টেলিভিশন

প্রায়ই নতুন চলচ্চিত্রের প্রস্তাব আসে: অহনা

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

প্রায়ই নতুন চলচ্চিত্রের প্রস্তাব আসে: অহনা

অহনা

  অনলাইন ডেস্ক

অহনা। মডেল ও অভিনেত্রী। গতকাল বৈশাখী টিভিতে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক 'ছায়াবিবি' ১০০তম পর্ব প্রচার হয়। এ ছাড়াও বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত একাধিক ধারাবাহিক নাটক। 

'ছায়াবিবি' নাটকের শততম পর্ব প্রচার হলো। এতে কাজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে অহনা বলেন, 'ছায়াবিবি' নাটকে আমার অভিনয়ের কথাই ছিল না। কিন্তু নাটকের পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন দোদুল যখন গল্পটি শোনালেন, তখনই এতে অভিনয়ের জন্য রাজি হই। নাটকটির প্রথম পর্ব থেকে শততম পর্ব পর্যন্ত গল্পে বেশ বৈচিত্র্য ছিল। আর এ কারণেই নাটকটির প্রতি দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সামাজিক অবক্ষয় এবং হাস্যরসই এ নাটকের প্রধান উপজীব্য।

এছাড়াও নোয়াশাল’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করছেন অহনা। বরিশাল ও নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষার নাটক এটি। নাটকটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে দর্শকদের কাছে। নাটকে বরিশালের ভাষায় কথা বলছেন অহনা। এ বিষয়ে বলেন,  মজার ব্যাপার হলো, দীর্ঘদিন ধরে এতে অভিনয়ের পরও বরিশালের ভাষা পুরোপুরি আয়ত্ত করতে পারিনি। যদিও আমার গ্রামের বাড়ি বরিশাল। তারপরও ভাষাটা কেন যেন রপ্ত হচ্ছে না। সে কারণে মীর সাব্বির ভাই প্রায়ই আমাকে ক্ষেপায়। দীর্ঘদিন ধরে একটি নাটকে অভিনয় করা হলে একটা সময় সবাই মিলে পরিবারের মতো হয়ে যায়। এই নাটকের বেলাতেও তেমনটাই হয়েছে। 'নোয়াশাল' কিন্তু শুধু হাস্যরসাত্মক নাটক নয়। এই নাটকের মধ্যমে আমরা সামাজিক অনেক সমস্যার কথা তুলে ধরেছি।’

চলচ্চিত্রেও দেখা গেছে অহনাকে। এখন নেই কেন? প্রশ্ন রাখতেই অহনা বলেন, ‘একটা সময় চলচ্চিত্রে নিয়মিত অভিনয়ের ইচ্ছা ছিল। সেই ভাবনা থেকে তিনটি ছবিতে অভিনয় করেছিলাম। এখনও প্রায়ই চলচ্চিত্রের জন্য প্রস্তাব পাই। কিন্তু গল্প ও চরিত্র পছন্দ না হওয়ায় রাজি হচ্ছি না।’ 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

দেশীয় টিভিতে চীনা সিরিয়াল


আরও খবর

টেলিভিশন

এটিএন বাংলায় প্রচার শুরু হবে ধারাবাহিকটি

  বিনোদন প্রতিবেদক

দেশীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে বিদেশি ধারাবাহিকগুলো। ফলে একের পর এক বিদেশি জনপ্রিয় ধারাবাহিক সিরিয়ালগুলো বাংলায় ডাবিং করে প্রচার হচ্ছে চ্যানেলগুলোতে। এবার এটিএন বাংলায় প্রচার শুরু হচ্ছে চীনা সিরিয়াল। বাংলায় যার নাম দেয়া হয়েছে ‘পালক আকাশে উড়ে’।

