টেলিভিশন

শিগগিরই ভালো কিছু নিয়েই কাজে ফিরবো: নওশাবা

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৮

শিগগিরই ভালো কিছু নিয়েই কাজে ফিরবো: নওশাবা

কাজী নওশাবা

  অনিন্দ্য মামুন

কেমন আছেন নওশাবা? ফিরছেন কী কাজে? নাকী মিডিয়াকে টাটা বাই বাই জানাচ্ছেন? মানসিকভাবে কতটা শক্ত আছেন এখন? এমনসব প্রশ্ন নিয়েই যোগাযোগ করা হয় টিভি নাটকের পরিচিত মুখ কাজী নওশাবার সঙ্গে।  জানা গেলো খারাপ নেই এ অভিনেত্রী। প্রস্তুত হচ্ছেন কাজে ফেরার জন্য। শিগগিরই বড় কিছুর মাধ্যমে আবার কাজে ফিরবেন বলে জানালেন।

সমকাল অনলাইনকে নওশাবা বলেন,‘ কিছুদিন মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলাম। কিন্তু আমাকে ধীরে ধীরে দাঁড়াতে হবে। আমি খুব লাকী একজন মানুষ। মিডিয়াতে খ্যাতিমান কেউ নই আমি। নই বড় কোন অভিনেত্রীও। দর্শকদের কাছে তো আমার তেমন জনপ্রিয়তাও নেই। মিডিয়ায় আমার খুব একটা বন্ধু বান্ধবও নেই। তবে যে কজন আছেন তারা আমার খুব সুখ-দুঃখ দুই সময়েরই বন্ধু। এ ছাড়াও আমার বিপদের সময়টায় সবাই আমার পাশে থেকেছেন।  সবার কাছেই কৃতজ্ঞ আমি।’

আইনসৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর তদন্তে কোন নেতিবাচক কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানালেন নওশাবা।  এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তদন্তের জন্য আইনসৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা যেখানেই যার  কাছেই গেছেন আমার সম্পর্কে  পজেটিভই পেয়েছেন। আমি বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করি। সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়াই এসবই তারা বলেছেন। বোঝতে পেরেছি মানুষ আমার পাশে সবসময় ছিল ও আছেন। তবে বিষয়গুলো আমি শিক্ষা আর অভিজ্ঞতা হিসেবেই নিয়েছি। ভবিষ্যতে চলার পথে এটা কাজে লাগবে।’ 

কাজী নওশাবা

 প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রতিক্ষায় আছে নওশাবা অভিনীত ছবি ‘স্বপ্নের ঘর’। তানিম রহমান অংশু পরিচালিত ছবিটিতে ব্যতিক্রমী একটি চরিত্রে কাজ করেছেন নওশাবা। এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ‘স্বপ্নের ঘর পুরো টিমটাই দারুণ। ছবিটিও দারণ হবে। ভৌতিক গল্পের ছবি এটি। প্রতিটি সিক্যুয়েন্সেই অন্য রকম ফিল পাবেন দর্শক। ওই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার কোন ধুয়াশা টাইপের চরিত্রে অভিনয় করেছি। ঢাকা অ্যাটাক ছবিতে আমাকে যে ধরনের চরিত্রে দেখেছেন এতে একেবারে তার অপজিট চরিত্রে দেখা যাবে। এই সিনেমার সঙ্গে আমি আছি। আমি অনুরোধ করবো আপনারাও থাকেন। চলচ্চিত্রটির প্রচার প্রচারণায় আমি যতটা সম্ভব অংশ নেবো। দর্শকদের প্রতি অনুরোধ থাকবে আপনারা ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখুন।’

এবার কাজের ফিরছেন কবে বলুন? প্রশ্ন রাখতেই নওশাবা বলেন,‘ এখন মানসিক অবস্থা বেশ ভালো। কাজে ফেরার জন্য অপেক্ষা করছি। সব চূড়ান্ত না হলেই এখনই কিছু বলতে পারছি না। তবে এটা ঠিক ভালো এবং বড় কিছু নিয়েই কাজে ফিরবো। সেটাও খুব শিগগিরই।’

