প্রযুক্তি

ভুয়া নিবন্ধিত সিম যাচ্ছে জঙ্গি-অপরাধীদের হাতে

শনাক্তে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ, ফেঁসে যাচ্ছে নিরীহ লোকজন

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভুয়া নিবন্ধিত সিম যাচ্ছে জঙ্গি-অপরাধীদের হাতে

  আবদুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরের অনেক দোকানে বিক্রি হচ্ছে ভুয়া নিবন্ধিত সিম। এসব সিমের অধিকাংশই চলে যাচ্ছে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সদস্য, মাদক ব্যবসায়ীসহ ভয়ঙ্কর অপরাধীদের হাতে। ফলে তাদের ওপর নজরদারি ও গ্রেফতারে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। অন্যদিকে যাদের নামে নিবন্ধিত হচ্ছে এসব সিম, তারা পড়ছেন বিপাকে। গত ১ অক্টোবর নগরের রিয়াজউদ্দিন বাজারে চালিত অভিযানে শুধু একটি দোকান থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে ৫০০ সচল সিম, যা বিভিন্ন লোকের নামে নিবন্ধিত। বিষয়টি পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার খুঁজে পাচ্ছেন না তারা। বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েই দায় সারছে পুলিশ।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, 'ভুয়া নিবন্ধিত বিভিন্ন মোবাইল ফোন অপারেটরের সিম ব্যবহার করে জঙ্গি কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধ করছে লোকজন। অপরাধ অনুসন্ধানে নেমে মূল আসামিদের শনাক্তে বেগ পেতে হয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে। তাই ভুয়া নিবন্ধন বন্ধে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। কিছু বিক্রেতাকে ধরে এনে মামলা দিলেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।'

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হাজি সাইফুল করিম। তার মুঠোফোনের সিমটি নিবন্ধন রয়েছে টেকনাফের শীলবুনিয়া পাড়ার নুরুল হাসানের নামে। সিমটির নিবন্ধনে ব্যবহার করা হয়েছে তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর। সিমটি মাদকের কারবারে ব্যবহার করে হাজি সাইফুল করিম।

২০১৫ সালের ২ মার্চ নগরের আকবরশাহ থানা এলাকার নিউ মনসুরাবাদ বাগানবাড়ি আবাসিকের এনআর গেটের একটি বাসা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি সদস্য এরশাদ হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার ব্যবহূত সিমটি নিবন্ধিত ছিল আনোয়ারা উপজেলার মালতী নামে এক নারীর নামে। সংগঠনের তহবিল সংগ্রহে ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নগরের সদরঘাট থানার শাহ করপোরেশনে ডাকাতি করে জঙ্গি সদস্যরা। এ সময় গ্রেনেড বিস্টেম্ফারণে রফিক ও রবিউল নামে দুই জঙ্গি সদস্য নিহত হয়। রফিকের মুঠোফোনের সিমটি নিবন্ধিত ছিল চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি এলাকার রাহুলের নামে।

২০১৬ সালের ৩ এপ্রিল রাতে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার জুয়ানপুর গ্রামে জঙ্গিদের ভাড়া করা একটি বাড়িতে বোমা তৈরির সময় বিস্টেম্ফারণে দু'জন নিহত হয়। এদের মধ্যে একজন ছিল জেএমবির চট্টগ্রাম অঞ্চলের সামরিক শাখার প্রধান রাইসুল ইসলাম খান ওরফে ফারদিন। তার ব্যবহার করা সব সিম ছিল বিভিন্ন জনের নামে নিবন্ধিত।

২০১৬ সালের ৭ মার্চ গভীর রাতে ঢাকার খিলগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় জেএমবি কমান্ডার পিয়াস। তার ব্যবহূত সিমটি নিবন্ধিত ছিল চট্টগ্রামের রাউজানের মামুনের নামে। ২০১৭ সালের ৭ মে সাভারের আশুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার জঙ্গি মো. ইমরান হোসেন ওরফে এমরানের ব্যবহূত সিমটি নিবন্ধিত ছিল ঢাকার খিলগাঁও এলাকার আবদুর রবের নামে। এ ছাড়া রশিদ খান ও মিজানুর রহমানের নামে নিবন্ধিত একাধিক সিমও ব্যবহার করে সে। ২০১৭ সালের ১ মে রাজধানীর ভাটারা থানার নর্দ্দা এলাকা থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের 'তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রধান' আশফাক উর রহমান অয়নকে গ্রেফতার করা হয়। তার ব্যবহূত সিমগুলো নিবন্ধিত ছিল রবিউল ও আবদুল্লাহর নামে।

