টেলিভিশন

‘ভালো গল্প পেলে আগামীকালই নতুন প্রজেক্টে দেখা যাবে'

প্রকাশ : ১৪ জুন ২০১৯ | আপডেট : ১৪ জুন ২০১৯

‘ভালো গল্প পেলে আগামীকালই নতুন প্রজেক্টে দেখা যাবে'

  সমু সাহা

ঈশিতা। অভিনেত্রী ও কণ্ঠশিল্পী। সম্প্রতি জি-সিরিজের ব্যানারে প্রকাশ পেয়েছে তার গাওয়া নতুন গান 'আমার অভিমান'। এ ছাড়া একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। কথা হলো তার সঙ্গে- 

'আমার অভিমান' গান নিয়ে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

গান নিয়ে বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। এই গান যে এত অল্প সময়ে শ্রোতা-দর্শকের মাঝে ভালো সাড়া ফেলবে- বুঝতে পারিনি। 'আমার অভিমান' গানের জন্য শ্রোতা-দর্শকের কাছ থেকে সাড়া আমাকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। যারা গানের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাদের সবার প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত মন্‌জু আহমেদ, লুৎফর হাসান ও মার্সেল- তিনজনকেই বিশেষ ধন্যবাদ দিতে চাই। গানের কথা, সুর, সঙ্গীত এবং ভিডিও নির্মাণে তারা কিছুটা হলেও ভিন্নতার ছাপ রাখার চেষ্টা করেছেন। আসল কথা হলো সম্মিলিতভাবে অনেকে যখন ভালো কাজের চেষ্টা করেন, তখন সে চেষ্টা বৃথা যায় না। অগণিত ভক্তের সাড়া পাওয়ার এ কথাই সত্যি বলে প্রমাণ হয়েছে। 

'ভালো থেকো ফুল' স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত হলেন? 

গত ঈদে 'পাতা ঝরার দিন' নাটকের পর বেশ কিছুদিন পর্দায় আমাকে দেখা যায়নি। এ বিরতিকালীন বারবার মনে হচ্ছিল, দর্শক কি আমাকে ভুলে যেতে বসেছেন? এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি স্ট্ক্রিপ্ট হাতে পেয়েছিলাম। কিন্তু একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা ও ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে প্রতিনিয়ত ব্যস্ত থাকতে হয়। এ ছাড়াও পরিবারকে সময় দিতে হয়। কিন্তু 'ভালো থেকো ফুল'-এর গল্পটি আমার কাছে অসাধারণ লেগেছিল। এ ছাড়া শুটিং ইউনিটের বেশিরভাগই পূর্বপরিচিত ছিল। 'পাতা ঝরার দিন'-এ কাজ করার সময় থেকেই তাদের সঙ্গে আমার বোঝাপড়াটা দারুণ। এ ছাড়া নির্মাতা ফরহাদ শাহী যখন প্রজেক্টটি নিয়ে আমার সঙ্গে কথা বলেন তখন মনে হয়েছিল, একজন নির্মাতা কিংবা তার ইউনিটের লোকজনের কাজের প্রতি যে ধরনের ভালোবাসা কিংবা দায়বদ্ধতা থাকা দরকার, তার পুরোটাই তারা বহন করেন। তাই এতে কাজ করতে উৎসাহ পেয়েছি।' 

অভিনয়ের ক্ষেত্রে সঙ্গীত কোনোভাবে প্রভাব ফেলে? 

অবশ্যই। অভিনয় ও সঙ্গীত পরস্পরের পরিপূরক। অভিনয় করতে গেলে ইমোশন লাগে, তাল লাগে, সুর লাগে, লয় লাগে। এসবই তো সঙ্গীত থেকে নিতে হয়। মিউজিক ইজ মাস্ট ফর অ্যাক্টিং। একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন, সব অভিনয় স্কুলেই কিন্তু গান শেখার ব্যবস্থা রয়েছে। গানের মধ্যে এক ধরনের ভিজ্যুয়ল বিষয় আছে। মিউজিক ভিডিও ছাড়াও শ্রোতারা গানের সঙ্গে এক ধরনের দৃশ্য মনের মধ্যে তৈরি করে নিতে পারেন। 

টিভি মিডিয়ার অনেকেই এখন অনলাইন মাধ্যমেও অভিনয় করছেন। এ প্রবণতা আপনার কাছে কতটা ইতিবাচক মনে হয়? 

সময়ে সব বদলে যায়। সেই ধারাবাহিকতায় অনলাইনে প্রচুর কাজ হচ্ছে। তবে আমরা যেন কাজের মানটা ঠিক রাখি। সেটা সব মাধ্যমের জন্যই জরুরি। আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য যেন অনলাইনেও বজায় থাকে। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি যেন হারিয়ে না যায়। 

আগামীতে মিডিয়ায় নিয়মিত হবেন?

সেভাবে এখনও কিছু ভেবে দেখিনি। তবে ভালো গল্প পেলে হয়তো আগামীকালই নতুন কোনো প্রজেক্টে আমাকে দেখা যাবে। আর যদি না পাই তাহলে আগামী এক বছরেও পর্দায় আমাকে দেখা যাবে না।

মন্তব্য


অন্যান্য