অভিনেত্রী হলেও নিজেকে একজন সাধারণ মানুষ মনে করেন ‘ঢাকা অ্যাটাক’খ্যাত এ অভিনেত্রী। জানালেন, অসাধারণ নয়, নিজের একমাত্র মেয়েকে নিয়ে সাধারণ মানুষ হিসেবে জীবন যাপন করতেই পছন্দ তার। এই সাধারণ হয়েই আগামীতে ভালো ভালো কাজ উপহার দিতে চান দর্শকদের।

এদিকে ফেসবুকে  আপাতত তার কোন  আইডি নেই বলে জানালেন নওশাবা। যেটা ছিল সেটা হ্যাক হয়ে গেছে। বাকী যে  আইডি এখন রয়েছে তার সবগুলো ভুয়া আইডি বলে দাবী তার। 


সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ভাষার আর্তনাদে সজল-রুহী


আরও খবর

টেলিভিশন
ভাষার আর্তনাদে সজল-রুহী

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সজল ও রুহী

  বিনোদন প্রতিবেদক

রাহা ইংরেজি বাংলা মিশিয়ে বাংলিশে কথা বলতেই বেশি ভালোবাসে। এই সময়ের ডিজুস টাইপের ছেলেমেয়েদের একটা সার্কেলও আছে তার। রাহার দু:সম্পর্কের আত্মীয়র ছেলে আবির আসে আমেরিকা থেকে তাদেরই বাসায়।

যে ছেলে আমেরিকার মতো দেশে থেকেও নিজের দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতিকে এতো ভালোবাসে, অথচ দেশে থেকেও এখনকার ছেলেমেয়েরা যেনো আল্টামডার্ন হওয়ার প্রতিযোগিতায় ব্যতিব্যস্ত। তাই তো আবিরের সাথে রাহা ও তার বন্ধুবান্ধবের একটা দ্বন্দ্ব লেগে যায়। একটা পর্যায়ে রাহা বন্ধুদের সহায়তা চায় এই বিদেশী ছেলেটাকে শিক্ষা দেয়ার জন্য। ঘটনা মোড় নিতে থাকে ভিন্ন দিকে। তাই তো আবির দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে যাওয়ার আগে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে যায় সে। ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। কারন এই ভাষা শহীদদের মধ্যে যে আবিরের দাদাও আছেন।

নাটকের অন্যান্য  অভিনয় শিল্পীরা

যে ভাষার জন্য একদিন এদেশের সন্তানেরা জীবন দিয়েছিল, সেই ভাষার অবস্থা দেখে, সেই ভাষার আর্তনাদে আবিরের সত্যিই কষ্ট লাগে। শেষমেষ আবির রাহাদের বাসায় একটি চিঠি লিখে যায়। কি থাকে সেই চিঠিতে?  দর্শকরা নাটকটি দেখলেই জানতে পারবেন সেটা। 

ফ্যাক্টর থ্রি সলিউশনস নিবেদিত ও ত্রিধারা মিডিয়া প্রযোজিত নাটকটিতে আবির চরিত্রে সজল ও রাহা চরিত্রে নুসরাত জান্নাত রুহী অভিনয় করেন।

এতে অভিনয় প্রসঙ্গে সজল বলেন,‘এই সময়ের পুত পুত প্রেমের বাইরে গিয়ে একেবারেই ভিন্ন টাইপের একটা গল্পের নাটক ‘ভাষার আর্তনাদ’। এই নাটকে আমার চরিত্রটির মধ্যে একটা শিক্ষামূলক বিষয় আছে। একেবারেই সময় উপযোগী একটা নাটক। যা দেখলে দর্শক আমাদের বাংলা ভাষার প্রতি অন্যরকম ভালোবাসা অনুভব করবেন।’ 

