থেকে কলকাতার হুগলী নদীর পাড়ে স্থাপিত পাটকলগুলোতে কাঁচা পাট সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে অবিভক্ত ভারতের মাত্র ৮ শতাংশ শিল্প কারখানা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে। কিন্তু এই শিল্প কারখানার মালিক ছিল হিন্দু মাড়োয়ারি ব্যবসায়ীরা। দেশভাগের পরে এই ব্যবসায়ীরা ভারতে চলে যায়। অন্যদিকে ভারতে, বিশেষ করে পাঞ্জাবের উর্দুভাষী মুসলিম শিল্পপতিরা তাদের ব্যবসা ছেড়ে পাকিস্তানে চলে যায় এবং হিন্দু ব্যবসায়ীদের ফেলে যাওয়া কারখানা দখলে নেয়। কিন্তু অর্থের অভাবে এসব কারখানা চালু করতে হিমশিম খায়। কেননা, দেশভাগের পর প্রায় এক কোটি মুসলিম উদ্বাস্তু ভারত থেকে পাকিস্তানে আশ্রয় নেয় এবং ততোধিক হিন্দু পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ভারতে আশ্রয় নেয়। প্রধান রফতানিযোগ্য পণ্য ছিল পশ্চিম পাকিস্তানে তুলা ও পূর্ব পাকিস্তানের কাঁচা পাট। কিন্তু জাহাজের অভাবে রফতানি বাধাগ্রস্ত হয়। কিন্তু শিল্প কারখানা চালুর চেয়ে সে সময় পশ্চিম পাকিস্তানে এক কোটি উদ্বাস্তুর দু'বেলা আহার জোগানোই প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। রফতানি বন্ধ এবং খাদ্য ও ওষুধপত্র ক্রয়ের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার তীব্র সংকটে এসব পণ্য ক্রয় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় তখন অনেক বিদেশি পর্যবেক্ষকই পাকিস্তানের টিকে থাকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় কোরিয়া যুদ্ধ পাকিস্তানের রফতানি বাণিজ্যের সুযোগ খুলে দেয়। প্রায় সব বৃহৎ শক্তি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। শক্রর গোলা ও বোমার আঘাত থেকে বাঁচার জন্য পাটের বস্তা ও জাল তৈরিতে কাঁচা পাটের চাহিদা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ক্রেতারা নিজস্ব জাহাজে করে বিপুল পাট ক্রয় করে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রাভাণ্ডার ভরে তোলে। পাকিস্তান অর্থনৈতিকভাবে যে অনিবার্য বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছিল, পাট সেই বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে। এই পাটের শতভাগই পূর্ব পাকিস্তানে উৎপাদিত। কিন্তু অকৃতজ্ঞ পাকিস্তান পূর্ব পাকিস্তানের অবদান স্বীকার করেনি। উপরন্তু পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে প্রাপ্য না দিয়ে বিমাতাসুলভ আচরণ করতে থাকে।