জেড জে টিভিতে প্রচার হওয়া এই সিরিয়ালটি ২০০৭ সালে সাংহাই চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ড্রামা সিয়িালের পুরস্কার অর্জন করে। সিরিয়ালটির গল্প আবর্তিত হয়েছে একজন সফল ব্যবসায়ীকে ঘিরে। চরম দারিদ্রতার মধ্যে বেড়ে ওঠা এই ছেলেটিই এক সময় সাফল্যের চূড়য় পৌছাতে সক্ষম হয়।

গল্পে দেখা যায়, চ্যান চিয়াং হো একজন অনাথ ছেলে। দূর্গম রাস্তার পাশে তাকে কুড়িয়ে পায় চ্যান জিম্বুয়ে। ওর নাম রাখে জিমাও। জিামওকে আদর করে বড় করে তোলে জিম্বুয়ে। জিমাও বড় হতে হতে শেখে পালকের বদলে চিনি বিক্রর ব্যবসা। কাহিনীটা আশির দশকের ইয়ু শহরের পটভূমিতে শুরু। সেখান থেকে গল্পটা ছড়িয়ে যায় অন্যান্য বড় শহরে। বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়ে জিমাও বা চ্যান চিয়াং হো নিজের ব্যবসায়িক দক্ষতায় পূর্ণতা অর্জণ করতে থাকে। 

এই যাত্রা পথে তার সাথে দেখা হয় লু ইউ ঝু এর সাথে। মেয়েটির জীবন কাহিনীও তারই মতো। কিন্তু জীবনের যাত্রাপথে চ্যান চিয়াং হো এর জীবনে আরেকজন ধনী নারীর উপস্থিতি ঘটে, যার নাম ইয়েং সিউ। এরপর বিভিন্ন নাটকীয় ঘটনার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনী। 

আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত এই ড্রামা সিরিয়ালটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন চেন চিয়াং হো এবং লো ইউজু।  ১৯ মার্চ থেকে সপ্তাহের  মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার  রাত ৮টা ৪০ মিনিটে এটিএন বাংলায় প্রচার হবে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

‘পরিচালকরা হচ্ছেন ক্যাপ্টেন, অথচ এখন তারা ম্যানেজার’


আরও খবর

টেলিভিশন

সালাহউদ্দিন লাভলু

  বিনোদন প্রতিবেদক

সালাহউদ্দিন লাভলু। অভিনেতা ও নির্মাতা তিনি। ডিরেক্টর গিল্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন এখন।তার অভিনীত ধারাবাহিক 'জায়গীর মাস্টার' নিয়মিত প্রচার হচ্ছে। টিভি নাটক, নির্মাতা, ও নাটকপাড়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে 

প্রচার হচ্ছে আপনার অভিনীত নাটক ‘জায়গীর মাস্টার’। গল্প ও চরিত্রের দিক থেকে  ধারাবাহিকটি কতটা আলাদা?

বেশ আলাদা। অনেকের ধারণা, জায়গীর মাস্টার ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম করবে।এখানে তা দেখানো হয়নি। তাকে দেখানো হয়েছে পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে। যে সুখে-দুঃখে সবার সঙ্গে জড়িয়ে আছে বাড়ির ছেলের মতো। এই নাটকে জীবনের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি মজা করে কিছু বক্তব্য তুলে ধরতে চেষ্টা করেছেন নির্মাতা। দর্শক সবসময় গল্পনির্ভর নাটক পছন্দ করেন। এ নাটকের মাধ্যমে তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। শুনেছি দর্শক 'জায়গীর মাস্টার' চরিত্রটি বেশ পছন্দ করছেন। আর নাটকে অভিনয় করে আমি নিজেও বেশ তৃপ্ত।

ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছেন বেশ কয়েক মাস হলো। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অনেক কাজও করার কথা ছিল। শুরু করেছেন কী?