রুহী বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারে এই প্রথম আমি এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করেছি। এখনকার কিছু প্রজন্ম আছে যারা বাংলা ভাষাটাকে ইংরেজি আর বাংলায় মিশিয়ে ‘বাংলিশ’ ভাষায় কথা বলে। যা অবশ্যই ভাষা শহীদদের রক্তে অর্জিত এই বাংলা ভাষার জন্য মান হানিকর। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এমন একটি শিক্ষামূলক নাটকে কাজ করতে পেরে বেশ ভালো লাগছে।’ 

সৈয়দ ইকবালের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন স্বাধীন ফুয়াদ। সম্প্রতি জাতীয় শহীদ মিনার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ফুলার রোডসহ উত্তরা বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির চিত্রায়ণ করা হয়। এতে বিভিন্ন চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন নিশাত খুশবু, শিরিন আলম, পীরজাদা শহিদুল হারুন, আশরাফুল আলম সোহাগ, অনিক, তুরিন, সুমন, তুষার প্রমুখ। 

২১শে ফেবরুয়ারিতে রাত ৯ টায় নাগরিক টিভিতে প্রচার হবে নাটকটি।         

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

'নিজেকে ব্যাখ্যা করা কঠিন'


আরও খবর

টেলিভিশন
'নিজেকে ব্যাখ্যা করা কঠিন'

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

মোশাররফ করিম

  অনলাইন ডেস্ক

মোশাররফ করিম। তারকা অভিনেতা। চ্যানেল আইয়ে আজ রাতে প্রচার হবে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক 'বৃহস্পতি তুঙ্গে'। নাটক ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-

'বৃহস্পতি তুঙ্গে' নাটকটির দর্শক প্রতিক্রিয়া জানার সুযোগ হয়েছে? 

এখন একটা অস্থির সময় চলছে। এখন নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে দর্শকের খুব একটা যোগাযোগ হয় না বললেই চলে। তাই নাটকটি নিয়ে সরাসরি দর্শক প্রতিক্রিয়া জানার সুযোগ পাওয়া যায় না। তারপরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই নাটকটি দেখে তাদের ভালোলাগার কথা জানিয়েছেন। আমিও শুরু থেকে চেষ্টা করেছি নাটকের মান বজায় রেখে কাজ করতে। এখনকার দর্শকরা মৌলিক গল্প পছন্দ করেন। তা এর মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত। 

নাটকটির গল্প ভাবনা তো আপনার। নিজের ভাবনাগুলোয় কাজ করতে কেমন লাগে?

এককথায় বলতে গেলে বেশ ভালো লাগে। কারণ নিজের তৈরি চরিত্র সম্পর্কে আগে থেকেই অনেক ধারণা থাকে। ফলে কাজটি অনেক সহজ হয়ে যায়। এই নাটকটির গল্প নিয়ে ভেবেছিলাম অনেক আগে। প্রায়ই আমরা শুনি অমুকে তাকে ফাঁদে ফেলে সর্বস্বান্ত করে দিয়েছে। এই নাটকটির গল্পও ঠিক তেমন। নাটকে আমিও মানুষকে নানাভাবে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করি। একটা সময় দেখা যায় ফাঁদে ফেলতে গিয়ে নিজেই মানবিক তাড়নায় মানুষের সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করি। প্রতারক থেকে মানুষের উপকারী বন্ধু হয়ে উঠি।

মোশাররফ করিম

এখন যেসব নাটকে কাজ করছেন, সেগুলো আপনাকে কতটা আত্মতৃপ্তি দিচ্ছে?

