গাইবান্ধা-৫

রিপনের পক্ষে একাট্টা আওয়ামী লীগ

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

রিপনের পক্ষে একাট্টা আওয়ামী লীগ

গাইবান্ধা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন মাহমুদ হাসান রিপন -সমকাল

   গাইবান্ধা প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে দলের পক্ষে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করাই তার ব্রত। একক পরিকল্পনা এবং সম্মিলিতভাবে প্রচারণা চালিয়ে তিনি প্রতিনিয়ত চষে বেড়ান দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা। সরকারের কোনো পদে না থেকেও নেতৃত্বের গুণাবলির প্রভাবে বরাবর তিনি রয়ে গেছেন নিজ এলাকার আপামর জনগণের পাশে। অনেক নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতা করে সফলতায় পৌঁছিয়েছেন নিজ অনুসারী নেতাকর্মীদের। ফলে নিজ এলাকার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে তার অনুসারী নেতাকর্মীরা জনপ্রতিনিধি হিসেবে ভূমিকা রাখছেন। তিনি হচ্ছেন গাইবান্ধা-৫ আসনের (সাঘাটা-ফুলছড়ি) দুই উপজেলায় আওয়ামী লীগের কমিটির ওপরও ব্যাপক প্রভাব সৃষ্টিকারী তরুণ নেতা ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মাহমুদ হাসান রিপন।

রিপন এরই মধ্যে সাঘাটা-ফুলছড়ির গণমানুষের নেতা হিসেবে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এ আসনের একজন শক্তিশালী প্রার্থী হবেন- এমনটাই প্রত্যাশা রাজনৈতিক বোদ্ধাদের। রিপন সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার কাজে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছেন।

এক-এগারোর সংকটকালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনে তিনি দুঃসাহসিক ভূমিকা পালন করেন।

দলের প্রতি আন্তরিক এবং নিবেদিত, সদালাপী, বিনয়ী এ তরুণ নেতা এরই মধ্যে দল এবং সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগকালে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে ত্রাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন সহযোগিতা নিয়ে হাজির হন সবসময়। তাদের সুখ-দুঃখের খবর নেন। তাদের বিপদে-আপদে পাশে গিয়ে দাঁড়ান। এ জন্য সর্বমহলে তার গ্রহণযোগ্যতা এখন অনেক বেশি।

মাহমুদ হাসান রিপন তৃণমূল পর্যায় থেকে নেতৃত্বের যোগ্যতায় পর্যায়ক্রমে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাংগঠনিক পরিশ্রমী এবং জনপ্রিয় হিসেবে তরুণ এই নেতা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।

তার সরাসরি সমর্থক এবং অনুসারী প্রবীণ রাজনীতিবিদ সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওয়ারেছ আলী প্রধান বলেন, এ তরুণ নেতা নিজ এলাকায় এসে রাজনীতিতে অংশ নেওয়ায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করেন। তাদের নিয়ে সভা-সমাবেশে অংশ নিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুখী রাজনীতি ও তার সাফল্য এবং ভিশন-২০২১ বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় আনার জন্য সমর্থন সৃষ্টিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

ফুলছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিএম সেলিম পারভেজ বলেন, সৎ, যোগ্য এবং এলাকার উন্নয়নের মানসিকতাসম্পন্ন নেতা মাহমুদ হাসান রিপন সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে সমাদৃত হয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীরা তার জন্য গর্বিত। তিনি নদীভাঙন কবলিত চরাঞ্চল এবং দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম ছাড়াও পর্যায়ক্রমে এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সম্প্রসারণ এবং ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণে উলেল্গখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন।

মাহমুদ হাসান রিপন বলেন, 'ত্যাগী এবং জনকল্যাণে নিবেদিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করে নেতৃত্বের শূন্যতা পূরণে সফল হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তরুণ নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী দিনে তাদের সামনের কাতারে নিয়ে আসার ইচ্ছা সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, তার সার্বিক কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন করে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে এ আসনটি দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে পারবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন।


মন্তব্য যোগ করুণ