২০১৫ সালের ৬ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার বক্সনগর হক টাওয়ারের দ্বিতীয় তলা থেকে জেএমবি সদস্য মো. সুজন ওরফে বাবুকে গ্রেফতার করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। বায়েজিদ বোস্তামি থানার বাংলাবাজার এলাকার ল্যাংটা মামা ও তার খাদেম আবদুল কাদেরকে গলা কেটে হত্যা করে বাবুসহ কয়েক জঙ্গি সদস্য। বাবু জঙ্গি কর্মকাণ্ডে যে সিমটি ব্যবহার করেছিল, তা নিবন্ধিত ছিল ঝিনাইদহের বাবর আলীর নামে।

চট্টগ্রামের শীর্ষ সিএনজি অটোরিকশা চোর মো. রফিক। চুরির পর সিএনজি অটোরিকশার মালিকদের কাছে এ পর্যন্ত বিভিন্ন অপারেটরের ১৯টি নম্বর ব্যবহার করে চাঁদা চেয়েছে সে। সব সিম বিভিন্ন লোকের নামে নিবন্ধিত হওয়ায় তাকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

২০১৭ সালের ২৫ জুলাই নগরের রিয়াজউদ্দিন বাজারের সিডিএ রয়েল প্লাজার পাঁচটি দোকানে অভিযান চালিয়ে ভুয়া নিবন্ধিত চার হাজার ৩২১টি সচল সিম উদ্ধার করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক আফতাব হোসাইন বলেন, 'বিভিন্ন পর্যায়ে সিম ভুয়া নিবন্ধিত হচ্ছে। যখন কোনো ক্রেতা সিম কিনতে যান, তখন নিবন্ধনের সময় একাধিক সিম নিবন্ধন করে ফেলেন বিক্রেতা। এর পর তাকে একটি সিম দিয়ে বাকিগুলো বিভিন্ন অপরাধীর কাছে বেশি দামে বিক্রি করে তারা। এ ছাড়া ক্রেতারা মোবাইল সিম কিনতে গেলে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরগুলো কোনো একটি চক্র সংরক্ষণ করছে। এসব নম্বর ব্যবহার করে ভুয়া নিবন্ধনের মাধ্যমে সচল সিম বাজারে ছাড়া হচ্ছে। আর এসব সিম ব্যবহার করে অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা। এতে অনেক সময় নিরীহ লোকজন বিপাকে পড়ছে।'


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

গুগলের ডুডলে জাতীয় শিশু দিবস


আরও খবর

প্রযুক্তি

জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গুগলের ডুডল

  অনলাইন ডেস্ক

গুগলের ডুডলে এবার জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় শিশু দিবস।

রোববার বাংলাদেশ থেকে গুগলের হোম পেজ 'গুগল ডটকম' বা 'গুগল ডটকম ডটবিডি' ভিজিট করলেই দেখা যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ডুডলটি।

শিশু দিবসের বিশেষ এই ডুডল শিশুদের নিয়েই সাজিয়েছে গুগল। এতে প্রাকৃতিক পরিবেশে গাছপালার মাঝে শিশুদের বইপড়ার, খেলা করার ও উল্লাসে মেতে ওঠার দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

'চিলড্রেন'স ডে ২০১৯' শিরোনামের ডুডলটিতে ক্লিক করলে জাতীয় শিশু দিবস সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মিদন ১৭ মার্চ। ২০০৯ সাল থেকে এই দিনে বাংলাদেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় শিশু দিবস।

এর আগে সর্বশেষ গত ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশেষ ডুডলে হোমপেজ সাজায় সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগল।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ফেসবুকে বিভ্রাট


