টেলিকম

অপারেটরগুলোর কলড্রপের পরিসংখ্যান দিল বিটিআরসি

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০১৮

অপারেটরগুলোর কলড্রপের পরিসংখ্যান দিল বিটিআরসি

  সমকাল প্রতিবেদক

মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর এক বছরের কলড্রপের একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি)। গ্রাহকের অসন্তোষের প্রেক্ষাপটে সোমবার ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কলড্রপের পরিসংখ্যান দেয় বিটিআরসি। 

এতে কলড্রপের শীর্ষে রয়েছে গ্রামীণফোন। এই এক বছরে গ্রামীণফোনের কলড্রপের সংখ্যা ১০৩ কোটি। এরপর রবির কলড্রপ ৭৬ কোটি, বাংলালিংকের ৩৬ কোটি ও রাষ্ট্রায়ত্ত অপারেটর টেলিটকের কলড্রপ ৬ কোটি।

বিটিআরসির হিসাব অনুযায়ী, গত অগাস্ট মাস পর্যন্ত দেশে চারটি মোবাইল ফোন অপারেটরের মোট গ্রাহক সংখ্যা ১৫ কোটি ৪১ লাখ ৭৯ হাজার। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৭ কোটি ৭ লাখ ৯ হাজার। আর রবির গ্রাহক ৪ কোটি ৬১ লাখ ৩২ হাজার, বাংলালিংকের গ্রাহক ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৬৬ হাজার এবং টেলিটকের গ্রাহক ৩৮ লাখ ৭৩ হাজার।

প্রকৃত কলড্রপের অবস্থা ও এ সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা পাঠাতে অপারেটরদের নির্দেশনা দিয়েছে বিটিআরসি।

বিটিআরসির তথ্যে দেখা যায়, এক বছরে জিপির কলড্রপ ১০৩ কোটি ৪৩ লাখ। একের অধিক কলড্রপ হয়েছে ২৭ কোটি ৭৭ লাখ। কল মিনিট ফেরত দিয়েছে ১০ কোটি ৩০ লাখ।

রবির কলড্রপ হয়েছে ৭৬ কোটি ১৮ লাখ। একের অধিক কলড্রপ হয়েছে ২৪ কোটি ৪৭ লাখ। কলমিনিট ফেরত দিয়েছে ৬ কোটি ৮২ লাখ। বাংলালিংকের কলড্রপ হয়েছে ৩৬ কোটি ৫৪ লাখ। একের বেশি কলড্রপ হয়েছে ১৭ কোটি ১৪ লাখ। কল মিনিট ফেরত দিয়েছে ৪ কোটি ৯৪ লাখ। টেলিটকের কলড্রপ ৬ কোটি হলেও একের অধিক কল ড্রপ হয়নি।

তবে ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর হতে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট কলের হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। বিটিআরসি অন্য একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় এ বছরের সেপ্টেম্বরে রবি বাদে সব অপারেটরের কলড্রপ কমেছে।

২০১৬ সালের জুনে বিটিআরসির এক নির্দেশনায় বলা হয়, কোনো মোবাইল সংযোগ থেকে দিনে একের বেশি কলড্রপ হলে এক মিনিট টকটাইম গ্রাহককে ফিরিয়ে দিতে হবে এবং সেটা এসএমএসের মাধ্যমে জানাতে হবে।

অভিযোগ আছে, কলড্রপে ক্ষতিগ্রস্তদের বেশিরভাগই ক্ষতিপূরণ বা টকটাইম পাচ্ছেন না। পেলেও তা এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হচ্ছে না।

বিটিআরসি নির্ধারিত মান অনুযায়ী, কলড্রপের হার ২ শতাংশের কম হলে তা হবে মানসম্পন্ন সেবা। প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক জানিয়েছেন, কলড্রপের বিষয়ে অপারেটরদের চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এটা না কমলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

এক ফোন কলেই গাড়ির সব সমস্যার সমাধান


আরও খবর

টেলিকম

ফাইল ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশে পার্কিং করার সমস্যা  বেশ কয়েক বছর ধরেই শুরু হয়েছে। কারণ দিন দিন গাড়ির সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু কমছে পার্কিংয়ের জায়গা। তাছাড়া অবৈধ ভাবে গাড়ি পার্কিং করার ফলে ঢাকা শহরে যানজটও বাড়ছে দিন দিনি।  এই সমস্যার সমাধান দিতেই নিয়ে আসা হয়েছে ‘পার্কিংকই’ নামের নতুন অ্যাপ্লিকেশন। যার মাধ্যমে পাওয়া যাবে  গাড়ির পার্কিং করার উত্তম জায়গা।

অ্যাপসটি পার্কিংয়ের জায়গা খুঁজে দেয়ার পাশাপাশি নিয়ে এসেছে ‘টুলবক্স’ নামে নতুন একটি অপশন। এ অপশনের মাধ্যমে গাড়ির সব ধরণের সামাধান পাওয়া যাবে।  সেখানেই সমস্যা সেখানেই সমাধান।চলতি পথে  গাড়ির টায়ারের সমস্যা  হলে কত দূরে যেয়ে লোক নিয়ে আসতে হবে টায়ার রিপেয়ার করতে হবে আর নয়ত নিজেই গাড়িটিকে নিয়ে যেতে হবে তার সবই পাওয়া যাবে এতে। 

শুধু একটি ফোন কলেই  হাজির পার্কিংকই এর মেকানিক। এই টুলবক্স সুবিধার মধ্যে গাড়ি বা বাইককে নতুনের মত ঝকঝকে করার কাজটিও করা যাবে।  

