টেলিভিশন

উর্মিলাকে নিয়ে ‘সম্রাট দ্যা গ্রেট’

প্রকাশ : ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০১৮

উর্মিলাকে নিয়ে ‘সম্রাট দ্যা গ্রেট’

খন্দকার ইসমাইল ও উর্মিলা

  অনলাইন ডেস্ক

খন্দকার ইসমাইলকে সবাই উপস্থাপক হিসেবেই চিনেন। কিন্তু তিনি যে অভিনেতাও সেটা জানতেন না অনেকেই! এবার সেটাও জানলেন দর্শক।  কয়েক মাস আগে ‘হৃদয়ের টান’ নামের একটি নাটকে অভিনয় করেন তিনি। এ নাটকের মাধ্যমেই ২০ বছর অভিনয়ে ফিরেছেন বলে জানান এ উপস্থাপক।

সম্প্রতি কাজ করলেন ‘সম্রাট দ্যা গ্রেট’ নামের একটি টেলিছবিতে। জাকির হোসেন উজ্জলের রচনায় অভিনয়ের পাশাপাশি এটির নির্মাতাও খন্দকার ইসমাইল। এতে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন উর্মিলা শ্রাবন্তী কর।

টেলিছবিটিতে অভিনয়  প্রসঙ্গে খন্দকার ইসমাইল বলেন,  ‘টেলিছবিতে আমাকে সম্রাট চরিত্রে দেখা যাবে। আমি সমাজের একজন প্রতিবাদী মানুষের চরিত্রে অভিনয় করেছি। আমাদের সমাজে নানা রকম অনিয়ম-অপরাধ হচ্ছে। আমি এসবের প্রতিবাদ করি। একটা সময় অপরাধ জগতের মানুষ আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। তারপর গল্প অন্য দিকে মোড় নেয়।’

১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘সময় বহিয়া যায়’ শিরোনামের একটি নাটকে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। পরবর্তিতে উপস্থাপনায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। এখন থেকে নিয়মিত অভিনয় করবেন বলে জানান তিনি।  

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

শমী কায়সারের গল্পে বুদ্ধিজীবী দিবসের নাটক


আরও খবর

টেলিভিশন
শমী কায়সারের গল্পে বুদ্ধিজীবী দিবসের নাটক

প্রকাশ : ২০ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

শমী কায়সার

  অনলাইন ডেস্ক

অভিনেত্রী শমী কায়সারের গল্প অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে নাটক 'সাড়ে তিন খানা চিঠি'। একাত্তরের ভয়াবহ বুদ্ধিজীবী হত্যার ঘটনা নাটকটির প্রধান উপজীব্য। শমী কায়সারের গল্প অবলম্বনে এটি নির্মাণ করছেন চয়নিকা চৌধুরী। এ প্রসঙ্গে শমী কায়সার জানান, 'গল্পের বেশিরভাগ অংশ সত্য ঘটনা থেকে নেওয়া।

একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর, যেদিন বাবাকে [শহীদুল্লা কায়সার] পাকিস্তানি বাহিনীরা ধরে নিয়ে যায়, সেদিনের অনুভূতির জায়গা থেকে গল্পটি লিখেছি। নতুন প্রজন্মের কাছে ১৪ ডিসেম্বরের ঘৃণ্য অধ্যায়কে সামনে নিয়ে আসার জন্য গল্পটি ছোটপর্দায় তুলে ধরা হচ্ছে।' এর গল্পে দেখা যাবে, 'একাত্তরে পাকিস্তানিরা বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে যাওয়ার সময় নাটকের প্রধান চরিত্র শমীর বাবাকেও ধরে নিয়ে যায়। এরপর তার বিয়ে হয় ধনী পরিবারে। যারা কিনা ধনসম্পদ, টাকা-পয়সা, স্বর্ণ-গহনার বাইরে আর কিছুই চিন্তা করে না। 

শমী কায়সার

নাটকে শমীর শ্বশুরবাড়ির লোকজন মুক্তিযুদ্ধকে উপেক্ষা করে উল্টো 'গণ্ডগোল' বলে আখ্যায়িত করে। এদিকে তার শ্বশুর ছিল রাজাকার। ঘটনার পরিক্রমায় ১৪ ডিসেম্বর শমীর বাবাকে ধরে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রতি বছর এ দিনেই তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাড়িতে নানা রকম পার্টি করে। যদিও তার স্বামী সব সময় তার পাশে থেকে সহযোগিতা করে। এ রকম একটা টানাপড়েন সম্পর্ক নিয়ে এগিয়ে যায় নাটকের গল্প। 

নাটকের নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, 'শমী কিন্তু এখন আর আগের মতো অভিনয় করেন না। বছরে দু-একটা কাজ করেন। নিজের লেখা গল্পে তিনি দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন। এরই মধ্যে নাটকের তিনদিন শুটিং হয়েছে। বাকি শুটিং বধ্যভূমিতে করব। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন আবুল হায়াত, শর্মিলী আহমেদ, শমী কায়সার, মাহফুজ আহমেদ, আজম খান এবং শিশুশিল্পী নাদীভ। আগামী ১৪ ডিসেম্বর নাটকটি চ্যানেল আইয়ে দুপুর ৩টা ৫ মিনিটে প্রচার হবে।'