সংগঠনের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে অনেক কাজই করার ইচ্ছা রয়েছে। ধাপে ধাপে তা শুরুর ইচ্ছা রয়েছে। সংগঠনের দায়িত্ব নিয়েছি গত বছরের নভেম্বরে শেষে। জানুয়ারি থেকে কমিটির কাজ শুরু করেছি। কাজের গতি বাড়াতে বেশ কয়েকটি উপকমিটি গঠিত হয়েছে। চ্যানেলগুলোর সঙ্গে বসেছি। শিল্পীদের চুক্তি স্বাক্ষর নিয়েও কাজ হয়েছে। আশা করছি ঈদের পর সংগঠনের কাজ পুরোদমে শুরু করব। সংগঠনের সদস্যদের স্বপ্নপূরণ ও পরিচালকদের সম্মান পুনরুদ্ধার করতে চাই। পরিচালক হচ্ছেন 'ক্যাপ্টেন অব দ্য শিপ'। অথচ অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, পরিচালকরা 'ম্যানেজার অব দ্য শিপ'। তাদের সম্মান ও পেশাদারি মর্যাদা ফিরিয়ে আনা জরুরি। পাশাপাশি তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ ও পারিশ্রমিকের বিষয়টি ভাবছি। নির্মাতাদের কাজের সুন্দর পরিবেশ দিতে চাই।

সালাহউদ্দিন লাভলু

আপনার পরিচালনায় এখনকার নাটকে নতুন শিল্পীদের প্রাধান্য রয়েছে। এর কারণ কী?

এখন নতুন শিল্পী নিয়েই বেশি কাজ করি। তাদের নিয়ে কাজ করা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তারকা শিল্পীদের নিয়ে সবাই নাটক কিংবা টেলিছবি নির্মাণ করেন। নতুনরা অনেক মনোযোগী। তাদের শেখার আগ্রহ রয়েছে। দর্শকদের কাছে সবসময়ই নতুন শিল্পীর অভিনয় বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়। চরিত্রটা তাদের কাছে মনে হয় পাশের বাড়ির ছেলেটা, কিংবা মেয়েটার কথা। এর আগেও আমার পরিচালিত ধারাবাহিক 'সোনার পাখি রূপার পাখি' নাটকেও নতুন শিল্পীদেরই প্রাধান্য ছিল। আমরা যদি শিল্পীদের তৈরি করতে না পারি তাহলে পরবর্তীতে ভালো অভিনয়শিল্পী তৈরি হবে কী করে?

'সাপলুডু' ছবিতে অভিনয় করেছেন?

তের বছর পর সিনেমায় বড় ধরনের কোনো চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটিতে অনেক চমক রয়েছে। যে জন্য নির্মাতা আমার কোনো লুকই আগে ভাগে প্রকাশ করেননি। গোলাম সোহরাব দোদুলের ছবিটির স্ক্রিপ্ট ভালো। অনেক যত্ন নিয়ে এটি নির্মাণ করছেন তিনি। আশা করছি ভালো কিছু হবে।

মিডিয়ার বর্তমান অবস্থা কেমন মনে হয়?

টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জন্য খারাপ সময় যাচ্ছে। বড় অঙ্কের বিজ্ঞাপন চলে গেছে দেশের বাইরের চ্যানেলে।পেশাদার শিল্পীদের জন্য সময়টা প্রতিকূলে। তার ওপর যোগ হয়েছে ওয়েবসিরিজের প্রভাব। আমরা মুক্ত অর্থনীতির যুগে বাস করি। অর্থনীতির একটা সর্বগ্রাসী চরিত্র আছে। সেখানে সবাই আমরা ধরাশায়ী। আর মিডিয়ার ক্ষেত্রে উন্মুক্ত আকাশের কারণে সারা পৃথিবীতে ওয়েব সিরিজ হচ্ছে। সেখানে নির্মাতাদের বেশ স্বাধীনতা রয়েছে, যা ভাবছে তাই করতে পারছে। এটা একটা ইতিবাচক দিক। কিন্তু অসুবিধার হচ্ছে- এখানে কোনো সেন্সরশিপ নেই, অনেক ওয়েব সিরিজ ড্রয়িং রুমে বসে দেখা দায়! ওয়েব সিরিজের বিষয়গুলো যদি আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম না করে, বিদেশি সংস্কৃতির দ্বারা প্রভাবিত হয় তাহলে বিপদ। ওয়েব সিরিজে প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ভিউয়ার বাড়লেই অর্থ বাড়ে, তাই কেউ কেউ অসুস্থ প্রতিযোগিতায়ও মেতে উঠছে। সেই জায়গাটায় শঙ্কা রয়েছে। বিবেকের কাছে দায়বদ্ধতা থেকে নির্মাতাদের ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করা উচিত বলে মনে করি। 

ইদানীং অভিনয়ে আপনাকে কম দেখা যায়। দর্শক কী অভিনেতা সালাউদ্দিন লাভলুকে মিস করছেন না?

অভিনয় করতে হলে মানসিক ও শারীরিকভাবে সময় দিতে হয়। আমি দর্শক ঠকাতে চাই না। পরিচালনার কাজে এতই ব্যস্ত যে, অভিনয় করার জন্য যে প্রস্তুতি দরকার সেই সময়টা আমি দিতে পারছি না। মাঝেমধ্যে একটা বিষয় পীড়া দেয়। পুরনো জেনারেশনের কাছে, অভিনেতা হিসেবে আমার পরিচিতি আছে। নতুন জেনারেশনের কাছে অভিনেতা লাভলুর পরিচিতিটা সেভাবে নেই। সেই চিন্তার জায়গা থেকে মাঝে মধ্যে উৎসব আয়োজনে অভিনয় করি। আসছে ঈদ উৎসবে কয়েকটি নাটক ও টেলিছবিতে অভিনয় করার কথা রয়েছে।

শুনেছি ফেসবুক বিড়ম্বনায় পড়েছেন?

হ্যাঁ, গত চার বছর ধরেই আমি ফেসবুক ব্যবহার করছি না। কিন্তু আমার নামে বেশ কয়েকটি ভুয়া আইডি রয়েছে। ওই আইডি থেকে আপত্তিকর পোস্টও দেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। অনেকেই আমাকে এ নিয়ে প্রশ্নও করেন, যা আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। ভাবছি শিগগিরই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

চাকরি প্রত্যাশী মিম মানতাশা


আরও খবর

টেলিভিশন

মিম মানতাসা

  বিনোদন প্রতিবেদক

চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিচ্ছেন লাক্স সুপারস্টার মিম মানতাশা। কিন্তু হবে কী হবে না সেটা জানাতে পারলেন না তিনি। ফলাফল পরে ঘোষণা হবে। সোমবার সমকাল অনলাইনকে  এমনটিই জানালেন এ অভিনেত্রী। কারণ ‘এভাবেও ভালোবাসা হয়’ নামের একটি নাটকের শুটিং করছিলেন তিনি। সেখানেই চাকরি ইন্টারভিউ প্রার্থীর চরিত্রে অভিনয় করছেন মিম মানতাশা। 

নাটকে মিম মানসার চরিত্রের নাম জারা। উত্তরায় চলছে এর শুটিং। শুরু হয়েছে আজই। অঞ্জন আইচ পরিচালিত নাটকটির মিম মানতাসা ছাড়াও রয়েছেন আবদুন নুর সজলসহ অনেকেই।   

মানতাশা বলেন, খুব সাদামাটা একটি চরিত্র জারা। আজ চাকরির সাক্ষাৎকার দেয়ার সিক্যুয়েন্সের শুটিং করছি। আমার সঙ্গে আছেন সজল ভাই। গল্পটি বেশ রোমান্টিক।  সবাই খুব আনন্দ নিয়ে শুটিং করছি।’

২০১৮ লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী নির্বাচিত হন মিম মানতাশা। এরপর নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে শুরু হয় তার মিডিয়ায় পথ চলা।  ফেরদৌস হাসান রানার রচনা ও পরিচালনায় মানতাশা অভিনীত প্রথম নাটক ‘ভবঘুরে । এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন তাহসান খান। 

সংশ্লিষ্ট খবর