কোরিয়া যুদ্ধের পরও পাকিস্তানের অন্যতম রফতানি পণ্য ছিল পাট, যা মোট রফতানির ৬৫ শতাংশের জোগান দিত। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানে ব্যয় করা হতো মাত্র ২৫ শতাংশ। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফার জনপ্রিয়তার পেছনে পাট রফতানির আয় থেকে পূর্ব বাংলাকে বঞ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, গত শতাব্দীর আশির দশক পর্যন্ত পাট ছিল প্রধান রফতানি পণ্য। এরপর পোশাক পাটের স্থান দখল করে এবং রফতানির চার-পঞ্চমাংশের জোগান দিয়েছে। পাটের বিপুল সম্ভাবনা এখনও কাজে লাগানো যায়নি। আমরা দেখেছি বিভিন্ন যুদ্ধবিগ্রহের সময়, বিশেষ করে ধ্বংসাত্মক বিশ্বযুদ্ধের সময় শত্রুর গোলার আঘাত থেকে বাঁচার জন্য পাট ব্যবহূত হয়েছে। কিন্তু পাট আর যুদ্ধে ব্যবহূত পণ্য নয় বরং মহাযুদ্ধের চেয়েও শক্তিশালী ধ্বংসাত্মক পলিথিন ও প্লাস্টিকের হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচানোর অন্যতম উপাদান হিসেবে পাটপণ্যের ডাক এসেছে। গত শতাব্দীর সত্তরের দশকে পাটপণ্যের চাহিদা হ্রাস পাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল সস্তা ও সহজলভ্য প্লাস্টিক ও পলিথিন। কিন্তু এক দশক পরেই এ দুটি পণ্যের ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর দিকটি জানতে পেরে মানুষ সচেতন হয়ে ওঠে। এ দুটি অপচনশীল রাসায়নিক পণ্য। প্লাস্টিক কেটেছিঁড়ে টুকরো কিংবা গুঁড়া করে, এমনকি পুড়িয়ে ফেললেও এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নিস্তার নেই। পলিথিন পানিতে গলে না, বছরের পর বছর পড়ে থাকলেও পচে না। ফসলের জমিতে পড়ে থাকলে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। জমির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সার, পলিমাটি আটকে রাখে। তেমনিভাবে নদী-খাল-বিলে পলিথিন স্তূপাকারে জমা হলে তার ওপর পলি পড়ে নদীর গভীরতা হ্রাস করে, মাছের চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং প্রজনন হ্রাস পায়। প্লাস্টিকের আগ্রাসন থেকে সমুদ্রও দূষণমুক্ত নয়। সম্প্রতি ইউরোপে সামুদ্রিক মৎস্য শিকারিদের জালে ধৃত মৃত তিমিসহ বেশ কিছু সামুদ্রিক মাছ পাওয়া গেছে। এসব মাছের পেটে বিপুল প্লাস্টিক ও পলিথিন পাওয়া যায়। গবেষকরা এই অপচনশীল পণ্যই তিমির মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। প্রাণিকুল বিনাশ ও পরিবেশ ধ্বংসকারী উপাদান থাকার কারণে গত শতাব্দীর আশির দশকেই ইউরোপে প্রাণঘাতী এবং পরিবেশ ধ্বংসকারী পলিথিন ও প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। কোনো কোনো শহরে 'প্লাস্টিকের বদলে পাট' স্লোগান দিয়ে তরুণ-তরুণীরা পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে নেমে পড়ে। ইউরোপের এই আন্দোলন বিশ্বের অপরাপর উন্নত দেশেও ছড়িয়ে পড়ে। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এহেন পলিথিনবিরোধী আন্দোলনের সুযোগ গ্রহণ করে ভারত ও চীন। এ দুটি দেশ বৈচিত্র্যময় পাটপণ্য তৈরি করে রফতানি বাজার দখল করে। পরিবেশবান্ধব পাটপণ্যের চাহিদার ঊর্ধ্বগতির সময় ২০০২ সালে বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দেওয়া হয়। অথচ সে সময় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বিশ্বব্যাংক ৯টি পাটকল স্থাপনে অর্থ সহায়তা দিয়েছিল। আদমজী বন্ধ করার আগে একনাগাড়ে প্রচার চালানো হয়েছে- আদমজীর লোকসানের টাকা দিয়ে কয়েকটি যমুনা ব্রিজ করা যাবে, কয়েকটি উন্নয়ন বাজেট করা যাবে। আদমজীকে বলা হয়েছে সানসেট ইন্ডাস্ট্রি বা ডুবন্ত শিল্প। কেউ বলেছে, মরা লাশ। কিন্তু আদমজী আদৌ লোকসানি কিনা, আর তা হলে এর জন্য দায়ী কে- এসব প্রশ্ন তোলাও ছিল অপরাধের শামিল। ২০০২ সালে যখন আদমজী বন্ধ করা হলো, তখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের দ্বারা আদমজী বন্ধ করার মতো 'সাহসী' পদক্ষেপের জন্য প্রশংসিত হয়েছিলেন।

আজ বিশ্বের সর্বত্রই পাটপণ্যের চাহিদা বাড়ছে এবং দেরিতে হলেও বাংলাদেশে পাটের উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধিতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের খ্যাতিমান বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একদল বিজ্ঞানী পাটের জিনগত বৈশিষ্ট্য আবিস্কারের মাধ্যমে তুলার মতো মিহি সুতা আবিস্কারে সক্ষম হয়েছেন। বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের আকস্মিক মৃত্যুর পর তারই সহকর্মী বিজ্ঞানীরা পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট থেকে পলিব্যাগ আবিস্কার করেছেন। পলিব্যাগ পলিথিনের মতোই হালকা, সহজে বহনযোগ্য ও পচনশীল। পলিব্যাগ উৎপাদন এখনও সীমিত আকারে হলেও এই পণ্য পূর্ণরূপে পরিবেশবান্ধব বলে শুধু প্লাস্টিকের আগ্রাসন থেকে দেশই রক্ষা পাবে না, পোশাকের পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, অর্থনীতি বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


মন্তব্য যোগ করুণ

সম্পাদকীয় ও মন্তব্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