আরও খবর

প্রযুক্তি
ফেসবুকে বিভ্রাট

প্রকাশ : ১৪ মার্চ ২০১৯

  অনলাইন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ সময় বুধবার রাত ১০টা থেকে থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবহারকারী এই সমস্যায় পড়েছেন বলে বিবিসি জানিয়েছে।

জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লগইন করা গেলেও কোনও কিছু শেয়ার করা যাচ্ছে না; লোডিংও হচ্ছে না, তবে ম্যাসেঞ্জারে ছবি বা ভিডিও ছাড়া ম্যাসেজ পাঠানো যাচ্ছে।

একই সঙ্গে ফেসবুকের মালিকানাধীন জনপ্রিয় অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারেও বিভ্রাট তৈরি হয়েছে।

কী কারণে ফেসবুকে এই বিভ্রাট দেখা দিয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয়।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, 'কিছু কিছু ব্যবহারকারী ফেসবুক ও আমাদের অন্য অ্যাপ ব্যবহারে সমস্যায় পড়েছেন বলে আমরা অবগত আছি। যতদ্রুত সম্ভব সমস্যাটি সমাধানে কাজ চলছে।'

ফেসবুকে কোনও সাইবার আক্রমণের ঘটনা ঘটেনি বলেও জানিয়েছে তারা।

এদিকে ইনস্টাগ্রামের পক্ষ থেকে এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, ইনস্টাগ্রামে ঢুকতে সমস্যা হচ্ছে। আমরা অবগত রয়েছি। সমস্যা দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

এর আগে ২০১৫ সালে ৫০ মিনিট বন্ধ ছিল ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম। ২০১০ সালে আড়াই ঘণ্টা বন্ধ ছিল ফেসবুক। তবে এবার ফেসবুকের ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে বিভ্রাট স্থায়ী হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

১২ মের মধ্যে দেশের সব টিভি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটে: তথ্যমন্ত্রী


আরও খবর

প্রযুক্তি

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ- ফাইল ছবি

  সমকাল প্রতিবেদক

আগামী ১২ মের মধ্যে দেশের সব টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচারে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষ প্রথম তিন মাস বিনামূল্যে সেবা দেবে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে সেবার দাম নির্ধারণ করা হবে। পাশাপাশি আগামী ১ এপ্রিলের মধ্যে বিদেশি চ্যানেলে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ না করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার সচিবালয়ে টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকোর সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এমপি, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, বাংলাদেশ কমিউনিকেশন্স স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএসসিএল) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ, মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও অ্যাটকোর সদস্য অঞ্জন চৌধুরী, এশিয়ান টিভির চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, ডিবিসি নিউজের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবুসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ১২ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের এক বছর পূর্তি হবে। ওইদিন বাংলাদেশের সব টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে করা হবে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষ তিন মাস বিনামূল্যে সেবা দেবে। স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষ ওইদিন ফাইবার অপটিক কেবলের মাধ্যমে গাজীপুরের সজীব ওয়াজেদ গ্রাউন্ড স্টেশনে নিয়ে যাবে। সেখান থেকে আপলিঙ্ক ও ডাউনলিঙ্ক করা হবে। সে জন্য স্যাটেলাইট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পাবলিক নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশি বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এটা ভারত, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপেও দণ্ডনীয় অপরাধ। ইতিমধ্যে কেবল অপারেটরদের সতর্ক করা হয়েছে। ১ এপ্রিলের পর থেকে কেউ এ আইন ভঙ্গ করলে সরকার ব্যবস্থা নেবে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে ৪৪টি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি বা এর চেয়ে বেশি সম্প্রচারে রয়েছে। ৪৪টির বাইরে টেলিভিশন চ্যানেল নামে যেগুলো করা হয়, সেগুলো সব অননুমোদিত।

একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু সাংবাদিকদের বলেন, টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিজ্ঞাপনের বাজার ছোট। তারপরও বিজ্ঞাপন যতটুকু ছিল তার একটা বড় অংশ বিদেশে পাচার হচ্ছে। আরেকটা বড় অংশ ডিজিটাল মিডিয়ায় অবৈধভাবে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এগুলো বন্ধের ব্যাপারে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রীর কাছ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গেছে।