টেলিকম

'মস্তকহীন মুরগির' সন্ধান মহাসাগরে!

প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৮

'মস্তকহীন মুরগির' সন্ধান মহাসাগরে!

মহাসাগরের তলদেশে পাওয়া প্রাণীটি- ইউএসএটুডে

  অনলাইন ডেস্ক

বিস্ময়র সমুদ্রের গভীর অঞ্চলে রহস্যের শেষ নেই। কত যে প্রাণী সেখানে ঘুরে ফেরে সে তথ্যও অজানাই রয়ে যায়। তবে এর মধ্যেও বিজ্ঞানীদের নজর আটকে যায় কিছু জায়গায়।

এন্টার্কটিক মহাসগরে মিলেছে এমন এক অদ্ভূত প্রাণীর সন্ধান। অনেকটা 'মস্তকহীন' মুরগির মতো দেখতে এই প্রাণীর কথা রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

ইউএসএটুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, জীববিজ্ঞানীরা অস্ট্রেলিয়ার কাছে এন্টার্কটিক মহাসাগরে এমন একটি সি কিউকাম্বার দেখতে পেয়েছেন। হঠাৎ দেখলে মনে হবে পানি নিচে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছাল ছাড়ানো মস্তকবিহীন একটি মুরগির মাংসপিণ্ড।

সম্পূর্ণ স্বচ্ছ দেহের প্রায় ৯ ইঞ্চি লম্বা প্রাণীটির আবার পর্দা দেওয়া পাখনা রয়েছে। স্বচ্ছ দেহের জন্য প্রাণীটির শিরা–উপশিরাও পুরোপুরি দৃশ্যমান।
অস্ট্রেলিয়ার সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে এই সি কিউকাম্বারের বৈজ্ঞানিক নাম বলা হয়েছে এনিনিয়াস্টেস এক্সিমিয়া। যদিও চলতি নাম হেডলেস চিকেন মনস্টার বা মস্তকবিহীন মুরগি দৈত্য।

এর আগে মেক্সিকো উপসাগরে এই সি কিউকাম্বার দেখা গেলেও এন্টার্কটিক মহাসাগরে এই প্রথম তার সন্ধান মিলল।

চলতি সপ্তাহেই হতে চলা কমিশন ফর দ্য কনজার্ভেশন অফ আন্টার্কটিক মেরিন লিভিং রিসোর্সেস–এর বার্ষিক সম্মেলনে এই অদ্ভূত প্রাণীটির দেখা পাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাবেন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ফেসবুকে বিভ্রাট


আরও খবর

টেলিকম
ফেসবুকে বিভ্রাট

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ১০টা থেকে থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবহারকারী এই সমস্যায় পড়েছেন বলে বিবিসি জানিয়েছে।

জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লগইন করা গেলেও কোনও কিছু শেয়ার করা যাচ্ছে না; লোডিংও হচ্ছে না, তবে ম্যাসেঞ্জারে ছবি বা ভিডিও ছাড়া ম্যাসেজ পাঠানো যাচ্ছে।

একই সঙ্গে ফেসবুকের মালিকানাধীন জনপ্রিয় অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারেও বিভ্রাট তৈরি হয়েছে।

কী কারণে ফেসবুকে এই বিভ্রাট দেখা দিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয়।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, 'কিছু কিছু ব্যবহারকারী ফেসবুক ও আমাদের অন্য অ্যাপ ব্যবহারে সমস্যায় পড়েছেন বলে আমরা অবগত আছি। যতদ্রুত সম্ভব সমস্যাটি সমাধানে কাজ চলছে।'

ফেসবুকে কোনও সাইবার আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি বলেও জানিয়েছে তারা।

এদিকে ইনস্টাগ্রামের পক্ষ থেকে এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, ইনস্টাগ্রামে ঢুকতে সমস্যা হচ্ছে। আমরা অবগত রয়েছি। সমস্যা দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

এর আগে ২০১৫ সালে ৫০ মিনিট বন্ধ ছিল ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম। ২০১০ সালে আড়াই ঘণ্টা বন্ধ ছিল ফেসবুক। তবে এবার ফেসবুকের ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে বিভ্রাট স্থায়ী হয়েছে।

পরের
খবর

গ্রামীণফোনকে এসএমপি ঘোষণায় চাঞ্চল্য


আরও খবর

টেলিকম
গ্রামীণফোনকে এসএমপি ঘোষণায় চাঞ্চল্য

বিদেশি বিনিয়োগে বিরূপ প্রভাবের শঙ্কা

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  রাশেদ মেহেদী

টেলিযোগাযোগ খাতে বিটিআরসির 'সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি)' ঘোষণা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। টেলিযোগাযোগ খাতে সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়েই বিটিআরসি এসএমপি ঘোষণার মতো শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনকে কঠোর বিধিনিষেধে বেঁধে ফেলার বিষয়টি টেলিযোগাযোগ খাতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।