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে ১১ মিনিটের পরিবেশনা


আরও খবর

টেলিভিশন

পরিবর্তনের মঞ্চে আইয়ুব বাচ্চুর স্মরণে গাইছেন শিল্পীরা

  অনলাইন ডেস্ক

কিংবদন্তি গিটার বাদক আইয়ুব বাচ্চু। ঠিক এক মাস আগে আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন তিনি। বিটিভির জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘পরিবর্তন’ এ আজকে গানে গানে স্মরণ করা হবে তাকে। আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া ৫টি জনপ্রিয় গানের সমন্বয়ে জাহিদ বাশার পংকজের নতুন কম্পোজিশনে এই প্রজন্মের ৪ জন কন্ঠশিল্পী শুভ, তানভীর তারেক, কর্ণিয়া ও বৃষ্টির কন্ঠে থাকছে ১১ মিনিটের একটি পরিবেশনা।

এছাড়াও এবারের ২৯ তম আয়োজনে থাকছে নৃত্যপরিচালক ও নৃত্যশিল্পী লিখন রায়ের পরিচালনায় চন্দন সিনহা ও সিঁথি সাহার গাওয়া একটি রোমান্টিক দ্বৈত গানের সাথে নৃত্য। যাতে সহশিল্পীদের নিয়ে নাচ পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী জুটি লিখন ও নাদিয়া।

মিলনায়তনের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত তিনজন দর্শক নিয়ে দর্শক প্রতিযোগিতা পর্ব সাজানো হয়েছে তিনটি বিষয় নিয়ে করা বিভিন্ন কুইজের মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে উত্তরসূরী, সমার্থক শব্দ এবং বিপরীত শব্দ।

সাহরিয়ার মোহাম্মদ হাসান-এর প্রযোজনায় পরিবর্তনের পরিকল্পনা গ্রন্থনা উপস্থাপনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন আনজাম মাসুদ। আজ রাত ১০টার সংবাদের পর অনুষ্ঠানটি বিভিটিতে প্রচার হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

শান্তিপুরীতে তাদের জন্য অশান্তি


আরও খবর

টেলিভিশন

‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’ নাটকের অভিনেত্রীরা

  অনলাইন ডেস্ক

বাড়ির নাম শান্তিপুরী। গৃহকর্তা হক সাহেব। গৃহকর্ত্রী আয়েশা হক। বিত্ত-বৈভবের কমতি নাই। পঞ্চাশ বছরের দাম্পত্য জীবন। ছেলে-মেয়েরা সব প্রবাসী। আছেন দুই টোনা-টুনী। কিন্তু সংসার জীবনের এতগুলো বছর পার করে এসে সম্প্রতি তাদের সম্পর্ক সাপে-নেউলে। প্রতিটি ব্যাপারেই একে অপরের প্রতিপক্ষ। বাড়ির অন্য লোকেরা কাহিল তাদের দুজনের বিবাদ মেটাতে। 

ভাড়াটিয়া যারা ছিল তারাও একসময় স্বামী-স্ত্রীর এই কুরুক্ষেত্র ছেড়ে পালিয়েছে। অতঃপর নিজের দল ভারী করতে হক সাহেব তার বাড়ির একটা অংশ কিছু ব্যাচেলর ছেলের কাছে ভাড়া দিয়েছেন। একদম তার মনের মত ছেলেগুলো। সে যা বলে তাই শোনে।এদের নিয়ে হক সাহেবের বেশ ভালোই দিন কাটছে। 

কিন্তু আয়েশাও ছেড়ে দেয়ার মানুষ নন। তিনিও মনে মনে পরিকল্পনা  করতে থাকেন কি করে এর একটা বদলা নেওয়া যায়। অতঃপর আয়েশাও বাড়ির একটা অংশ কিছু ব্যাচেলর মেয়ের কাছে ভাড়া দেন। তুখোড় সব মেয়ে। আয়েশা যেমন চেয়েছিলেন ঠিক তেমনি আয়েশা আদর করে নাম দিয়েছেন ‘বাঘের বাচ্চা সব’।

দুই দলের জন্যই শান্তিপুরী পরিণত হয় অশান্তিপুরীতে। এমন গল্প নিয়েই ধারাবাহিক নাটক ‘শান্তিপুরীতে অশান্তি’। মুক্তনীলের রচনায় ও তুহিন বড়ুয়ার প্রযোজনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন সকাল আহমেদ।  

এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন,রহমত আলী, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, শবনম ফারিয়া, অর্ষা, তানজিকা আমিন, কাজল সূবর্ণ, আফরান নিশো, আরমান পারভেজ মুরাদ, ইউসুফ রাসেল, অধরা, রেহেনা রাখি, হিমে হাফিজ, তুষার খান. কায়েস চৌধুরী, এস এম মোহসীন, খলিলুর রহমান কাদেরী, সাইকা আহমেদ, অনুভব মাহবুব প্রমুখ।

সপ্তাহের প্রতি মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার রাত ৮ টায় বৈশাখী টিভিতে প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটকটি। 

সংশ্লিষ্ট খবর