চিঠিপত্র

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

পথচারী পারাপারের সুব্যবস্থা চাই

যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা; রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত প্রবেশমুখ। এখানে গাড়ির চাপ সবসময় বেশি। কিন্তু পথচারীদের রাস্তা পারাপারে নেই কোনো ব্যবস্থা। আগে এখানে একটি ফুট ওভারব্রিজ থাকলেও মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার নির্মাণ করার সময় সেটা ভেঙে ফেলতে হয়। বর্তমানে মানুষ বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন পথচারীদের মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে যানবাহনের স্বাভাবিক গতিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফ্লাইওভারের জন্য এখানে নতুন করে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণের সুযোগ নেই। তবে কারওয়ান বাজারের প্রজাপতি গুহার মতো রাস্তার নিচ দিয়ে পথচারী পারাপারে আন্ডারপাসের ব্যবস্থা করা যায়। তাহলে মানুষকে আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার হতে হবে না। আর যানবাহন চলাচলের গতিও স্বাভাবিক থাকবে। তাই যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় একটি আন্ডারপাস নির্মাণে সংশ্নিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

শুভ্র গাইন

শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়



বিনা ট্যাক্সে ডাক্তারের হাট!

আমাদের দেশে প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত ডাক্তারদের হাট বসে। চিকিৎসার হাট। রাজধানী থেকে উপজেলা পর্যন্ত এ হাটের বিস্তৃতি। এ হাটের চিকিৎসাসেবা ক্রেতা এ দেশের হাজার হাজার অসহায় রোগী। বলা বাহুল্য, এই চিকিৎসাসেবার পোশাকি নাম প্রাইভেট প্র্যাকটিস। প্রশ্ন হচ্ছে, এই প্রাইভেট প্র্যাকটিস বাবদ ডাক্তাররা প্রতিদিন রোগীদের কাছ থেকে যে টাকা আদায় করেন, তার আয়ের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট বা কোনো ট্যাক্স দিচ্ছেন কি? এ ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কি এ যাবৎ কোনো ভূমিকা রেখেছে? বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের ওয়েবসাইটের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ডাক্তারের মোট সংখ্যা ৯৫ হাজার ৫শ'। বিনা ট্যাক্সে ডাক্তারের হাট বসার কারণে এই ডাক্তারের ১০ জন হারে রোগীর কাছ থেকে গড়পড়তা ২৫০ টাকা ভিজিট আদায় করলে একদিনে সারাদেশে ভিজিট আদায় হচ্ছে ৯৫,৫০০ ী ১০ ী ২৫০) = ২,৩৮,৭৫০,০০০ টাকা। ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আদায় করা হলে দৈনিক ভ্যাট আদায় করা যেত ৩,৫৮,১২,৫০০ টাকা। যদি ২৫ দিন ডাক্তারের হাট বসে গড়ে, তাহলে ভ্যাট বাবদ রাজস্ব ক্ষতি ৮৯,৫৩,১২,৫০০ টাকা। আর বার্ষিক হিসাবে এই ক্ষতির অঙ্ক দাঁড়ায় ১৫৭৪,৩৭,৫০,০০০ টাকা। সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন আসে- দেশের চিকিৎসক সমাজ এই রাষ্ট্রকে প্রতি বছর ভ্যাটবিহীন এই চিকিৎসার হাট বসাতে পারছে কোন খুঁটির জোরে এবং কাদের স্বার্থে?

মো. হাসানুল আলম

সম্পাদক ও প্রকাশক, সাপ্তাহিক সৌহার্দ্য




মন্তব্য যোগ করুণ