টেলিভিশন

নাটক প্রচার ও নির্মাণে কোনো সুষ্ঠু নীতিমালা নেই: বিজরী

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০৫ জানুয়ারি ২০১৯

নাটক প্রচার ও নির্মাণে কোনো সুষ্ঠু নীতিমালা নেই: বিজরী

বিজরী বরকতুল্লাহ

  অনলাইন ডেস্ক

বিজরী বরকতুল্লাহ। অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী। দুরন্ত টিভিতে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক 'বাবা থাকে বাসায়'। এ নাটক ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-

''বাবা থাকে বাসায়' নাটকের প্রেক্ষাপট কী নিয়ে?

শিশুতোষ গল্প অবলম্বনে নাটকের কাহিনী সাজানো হয়েছে। গল্পের দুই চরিত্র ভাষা ও উদয়। প্রতিদিনই নিত্যনতুন সমস্যার মুখোমুখি হয় তারা। কারণ তাদের মা সারাদিন থাকেন অফিসে, আর বাবা বাসায়। নানা কারণে বাবা বাসার সব কাজ সামলে উঠতে হিমশিম খান। এরই মধ্যে বাচ্চাদের নানা ঝামেলা নিয়ে গল্পটি এগিয়ে যায়। পরিচালক গোলাম মুক্তাদির বেশ যত্ন নিয়ে কাজটি করেছেন। 

ধারাবাহিক নাটকে আপনাকে এখন কম দেখা যায় কেন?

ধারাবাহিক নাটকে কাজ করলে লম্বা একটা সময় বাধ্যবাধকতার মধ্যে থাকতে হয়। যতই ব্যক্তিগত সমস্যা থাকুক, সিডিউল অনুযায়ী শুটিংয়ে অংশ নিতে হয়। পারিবারিক ব্যস্ততা সামলে অনেক সময় নিয়ম করে কিছু করা যায় না। সে কারণেই এখন ধারাবাহিক নাটকে খুব বেশি অভিনয় করি না। 

নাটকের মান নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন, কীভাবে দেখছেন বিষয়টি?

সত্যি কথা বলতে কি এখন নাটকের মান খুব একটা ভালো হচ্ছে না। কিন্তু নির্মাতাদের কিছুই করার নেই এখানে। মান ভালো করতে টিভি চ্যানেল কর্তৃপক্ষকে সচেতন হতে হবে। আমি মনে করি, এর মূল কারণ বাজেটের দৈন্যদশা। এই যে নাটকের প্রতি দর্শক বিমুখতার দায়টা আসলে আমাদেরই; অভিনয়শিল্পী, পরিচালক ও টিভি চ্যানেল হর্তাকর্তাদের। কারণ হলো, নাটক প্রচার ও নির্মাণের ক্ষেত্রে কোনো সুষ্ঠু নীতিমালা নেই। টিভি চ্যানেলের সংখ্যা বাড়লেও নাটকের মান কিন্তু কমছে। বিজ্ঞাপন আর নিম্নমানের নাটক দেখতে দর্শক নিশ্চয় বাধ্য নয়। তবে সব নাটকই যে খারাপ হচ্ছে তা কিন্তু নয়। হাজারও নাটকের ভিড়ে অনেক ভালো নাটকও হচ্ছে। কিন্তু টিভিতে মাত্রাতিরিক্ত বিজ্ঞাপন বিরতির কারণে দর্শকরা টিভিতে দেখছেন না। আর আধুনিক দর্শকরা এখন নাটক ও চলচ্চিত্র অনলাইনে দেখছেন। 

'আয়নাবাজি'র পর আর চলচ্চিত্রে আপনার দেখা নেই কেন?

'আয়নাবাজি' পরিচালক অমিতাভ রেজা আমার পারিবারিক বন্ধু। তার পরিচালনায় আগেও কাজ করেছি। পরিচালকের অনুরোধেই অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছি। অনেক চলচ্চিত্রে কাজের প্রস্তাব পেলেও গল্প ও চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় রাজি হইনি। আমার মনে হয়, সব গল্পে কাজ করতে হবে এমনটা আমি মনে করি না। 

নৃত্যশিল্পী বিজরীকে এখন আর দেখা যায় না কেন?

