প্রযুক্তি

পেট্রোল নয়, পানি ভরলেই চলবে গাড়ি

প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০১৯ | আপডেট : ০১ জানুয়ারি ২০১৯

পেট্রোল নয়, পানি ভরলেই চলবে গাড়ি

  অনলাইন ডেস্ক

পেট্রল বা ডিজেল নয়। কেবল পানি ভরলেই চলবে গাড়ি। কোনো সায়েন্সফিকশন সিনেমায় নয়, শিগগিরই বাস্তবে এমনটা ঘটবে। অ্যালুমিনিয়াম-এয়ার, জিঙ্ক এয়ার ব্যাটারিতে চলবে নতুন ধরনের এই গাড়ি।

এই ব্যাটারিগুলো বাতাস থেকে অক্সিজেন নিয়ে ধাতুগুলোর সঙ্গে বিক্রিয়া করে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে। সেই শক্তিতেই চলবে গাড়ি। কোনো কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত হবে না গাড়ি থেকে। এছাড়া প্রতিটি পদার্থই পুনরায় ব্যবহারযোগ্য।

এই গাড়ি এক ব্যাটারিতে টানা ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারবে। তবে ব্যাটারিতে ভরতে হবে পানি, তা থেকেই অক্সিজেন নেবে এটি। আর খানিকটা চলতেও পারবে। পানি ও বাতাস এই গাড়ির ব্যাটারির শক্তির উৎস।

ইজরায়েলের সংস্থা ফিনার্জির সিইও আভিভ জিদান এই আইডিয়ার উদ্ভাবক। তার কাছে এই সং‌ক্রান্ত আরও ১৫টি পেটেন্ট রয়েছে। পজিশনিং সিস্টেম, নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, নেভিগেশন অ্যাকিউরেসি নিয়েও কাজ করেন তিনি।

বিকল্প শক্তির অনুরাগী এই গবেষক মেটাল-এয়ার টেকনোলজির সাহায্য নিয়েছেন। ইজরায়েলের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক আরিয়ে জাবানের গবেষণাগারে এই জিরো এমিশন-হাই ডেনসিটি সিস্টেমের ব্যাটারি তৈরি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

‘টেন ইয়ার চ্যালেঞ্জ’ নিয়ে বিতর্ক


আরও খবর

প্রযুক্তি

  অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে এখন চলছে ‘টেন ইয়ার চ্যালেঞ্জ’ ট্রেন্ড। দশ বছর আগের ছবির সঙ্গে সদ্য তোলা ছবি কোলাজ করে পোস্ট করছেন ব্যবহারকারীরা। 

প্রথমদিকে ব্যবহারকারীরা খুবই সহজভাবে নেন নতুন এ ট্রেন্ডকে। কিন্তু এটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হতে সময় লাগেনি। 

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলেন, ব্যবসায়িক লাভের গোপন উদ্দেশ্য নিয়ে এই ট্রেন্ড চালু করেছে ফেসবুক। ফেসবুক তার নিজস্ব ফেশিয়াল রিকগনিশন অ্যালগরিদম উন্নত করার জন্য এটি চালু করেছে। এসব ছবি থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করছে প্রতিষ্ঠানটি। 

তবে ফেসবুক বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এক বিবৃতিতে ফেসবুক বলেছে, এ চ্যালেঞ্জ শুরু করার ক্ষেত্রে তারা কোনো ভূমিকা রাখেনি এবং এ থেকে তারা কোনো সুবিধা দেখছে না।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই ছবির চ্যালেঞ্জ ফেসবুককে তাদের মেশিন লার্নিং উন্নত করার পূর্ণাঙ্গ সুযোগ দিচ্ছে। ‘টেন ইয়ার চ্যালেঞ্জ’ এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাশাপাশি দুটি ছবি পেয়ে যাচ্ছে ফেসবুক। দুই ছবির পরিবর্তনের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে পরবর্তীতে ব্যবহারকারী 

ফেসবুকে কোনো ছবি আপলোড করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ধরতে পারবে ফেসবুক।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

বিআইজেএফ নির্বাচনে ৯ পদে ৯ প্রার্থী


আরও খবর

প্রযুক্তি

  অনলাইন ডেস্ক

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) ২০১৯-২০২০ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে ৯ পদে প্রার্থী সংখ্যা ছিল ১২ জন।

তবে গত বুধবার রাজধানীর জনতা টাওয়ারের বিআইজেএফ কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়ে ৯ পদের জন্য ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো আগামী ৯ ফ্রেব্রুয়ারি। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ওই ৯ জনই নির্বাচিত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার বিকেল ৫টায় মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল। প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টায়।

তবে এবার সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন মোজাহেদুল ইসলাম ও রাহিতুল ইসলাম রুয়েল। বুধবার দুপুরে বিআইজেএফ সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে রাহিতুল ইসলাম রুয়েল নির্বাহী সদস্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছিলেন সাব্বিন হাসান ও হাসান জাকির। পরে সাব্বিন হাসান তার মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

৯ পদে ৯ জন প্রার্থী যারা হলেন: সভাপতি, মোজাহেদুল ইসলাম (ইত্তেফাক), সহ-সভাপতি, নাজনীন নাহার (টেক ওয়ার্ল্ড), হাসান জাকির (সমকাল), যুগ্ম সম্পাদক পদে মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ (আলোকিত বাংলাদেশ), গবেষণা সম্পাদক পদে জান্নাতুল ইসলাম রাহাদ (ডেইলি সান), কোষাধ্যক্ষ পদে মো. এনামুল করিম (ডিজিটাল সময়), সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হাসিব রহমান (খোলা কাগজ), নির্বাহী সদস্য পদে মিজানুর রহমান সোহেল (যুগান্তর) ও রাহিতুল ইসলাম রুয়েল (কমপিউটার জগৎ)।