সমকালের সঙ্গে আলাপে তারা বলেন, এসএমপি ঘোষণার ক্ষেত্রে বিটিআরসির উদ্দেশ্য খুবই ভালো; কিন্তু কার্যপদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ। এ কারণেই বিটিআরসির সিদ্ধান্তের ফলে টেলিযোগাযোগ খাতে বিদেশি বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রবল। তারা আরও বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থায় গবেষণা সেল না থাকায় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বারবারই সমস্যা দেখা যায়। যেমন আরও পাঁচ বছর আগে যখন এমএনপি বা নম্বর না বদলে মোবাইল অপারেটর বদলের সেবা চালুর সঠিক সময় ছিল, তখন বিটিআরসি তা করেনি। সংস্থাটি এখন এমএনপি সেবা চালু করেছে, যা খুব বেশি সাড়া ফেলেনি। সঠিক সময়ে এমএনপি সেবা চালু হলে এখন এসএমপি ঘোষণার মতো জটিল সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হতো না বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এসএমপি কী :সাধারণত বাজারে কোনো কোম্পানি একক আধিপত্য বা 'মনোপলি' সৃষ্টি করে গ্রাহকস্বার্থ ক্ষুণ্ণম্ন এবং বাজারের অন্য কোম্পানির ব্যবসায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাধা সৃষ্টির ক্ষমতা অর্জন করলে সেখানে 'প্রতিযোগিতা আইন' প্রয়োগ করা হয়। উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের প্রতিযোগিতা আইন আছে। বাংলাদেশেও ২০১২ সালে প্রতিযোগিতা আইন প্রণয়ন করা হয় এবং এর আওতায় একটি প্রতিযোগিতা কমিশনও গঠন করা হয়। তবে সেই প্রতিযোগিতা কমিশনের কর্মকাণ্ড কখনোই দৃশ্যমান হয়নি। এই প্রতিযোগিতা আইনের অধীনে আইনগত পদক্ষেপ হিসেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাজারে 'মনোপলি' সৃষ্টির ক্ষমতাসম্পন্ন কোম্পানিকে এসএমপি বা বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী ঘোষণা করতে পারে। এসএমপি ঘোষণার অর্থ হচ্ছে, সংশ্নিষ্ট কোম্পানির একক আধিপত্যের সামনে বিধিনিষেধের লাগাম টেনে দেওয়া।

বাংলাদেশে প্রতিযোগিতা আইনটি গত ছয় বছরে অন্যান্য ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়নি। প্রথমবারের মতো বিটিআরসি টেলিযোগাযোগ খাতে এসএমপি ঘোষণা করে প্রতিযোগিতা আইন প্রয়োগের বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ইউরোপের দেশগুলোতে এসএমপি ঘোষণার নজির থাকলেও দক্ষিণ এশিয়া এবং এশিয়ার অন্য কোনো দেশে এমনটা দেখা যায়নি। ভারতের প্রতিযোগিতা আইনে কোনো কোম্পানি ৫০ শতাংশ মার্কেট শেয়ার অর্জন করলে সেই কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার বিধান রাখা হয়েছে। তবে সেখানে এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানিকে এসএমপি ঘোষণার নজির নেই।

যে কারণে গ্রামীণফোনকে এসএমপি ঘোষণা :এসএমপি নীতিমালা সম্পর্কে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রাহকস্বার্থ রক্ষা, সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টির জন্যই এটা প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আওতায় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গত সোমবার প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সেই চূড়ান্ত পদক্ষেপই নিয়েছে বিটিআরসি।

সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে বিটিআরসি টেলিযোগাযোগ খাতে সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করায় সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছে। দেখা যায়, গ্রামীণফোনের বর্তমানে বাজারে অংশীদারিত্ব ৪৬ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রবির অংশীদারিত্ব ৩০ শতাংশ, বাংলালিংকের ২২ শতাংশ এবং টেলিটকের মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ। গ্রামীণফোন বাজারে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে আছে। এর ফলে বাজারে নানাভাবে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হচ্ছিল। এ ছাড়া শীর্ষ অপারেটর হলেও গ্রামীণফোনের সেবার মান নিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ব্যাপারে গ্রামীণফোনকে বারবার জানানোর পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। সেবার ক্ষেত্রে গুণগত মান নিশ্চিত করাকে বিটিআরসি অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণেই এ ব্যাপারে ধারাবাহিকভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে সংস্থাটি। এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এর আগে এমএনপি সেবা চালু এবং বিলের ক্ষেত্রে 'অফনেট-অননেট' ব্যবস্থা তুলে দিয়ে একটি সাধারণ 'মূল্য' নির্ধারণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঘোষণা করা হলো এসএমপি।

বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা :তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার সিনিয়র ফেলো আবু সাঈদ খান সমকালকে বলেন, 'বিটিআরসি যে উদ্দেশ্যে এসএমপি ঘোষণা করেছে, তা ভালো। কিন্তু তাদের কার্যপদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ। এ পদ্ধতি নির্ধারণের আগে এর পরবর্তী প্রভাব কী হবে তা বিবেচনা করেনি বিটিআরসি। গ্রামীণফোন কেন শীর্ষ অপারেটর হয়েছে, তার নেপথ্যের কারণগুলোও সংস্থাটি আমলে নিয়েছে বলে মনে হয় না।'

তিনি বলেন, গ্রামীণফোন রেলওয়ের ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক থেকে অপেক্ষাকৃত অল্প ব্যয়ে সেবা দেওয়ার সুযোগ প্রথম থেকে পেয়েছে এবং তা এখনও অব্যাহত আছে। এসএমপি ঘোষণার পরও তা অব্যাহত থাকবে। অন্য অপারেটররা এই সুবিধা আগেও পায়নি, ভবিষ্যতেও পাবে কি-না, সংশয় আছে। এর ফলে এই এসএমপি ঘোষণা বাজারে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে তা প্রশ্নসাপেক্ষ।

এ ব্যাপারে টেলিযোগাযোগ খাত বিশেষজ্ঞ ও অ্যামটবের সাবেক মহাসচিব টিআইএম নুরুল কবীর সমকালকে বলেন, এসএমপি ঘোষণা টেলিযোগাযোগ খাতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে দুশ্চিন্তা রয়েছে। গ্রামীণফোন শুধু টেলিযোগাযোগ খাতের শীর্ষ অপারেটর নয়, বরং একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগও তাদের। তারা বর্তমানে শেয়ারবাজারে আছে। এ ধরনের একটি কোম্পানি হঠাৎ নিয়ন্ত্রিত হলে টেলিযোগাযোগ খাতে ভবিষ্যতে বিদেশি বিনিয়োগ বড় হুমকিতে পড়বে। বর্তমানে বড় আকারে বেতার তরঙ্গ অবিক্রীত আছে। শীর্ষ অপারেটর বিধিনিষেধে পড়ার কারণে এই বেতার তরঙ্গ বিক্রি করে রাজস্ব আয়ের পথও সংকুচিত হবে। তিনি বলেন, বিটিআরসির একটি গবেষণা সেল থাকা দরকার। তাহলে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে। নুরুল কবীরের ধারণা, এসএমপি ঘোষণার ফলে বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কাই বেশি।

পরের
খবর

'প্রায় ৩৬% স্মার্টফোন ম্যালওয়ার আক্রান্ত'


আরও খবর

টেলিকম

প্রতীকী ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

সাইবার নিরাপত্তায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান তলানিতে।

যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা গবেষণা প্রতিষ্ঠান কমপারিটেকের প্রতিবেদনে এতথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, তীব্র সাইবার ঝুঁকিতে থাকা ৬০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। গত ৬ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

সাইবার নিরাপত্তায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছে আলজেরিয়া। এর পর বাংলাদেশের চেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে আরও চারটি দেশ। এ চারটি দেশ হচ্ছে ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, উজবেকিস্তান এবং তানজানিয়া। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যেও সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশে সবার চেয়ে বেশি পিছিয়ে আছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা। ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৩৫ দশমিক ৯১ শতাংশের স্মার্টফোনই ম্যালওয়ারে আক্রান্ত। আর কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে ম্যালওয়ার আক্রান্তের হার ১৯ দশমিক ১ শতাংশ।

এর আগে ২০১৭ সালের প্রতিবেদনে কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের আক্রান্তের হার ছিল ৩১ শতাংশ। এ হিসেবে কম্পিউটারে ম্যালওয়ার আক্রান্তের হার আগের চেয়ে কমেছে। সার্বিকভাবে সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশের স্কোর ৪৭ দশমিক ২১ শতাংশ। প্রতিবেদনের পদ্ধতি অনুযায়ী যে দেশের স্কোর যত বেশী সে দেশ ততবেশি পিছিয়ে আছে সাইবার নিরাপত্তায়।

গত বছর প্রকাশিত আর্ন্তজাতিক টেলিকম ইউনিয়নের সাইবার সিকিউরিটি সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৫৩। ওই সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বে এবং এশিয়া অঞ্চলে সাইবার নিরাপত্তায় পিছিয়ে থাকা দেশগুলোর সারিতেই ছিল।