শিল্পচর্চার বিভিন্ন শাখার মধ্যে নৃত্যেই নিয়মিত অনুশীলন প্রয়োজন। কিন্তু সংসার আর অভিনয় ব্যস্ততায় নাচের জন্য আলাদা করে সময় বের করতে পারছি না। তবে খুব শিগগিরই নাচ নিয়ে বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা করেছি।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

হাসপাতাল থেকে বাসায় অহনা, বিশ্রামে থাকতে হবে দীর্ঘ সময়


আরও খবর

টেলিভিশন

বুধবার বিকেলে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন অহনা

  অনলাইন প্রতিবেদক

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর রাজধানীর উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন অভিনেত্রী অহনা। কিন্তু অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাওযায় সোমবার অ্যাপোলো হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় তাকে। বুধবার হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়া হয় অহনাকে।

খবরটি সমকাল অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন অহনার খালাতো বোন লিজা ইয়াসমীন মিতু।  

লিজা ইয়াসমীন মিতু বলেন, 'সোমবার অহনার অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। তাই অ্যাপোলোতে নেয়া হয় তাকে। শরীরে ব্যথা ছিলো। দুইদিন চিকিৎসার পর এখন কিছুটা সুস্থ। নানা পরীক্ষা নীরিক্ষার পর শরীরে হাড় ভাঙ্গার লক্ষণ পাওয়া যায়নি। কিন্তু কোমরের যে টিস্যু থাকে সেগুলোর মারাত্বক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক্তার। দেড় মাস বিশ্রামে থাকতে হবে তাকে।’

এই সময়ের মধ্যে কোমড়ের টিস্যুর ক্ষতি সেড়ে না উঠলে অহনাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে। 

এদিকে দুর্ঘটনার পর থেকে অহনার অভিনীত নাটকের শুটিং থমকে রয়েছে। চিকিৎসা বাবদও বেশ টাকা খরচ হয়েছে। সেই সঙ্গে অহনার গাড়ির ক্ষতি হয়েছে। তাই অহনার পক্ষ থেকে মিতু ট্রাক চালকের জরিমানার জন্য পুলিশের ধারস্ত হচ্ছেন। পুলিশের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলেও জানান তিনি। 

উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি অহনা শুটিং শেষ করে তার খালাতো বোনকে সঙ্গে নিয়ে উত্তরায় বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। উত্তরার কাবাব ফ্যাক্টরি থেকে কিছুটা সামনে সাত নম্বর সেক্টরের পূর্ব মাথায় দ্রুত গতির একটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা দিয়ে অহনার প্রাইভেটকারের ক্ষতি করে। অহনা তার গাড়ির ক্ষতি হয়েছে দাবি করে ট্রাকচালককে নামতে বললে চালক আবারো অহনার গাড়িকে ধাক্কা দেন বলে জানান অহনা। 

পরে গাড়ি থেকে নেমে অহনা প্রতিবাদ করে ট্রাকচালককে নামতে বললে তিনি অহনার সঙ্গে তর্কাতর্কি করেন। এ সময় অহনা নিজেই ট্রাকের দরজা দিয়ে উঠে চালককে নামাতে যান।কিন্তু চালক কথা না শুনে অহনাকে দরজায় ঝুলন্ত অবস্থায় ট্রাক ছেড়ে দেন। ট্রাকটি অহনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় নিয়ে উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে পৌঁছলে স্থানীয়দের বাধায় ট্রাকচালক সজোরে ব্রেক করলে ছিটকে পড়ে আহত হন অভিনেত্রী অহনা।

এ ঘটনায় ৯ জানুয়ারি উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন অহনার খালাতো বোন লিজা ইয়াসমীন মিতু। মামলায় গ্রেফতার ট্রাকচালক সুমন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভালো নেই অহনা, অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর


আরও খবর

টেলিভিশন

অ্যাপোলো হাসপাতালে শিফট করা হয়েছে অহনাকে

  অনলাইন ডেস্ক

ভালো নেই অভিনেত্রী অহনা। ক্রমেই অবস্থা অবনতির দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর রাজধানীর উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু অবস্থা ক্রমেই খারাপের দিকে যাওযায় বদল করা হয়েছে হাসপাতাল। সোমবার তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

খালাতো বোন লিজা ইয়াসমীন মিতু অহনার শারীরিক অবস্থার অবনতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

চিকিৎসকের বরাত দিয়ে লিজা ইয়াসমীন মিতু বলেন, 'ভালো নেই অহনা। তার শারীরিক অবস্থা ভালোর দিকে নয়। শরীরে রক্তে জীবাণু ছড়িয়ে পড়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।সবাই অহনার জন্য দোয়া করবেন।’

গত ৮ জানুয়ারি অহনা শুটিং শেষ করে তার খালাতো বোনকে সঙ্গে নিয়ে উত্তরায় বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। উত্তরার কাবাব ফ্যাক্টরি থেকে কিছুটা সামনে সাত নম্বর সেক্টরের পূর্ব মাথায় দ্রুত গতির একটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা দিয়ে অহনার প্রাইভেটকারের ক্ষতি করে। অহনা তার গাড়ির ক্ষতি হয়েছে দাবি করে ট্রাকচালককে নামতে বললে চালক আবারো অহনার গাড়িকে ধাক্কা দেন বলে জানিয়েছেন অহনা। 

পরে গাড়ি থেকে নেমে অহনা প্রতিবাদ করে ট্রাকচালককে নামতে বললে তিনি অহনার সঙ্গে তর্কাতর্কি করেন। এ সময় অহনা নিজেই ট্রাকের দরজা দিয়ে উঠে চালককে নামাতে যান।

কিন্তু চালক কথা না শুনে অহনাকে দরজায় ঝুলন্ত অবস্থায় ট্রাক ছেড়ে দেন। ট্রাকটি অহনাকে ঝুলন্ত অবস্থায় নিয়ে উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টরে পৌঁছলে স্থানীয়দের বাধায় ট্রাকচালক সজোরে ব্রেক করলে ছিটকে পড়ে আহত হন অভিনেত্রী অহনা।

এ ঘটনায় ৯ জানুয়ারি উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন অহনার খালাতো বোন লিজা ইয়াসমীন মিতু। মামলায় গ্রেফতার ট্রাকচালক সুমন মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

নওশাবাকে স্থায়ী জামিন দিলেন আদালত


আরও খবর

টেলিভিশন

কাজী নওশাবা

  অনলাইন ডেস্ক

অবশেষে আদালত স্থায়ীভাবে জামিন দিলেন অভিনেত্রী নওশাবা আহমেদকে। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় ফেসবুকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় অভিযুক্ত আসামী নওশাবা। স্থায়ী এ জামিনের ফলে মামলার কার্যক্রম চলতে থাকলেও জামিনে মুক্ত থাকবেন এ অভিনেত্রী। 

আজ নওশাবার মামলার  তদন্ত প্রতিবেদন ও আসামির হাজিরার দিন ধার্য করে ছিলো আদালত। নওশাবা আহমেদের আইনজীবী হাজিরাসহ জামিন স্থায়ী করার আবেদন দাখিল করলে ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ দিদার হোসেন আবেদনটি মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি  মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য আগামী ৩ মার্চ দিন ধার্য করেন। জামিন শুনানি করেন নওশাবার আইনজীবী ইমরুল কাওসার। 

২০১৮ সালের ৪ আগস্ট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ান অভিনেত্রী নওশাবা। ফেসবুক লাইভে গিয়ে নওশাবা বলেন, ‘জিগাতলায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। একজনের চোখ উঠিয়ে ফেলেছে এবং চারজনকে মেরে ফেলেছে।’ এমন উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে র‌্যাব ১-এর ডিএডি মো. আমিনুল ইসলাম উত্তরার পশ্চিম থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করা হয় নওশাবাকে। রিমান্ডেও নেয়া হয়। 

সংশ্লিষ্ট খবর