পরের
খবর

২২৬ আইডি পেজ শনাক্ত


আরও খবর

প্রযুক্তি

ফেসবুকে গুজব

২২৬ আইডি পেজ শনাক্ত

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বিশেষ প্রতিনিধি

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক মন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনায় ২২৬টি আইডি, পেজ এবং ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়েছে। যারা এসব আইডি নিয়ন্ত্রণ করছেন তাদের নজরদারিতে রেখেছে সিআইডির সাইবার মনিটরিং টিম। কয়েকজন যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন সে জন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে যাদের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৬টি মামলা করা হয়েছে।

সিআইডির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সৌদি আরব প্রবাসী সুমন সরদার (২৫)  নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের সদরপুরের ঢেউখালী। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত আসার সময় তাকে গ্রেফতার করতে ইমিগ্রেশনের পুলিশ সুপারকে চিঠি দিয়েছে সিআইডি। এ ছাড়া তুহিন শেখ নামে এক ব্যক্তি 'শেখ তুহিন' নামে ফেসবুক আইডি থেকে গুজব ছড়ান। এরই মধ্যে সিআইডি তাকে গ্রেফতার  করেছে। গ্রেফতারের পর নিজের দায় স্বীকার করে তুহিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। আরও যেসব আইডি থেকে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে তা হলো- সুমন আহমেদ চৌধুরী, ওয়াহেদুল ইসলাম, মো. জাহান, জামিল হাসান আজাদ পিয়াস, লক্ষ্মীপুরের রামগতির মৃত গোলাম সোবহানের ছেলে আব্দুর রহমান, নরসিংদীর শিবপুরের সাঈদ খানের ছেলে মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মুসাফির পথিক, হাসান মাহমুদ, গোলাম নবিউল, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, আমি আওয়ামী লীগের ডাক্তার, রুবেল আহমেদ, দাদা ভাই, বিএনপি ব্রেকিং নিউজ২৪, মোখলেছুর রহমান ভূঁইয়া, সুমন আহসান, সঞ্জীব আনোয়ার, থলের বিড়াল, নারায়ণগঞ্জের জামতলার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মঈনুল হাসান আনিস, কিশোরগঞ্জের ভৈরবের নান্দু আহমেদ, নওয়াব, মিনার আহমেদ, আনোয়ার পারভেজ পাভেল, ফারিয়া সুলতানা পলি, হারুন অর রশিদ, রাকিব হুসাইন, রনি সভাপতি, আমি নেতা হবো, নূর আলম রিপন, আব্দুল্লাহ ইউসুফ শামীম ও চৌধুরী আনিস।

সিআইডির দায়িত্বশীল সূত্র আরও জানায়, গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানোর ঘটনায় ৩৭ ফেসবুক আইডি শনাক্তের পাশাপাশি ৬৫টি ফেসবুক পেজ, ৬৩টি ভুঁইফোঁড় নিউজ ওয়েবসাইট, ৫টি ইউটিউব চ্যানেল, একটি ব্লগ ও ২টি ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি ফেসবুক আইডি ও ১১টি পেজ বন্ধ করে দিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে সিআইডি।

জানা যায়, এসব ফেসবুক আইডি থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সম্পর্কে মানহানিকর স্ট্যাটাস দেওয়া হয়।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গুজবে ইন্ধনকারী আইডি ছাড়াও একটি গ্রুপ রয়েছে যারা প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের অনলাইনে গিয়ে বিভিন্ন নিউজে পাঠক মন্তব্যের জায়গায় অশ্নীল ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

সিআইডি বলছে, গুজব ছড়ানোর ঘটনায় এ পর্যন্ত আটজনকে তারা গ্রেফতার করেছে। অন্যদের গ্রেফতার করতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছে। এছাড়া সাইবার টহল জোরদার করা হয়েছে।

সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে এরই মধ্যে সিআইডি সাইবার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে মোট জনবল ৩৪২ জন। বর্তমানে সাইবার সেন্টারে কর্মরত আছেন ৫২ জন। সমাজের বিশিষ্ট নাগরিক ও স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, ওমান, কাতার থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছেন এমন কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে সিআইডি। দেশে বসে যারা গুজব ছড়াচ্ছেন তাদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে তুহিন শেখ, আবদুর রহমানসহ কয়েকজনকে। বিদেশে বসে গুজব রটনাকারীদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিলে এরই মধ্যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই মধ্যে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে কূটনৈতিক চ্যানেলে রাষ্ট্রদূতদের চিঠি দিয়েছে সিআইডি। এছাড়া ন্যাশনাল সেন্টার ব্যুরোর (এনসিবি) মাধ্যমে ইন্টারপোলকে অবহিত করে বিদেশ থেকে কয়েকজন গুজব রটনাকারীকে দেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, গুজব রটনাকারীদের ব্যাপারে অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে সজাগ রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পল্টন, রামপুরাসহ কয়েকটি থানায় এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গুজব রটনাকারীরা দেশ-বিদেশে যেখানে থাকুন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর