চিঠিপত্র

প্রকাশ : ১০ জানুয়ারি ২০১৯

ধর্ষক যেন রেহাই না পায়

যে কোনো বয়সের নারী থেকে শুরু করে, এমনকি কোমলমতি শিশুও রেহাই পাচ্ছে না ওই নরপিশাচদের বীভৎস থাবা থেকে! হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়ছে নারীর ওপর তার বিকৃত রুচিকে চরিতার্থ করার জন্য! প্রযুক্তির সুবিধার কারণে ধর্ষণ করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, কোনো ঝামেলা করলে ইন্টারনেটে ভিডিও ছেড়ে দেওয়া হবে! ধর্ষিতা হয় আত্মহত্যা করছে, নয়তো আত্মগল্গানিতে ক্ষয়ে মরছে প্রতিমুহূর্তে কার্বলিক এসিডের মতো! মানবতা আর মানবিক মূল্যবোধের এই অবক্ষয় ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সরকারের কাছে আবেদন, একজন ধর্ষক ধরা পড়লে শাস্তি হওয়া থেকে যেন রেহাই না পায়। তাহলে বাঁচবে নারী,বাঁচবে দেশ।

রেহানা পুতুল
মিরপুর, ঢাকা


ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি

রোগব্যাধি হলে ওষুধ খেয়ে জীবন রক্ষা করে মানুষ। কিন্তু সেই ওষুধেও ভেজাল থাকাটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। মানহীন ও ভেজাল ওষুধ খেয়ে রোগ সারার বদলে আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে ওষুধের উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত কোনো স্তরেই সরকারি পরীক্ষাগারে মান নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয় না। বিপণনের পর অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠান। তখন ওষুধের মান জানা যায়। এর আগ পর্যন্ত পরীক্ষাহীন, মান না জানা ওষুধই ব্যবহার করে মানুষ। এভাবেই কোনো কোনো ওষুধ কোম্পানি এ দেশের মানুষকে রীতিমতো গিনিপিগে পরিণত করেছে। এক হিসাবে দেখা যায়, প্রতিবছর ১২ হাজার আইটেমের ওষুধ বাজারে আসছে। কিন্তু ঔষধ প্রশাসনের যে লোকবল ও যন্ত্রপাতি রয়েছে, তাতে তারা মাত্র সাড়ে তিন হাজার আইটেম ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করতে পারে। বাংলাদেশে ওষুধ একটি বিকাশমান শিল্প। স্বাস্থ্য খাতকে আরও এগিয়ে নিতে হলে ওষুধের ভেজাল প্রতিরোধ করতে হবে। মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজালবিরোধী নজরদারি জোরদার করতে হবে।

মাহমুদুল হক আনসারী, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম

ইন্টারনেটের চার্জ কমান

সরকারের গত আমলে বিদ্যুতায়নের কার্যক্রম ছিল প্রশংসনীয় ও কার্যকরী উদ্যোগগুলোর অন্যতম একটি। বিদ্যুৎ পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই এখন দরকার ঘরে ঘরে ইন্টারনেট সেবা বৃদ্ধি। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের লোকজন ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমু ব্যবহার করে প্রবাসী স্বজনের সঙ্গে প্রায় প্রতিদিনই কথা বলে থাকে। দেশের যে কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, চাকরির আবেদন, ভিসা চেক, ভিসা আবেদন ইন্টারনেটভিত্তিক হওয়ায় তার কদর বেড়েছে আরও দ্বিগুণ হারে। দুঃখের বিষয়, দেশের গ্রামাঞ্চলে এখনও থ্রিজি, ফোরজি কেবলই বিজ্ঞাপন। বাস্তবে খুব প্রত্যন্ত এলাকাই আছে, যেখানে ইন্টারনেট সেবার মান উন্নত ও নিরবচ্ছিন্নভাবে যোগাযোগ করার মতো। এরপরও যেসব মুঠোফোন অপারেটরের ইন্টারনেট সুবিধা ভালো, তাদের ইন্টারনেটের চার্জ আকাশছোঁয়া এবং সাধারণ মানুষের জন্য ব্যয়বহুল। তাই সরকার-সংশ্নিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, বিদ্যুৎ ছাড়া যেমন উন্নতি সম্ভব নয়, তেমনি সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ইন্টারনেটের সুলভ ও সহজপ্রাপ্যতার কোনো বিকল্প নেই। এ দেশের তরুণ সমাজের সদস্য হিসেবে বিশ্বাস করি, নতুন সরকার খুব দ্রুত এ ব্যাপারে জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

জমাতুল ইসলাম পরাগ
ধনকীপাড়া, কিশোরগঞ্জ


মন্তব্য যোগ করুণ

সম্পাদকীয় ও মন্তব্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