প্রযুক্তি

উইকিপিডিয়ার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেরা ১৫-এ দেশের তিন আলোকচিত্র

প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮

উইকিপিডিয়ার আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সেরা ১৫-এ দেশের তিন আলোকচিত্র

প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছে আব্দুল মুমিনের তোলা সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ছবিটি।

  অনলাইন ডেস্ক

মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়া আয়োজিত সংরক্ষিত অঞ্চল ও এর জীববৈচিত্রের ছবি নিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘উইকি লাভস আর্থ (ডব্লিউএলই)’ এর চূড়ান্ত বিজয়ী তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের তিনটি ছবি। 

চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী সেরা ১৫টি ছবির মধ্যে বাংলাদেশের আব্দুল মুমিনের তোলা সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের একটি ছবি তৃতীয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে তার তোলা বন বাটনের অপর একটি ছবি অষ্টম এবং শাহেনশাহ বাপ্পির তোলা কাঠ শালিকের একটি ছবি ১২তম স্থান লাভ করেছে। 

প্রতিযোগিতায় অষ্টম হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে আব্দুল মুমিনের তোলা বন বাটনের ছবিটি

রাশিয়ার একাতেরিনা ভাসেজিনার তোলা সাখালিন দ্বীপের ছবি ও ইলায়া তিমিনের তোলা রাশিয়ান আর্কটিক জাতীয় উদ্যানের ছবি যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছে। চলতি বছর এ প্রতিযোগিতায় ৩২টি দেশের ৭ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী প্রায় ৯০ হাজার ছবি নিয়ে অংশগ্রহণ করে। 

সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতায় চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। এবার প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পর্বে ৩৭১ জন অংশগ্রহণকারী ২৮০০ ছবি জমা দেন। সেখান থেকে বিজয়ী সেরা ১০টি ছবি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য পাঠানো হয়। 

প্রতিযোগিতায় ১২তম স্থান লাভ করেছে শাহেনশাহ বাপ্পির তোলা কাঠ শালিকের ছবিটি

প্রতিযোগিতার আন্তর্জাতিক সমন্বয়ক নাহিদ সুলতান বলেন, প্রতিযোগিতাটি বিভিন্ন দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উইকিপিডিয়ার মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরার একটি মঞ্চ হিসেবেও কাজ করে। ২০১৭ সালের প্রতিযোগিতায় আমাদের একটি ছবি ১১তম স্থান লাভ করেছিল। এ বছর একইসাথে ৩টি ছবি এমন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্থান করে নেওয়া অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে এ প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়। আন্তর্জাতিক এ আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা প্রতিবছর মে মাসে বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলো স্ব-স্ব সংরক্ষিত অঞ্চলের ছবি নিয়ে অংশগ্রহণ করে। এ বছর প্রতিযোগিতার সহযোগী হিসেবে ছিল ইউনেস্কোর বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ নেটওয়ার্ক।

মন্তব্য


অন্যান্য