আমরা যারা পেশাদার অভিনয়শিল্পী, তাদের কাছে অভিনয় রুটিনবাঁধা কাজ। তাই অভিনয়ে কতটুকু আত্মতৃপ্তি পাচ্ছি বা পাচ্ছি না, তা খুব একটা ভাবার সুযোগ হয় না। তাই বলে কাজের প্রতি শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নেই, বিষয়টা এমনও নয়। যেটা করছি তা শতভাগ মনোযোগ দিয়েই করছি। আর ভালো-মন্দ বিচারের দায়িত্ব দর্শকের। এখনও আমি যে কোনো নাটক বা টেলিছবিতে কাজের আগে প্রথমে চিত্রনাট্য নিয়ে ভাবি। গল্প আর চিত্রনাট্য ভালো না হলে সেই কাজ আমাকে টানে না। তারপরও এখন মনে হয়, আরও একটু বাছাই করে কাজ করা উচিত। 

একজন মোশাররফ করিম নিজেকে ব্যাখ্যা করেন কী করে?

নিজেকে ব্যাখ্যা করা কঠিন। এ বিষয়টি আমি এড়িয়ে চলি। শুধু এটুকুই বলব, চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার। এই চেষ্টা প্রতিদিনের। তাই তো প্রতিদিনই নিজের সঙ্গে নিজের প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছি। আর আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ। অন্য আট-দশজন মানুষের মতো দিন শেষে ঘরে ফেরার টান আছে। 

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের কী খবর?

সর্বশেষ ওয়াজেদ আলী সুমনের 'রঙিন ফানুস' চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম। এর কাজ এখনও শুরু হয়নি। নতুন চলচ্চিত্রের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। ব্যাটে-বলে মিলে গেলে সবাইকে জানাব।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

‘সাইজ ডাজেন্ট ম্যাটার’


আরও খবর

টেলিভিশন
‘সাইজ ডাজেন্ট ম্যাটার’

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

  অনলাইন প্রতিবেদক

একজন খাটো মানুষ সমাজে আরও খাটো হয়ে বসবসা করেন। সমাজে লম্বায় উচ্চ  মানুষের কাছে সবসময় হন অবহেলিত ও হাসির পাত্র। তার  ইচ্ছে অনিচ্ছার দাম থাকে না কোন। সমাজের মানুষ তাকে হাসির পাত্র হিসেবেই বিবেচনা করে। একজন খাটো মানুষের উপলব্দির জায়গা থেকেই নির্মাণ করা হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘সাইজ ডাজেন্ট ম্যাটার’।

রাজনীতি ছবির পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস-এর কাহিনী ও পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন মৌসুমি হামিদ এবং শামীম হাসান সরকার। সম্প্রতি উত্তরা ও নিকুঞ্জের বিভিন্ন স্থানে শুটিং শেষ হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্যটির। 

স্বল্পদৈর্ঘ্যটি নিয়ে পরিচালক বুলবুল বিশ্বাস বলেন,  গত বছর ফেব্রুয়ারীতে লিখেছিলাম গল্পটি। এ ধরণের কাজের জন্য যে পরিমাণ বাজেট লাগে তা ঠিকমত পাইনা বলে নির্মাণ করা হয়না। তার পরেও যে বাজেট পেয়েছি তার মধ্য দিয়েই সকলের প্রচেষ্টা এবং পরিশ্রমে কাজটা শেষ করতে পেরেছি।’

‘সাইজ ডাজেন্ট ম্যাটার’র গল্পটি আমাদের চারপাশেরই গল্প উল্লেখে করে পরিচালক বলেন, একজন খাটো মানুষকে যে সমাজ কতটা খাটো করে দেখে সেই উপলব্ধির জায়গা থেকে গল্পটা লেখা। ভীষণ চ্যালেঞ্জিং এবং কষ্টসাধ্য ছিলো কাজটা। শামীম অনেক পরিশ্রম করেছেন। আশা করি দর্শক কাজটা দেখে মজা পাবেন।’

টেস্টি ট্রিটের ব্যানারে নির্মাণ হয়েছে  ‘সাইজ ডাজেন্ট ম্যাটার । প্রতিষ্ঠানটির ইউটিউব চ্যানেলেই চলতি মাসের শেষের দিকে প্রচার হবে বলে জানান পরিচালক। 

সংশ্লিষ্ট খবর