‘পার্কিং কই’-এর প্রতিষ্ঠাতা রাফাত রহমান জানান, দিন দিন জনপ্রিয়তা যাচ্ছে অনলাইনে পার্কিং সেবা। তাই আমরাও নতুন নতুন সেবা যুক্ত করছি। আমাকে নতুন সেবা টুলবক্স। এর মাধ্যমে কার ও বাইকের সমস্যা হলে কল করলে খুব কম খরচে ভালো মানের সার্ভিস দিবো আমরা। সেখানেই গাড়ির সমস্যা সেখানেই আমরা। 

পার্কিংকই এর মাধ্যমে  ঘন্টা অনুযায়ী ৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত লোকেশন ভাড়া পাওয়া যাবে। এছাড়া বাসার সামনের খালি জায়গা, গ্যারেজ, বাগান ইত্যাদি পার্কিং সার্ভিস দিয়ে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা আয় করা যাবে বলেও জানান  এর প্রতিষ্ঠাতা। 


সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ফাঁস হলো ওয়ানপ্লাস ৭


আরও খবর

টেলিকম
ফাঁস হলো ওয়ানপ্লাস ৭

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  প্রযুক্তি প্রতিদিন প্রতিবেদক

ওয়ানপ্লাসের পরবর্তী ফ্ল্যাগশিপ ফোন ওয়ানপ্লাস ৭-এর ছবি ফাঁস হয়েছে।

চলতি বছরের মে বা জুনে উন্মোচনের কথা ছিল; কিন্তু এখনই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইনে।

টুইটারে পোস্ট করা একটি ছবিতে, ওয়ানপ্লাস সিক্স-টির পাশাপাশি ওয়ানপ্লাস ৭-এর দেখা মেলে। দুটি ফোনেরই পেছন দিকটা ঢাকা ছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেইসে। ফোনটির বেজেল ওয়ানপ্লাস সিক্স-টির মতোই সরু। তবে ওয়ানপ্লাস সিক্স-টিতে নচ থাকলেও নতুন ফোনে কোনো নচ দেখা যায়নি। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ফোনটিতে থাকবে স্লাইডার ক্যামেরা।

ওয়ানপ্লাস-৭-এ থাকতে পারে স্ন্যাপড্রাগন ৮৫৫ প্রসেসর। এতে থাকতে পারে ওয়্যারলেস চার্জিংয়ের সুবিধা। বিভিন্ন সংস্করণের র‌্যাম ও রমে পাওয়া যাবে ডিভাইসটি।

গত ১ নভেম্বর থেকে বাজারে বিক্রি শুরু হয় ওয়ানপ্লাস সিক্স-টি। ৬ দশমিক ৪১ ইঞ্চির ফোনটিতে রয়েছে অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ফোনটির পেছনে রয়েছে ২০ ও ১৬ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল রিয়ার ক্যামেরা। সামনে রয়েছে ১৬ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। এতে ব্যবহৃত হয়েছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর। ব্যাকআপ দিতে রয়েছে ৩৭০০ এমএএইচ ব্যাটারি।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সফটওয়্যার পেশাজীবী প্রস্তুতে বৃত্তি দিবে 'পিপল এন টেক'


আরও খবর

টেলিকম

  অনলাইন ডেস্ক

বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ২০০ জনকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বাংলাদেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান 'পিপল এন টেক'র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আবুবকর হানিপ।

মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে বেসিস মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি। 

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রযুক্তি খাতে দক্ষ পেশাজীবী তৈরিতে ১০০ জন অভিবাসন প্রত্যাশী এবং ১০০ জন স্থানীয় প্রকৌশলীকে বৃত্তি প্রদান করা হবে।

আবুবকর হানিপ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে ৫ হাজার বাংলাদেশিকে আমরা এই প্রশিক্ষণ দিয়েছি যাদের মধ্যে অন্তত ৫০০ জন ম্যানেজার লেভেলে চাকরি করছেন। ‘অড জব’ ছেড়ে তারা এখন মাসে ১০ হাজার ডলার বা তার চেয়ে বেশি বেতনে চাকরি করছেন। তারা মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা দেশে পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, এ বছর তার প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রে ১০ লাখ ডলারের বৃত্তি দিয়েছে। এবার বাংলাদেশে বৃত্তি ঘোষণা করা হলো। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ শাখা থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা এখন দেশ বিদেশে ভালো চাকরি করছেন।

আবুবকর হানিপ বলেন, এই বৃত্তির (প্রতিটি) আর্থিক মূল্য ৪ হাজার ডলার। যা আমরা দেশের স্বার্থে বৃত্তি হিসেবে দিয়ে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে বৃত্তি প্রাপ্তদের যোগ্য করে তুলবো।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রযুক্তিখাতের এই বৃত্তিতে আবেদনের যোগ্যতা হিসেবে স্থানীয় পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক অথবা সংশ্লিষ্ট খাতে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আর যারা যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হিসেবে কাজ করতে চান তাদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম উচ্চমাধ্যমিক পাশ। 

আবেদন প্রক্রিয়ার পরে সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে যোগ্যদের বাছাই করে বৃত্তি দেওয়া হবে। চার মাস মেয়াদি সফটওয়্যার টেস্টার ইঞ্জিনিয়ার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

১২ ডিসেম্বর (বুধবার) থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে এই piit.us ঠিকানায়। আবেদন গ্রহণ করা হবে আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এছাড়া ০১৭৯৯৪৪৬৬৫৫ এই নম্বরে ফোন করেও বৃত্তি সম্পর্কে জানা যাবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পিপল এন টেক- এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন, পরিচালক লায়ন মো. ইউসুফ খানসহ অনেকে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি