প্রযুক্তি

ফেসবুকে ভিডিও পোস্টে আয়ের সুযোগ চালু

প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফেসবুকে ভিডিও পোস্টে আয়ের সুযোগ চালু

  হাসান জাকির

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য আয়ের সুযোগ উন্মোচিত করেছে। এখন থেকে ফেসবুক পেজে মানসম্মত ভিডিও পোস্ট করে অর্থ আয় করতে পারবেন ব্যবহারকারী ও সৃজনশীল নির্মাতারা। গতকাল বুধবার ফেসবুকের নিজস্ব সাইটে এক ব্লগ পোস্টে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সুবিধা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়। মূলত ফেসবুক পেজে ভিডিও পোস্টে বিজ্ঞাপন দেখানোর ফিচার 'অ্যাড ব্রেকস' চালুর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আয়ের সুযোগ পাবেন। যেসব ভিডিও ফেসবুকের শর্ত পূরণ করতে পারবে, শুধু ওইসব ভিডিওতে অ্যাড ব্রেকস ফিচার যোগ করা যাবে। অ্যাড ব্রেকস চালু হলে ইউটিউব ও গুগলের মতোই ভিডিও চলাকালে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে। আর এ বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে ফেসবুকের আয়ের একটি অংশ পাবেন সংশ্নিষ্ট ব্যবহারকারী।

তবে ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নয়; কেবল পেজ থেকে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। ফেসবুক পেজ থেকে আয়ের যোগ্য হতে হলে নূ্যনতম ১০ হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে। পেজে বিগত ৬০ দিনে নূ্যনতম তিন মিনিট দৈর্ঘ্যের এমন একটি ভিডিও থাকতে হবে, যা কমপক্ষে ৩০ হাজার ভিউ হয়েছে এবং প্রত্যেকে অন্তত এক মিনিট সময় নিয়ে ভিডিওটি দেখেছেন। এসব শর্ত পূরণ হলেই কেবল ভিডিওটিতে বিজ্ঞাপন বসিয়ে আয় করা যাবে।

বাংলার পাশাপাশি বিশ্বের আরও নয়টি ভাষায় সুবিধাটি চালু করেছে তারা। ভাষাগুলো হচ্ছে- আরবি, ইংরেজি, ফ্রেন্স, জার্মান, মালয়, পর্তুগিজ, স্প্যানিশ, তাগালগ ও থাই। ফেসবুক জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৩২টি দেশ প্রাথমিকভাবে এ সুবিধার আওতায় এসেছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ আরও কয়েকটি দেশে এ সুবিধা চালু হবে।

ফেসবুক জানিয়েছে, বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা ফেসবুকে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় ভিডিও আপলোড করতে পারবেন। প্রকাশক ও নির্মাতারা যখন অ্যাড ব্রেকসের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, সেই মুহূর্তেই তাদের আপলোড করা ভিডিওতে অ্যাড চালু করা যাবে। এ ছাড়াও যোগ্য হওয়ার পর ফেসবুক পেজগুলোতে একসঙ্গে একাধিক ভিডিও আপলোড করে ভিউ বাড়িয়ে বেশি আয় করতে পারবেন।

'অ্যাড ব্রেকস' যোগ্যতা অর্জন ও ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায্য অর্থ উপার্জন নির্ভর করবে কনটেন্টের ওপর। অ্যাড ব্রেকস সুবিধা যাচাই করতে ভন.সব/লড়রহধফনৎবধশং, ঈৎবধঃড়ৎ ঝঃঁফরড় ঠিকানায় ঢুঁ মারতে পারেন। এখানে রয়েছে ফেসবুকের যোগ্য প্রকাশক ও নির্মাতাদের অ্যাড ব্রেকের মাধ্যমে আয় নিশ্চিত করতে প্রাথমিক গাইডলাইন।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ভাষা হিসেবে বাংলাভাষীদের জন্য নতুন এ ফিচার চালু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ফেসবুক ব্যবহারকারী ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। এ সম্পর্কে সফল ফ্রিল্যান্সার ও ইন্টারনেট মার্কেটার আল আমীন কবির সমকালকে বলেন, বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল ভিডিও নির্মাতাদের আয়ের উৎস ছিল ইউটিউব। লাখো তরুণ ইউটিউবের জন?্য ভিডিও তৈরি করেই আয় করছেন হাজার হাজার ডলার। ফেসবুক ভিডিও মোনেটাইজেশন চালু করায় এসব নির্মাতার জন?্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশে ইউটিউবের চেয়ে ফেসবুকের ব?্যবহারকারী বেশি হওয়ায় আমাদের সৃজনশীল নির্মাতারা এখন আর্থিকভাবে বেশি লাভবান হবেন।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় সাড়ে ৯ কোটি


আরও খবর

প্রযুক্তি

ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

   সমকাল প্রতিবেদক

ডাক, টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ৯ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোট জনসংখ্যাকেও ছাড়িয়ে যাবে।

রোববার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের সেরা ২৫ জন প্রশিক্ষণার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। এ ছাড়া সারাদেশে শেখ রাসেল ল্যাব কর্তৃপক্ষের মধ্যে এক হাজার ৩০০ ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্প শিক্ষিত বেকারদের জন্য বেকারত্ব দূরীকরণে অনন্য ভূমিকা রাখছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার পাঠপুস্তকে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়টি বাধ্যতামূলক করাতে প্রযুক্তিগতভাবে বাংলাদেশ আরও একধাপ এগিয়ে গেছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নিচে। এ জনসংখ্যাকে প্রযুক্তির সঙ্গে খাপখাইয়ে মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে বিশ্বে টিকে থাকতে বর্তমান সরকার 'রূপরেখা-২১' হাতে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় মেগা প্রকল্প বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রযুক্তির উন্নয়নে ২০১৯ সালের মধ্যে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নকে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ডের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্রিল্যান্সিংয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে।

তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সচিব জুয়েনা আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব শ্যামসুন্দর শিকদার, আইসিটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম খাইরুল আলম প্রমুখ।

লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার প্রশিক্ষণার্থী এখন স্বাবলম্বী। প্রতি সেশনে ভর্তি হওয়ার জন্য প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করে বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

ভুয়া খবর চেনার উপায়


আরও খবর

প্রযুক্তি
ভুয়া খবর চেনার উপায়

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

সোশ্যাল মিডিয়া আর স্মার্টফোনের এই যুগে বতর্মানে নতুন শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভুয়া খবর বা ফেক নিউজ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি। যেকোনো আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বস্তুনিষ্ঠ খবরের মাঝে দুই একটা ভুয়া খবর ভাইরাল হওয়া এখন আর নতুন কিছু।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা গণমাধ্যমগুলোতে এই ভুয়া খবর ঠেকানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হোটেল ‘বাংলাদেশের নির্বাচনে ভুয়া খবর প্রতিরোধের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করে বিবিসি বাংলা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে সরকার এরইমধ্যে গুজব শনাক্তকরণ সেল গঠন করলেও ভুয়া খবর ঠেকাতে শুধু আইনের কড়াকড়ি যথেষ্ট নয় বলে সেমিনারে মতামত দেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে তারা সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর জোর দেন।

সেমিনারের শুরুতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া খবর এবং সেগুলো নিয়ে আলোচনা এবং কিভাবে এ ধরনের খবর শনাক্ত করা যায় বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন সময়ের বেশ কয়েকটি ভাইরাল খবরের ওপর আলোকপাত করা হয়। যার অনেক তথ্যই অতিরঞ্জিত হয়ে ভাইরাল হয়েছিল।

যেসব মাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়ায়: 

১. ফেসবুক ২. ইউটিউব ৩. ভুয়া ওয়েবসাইট ও ৪. গণমাধ্যম। এসব মাধ্যমে প্রকাশিত ভুয়া খবরগুলো ব্যবহারকারীদের লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের কারণে ভাইরাল হয়ে যায়। আবার অনেক গণমাধ্যম এসব সামাজিক মাধ্যমের তথ্য যাচাই বাছাই না করেই খবর প্রকাশ করে।

ভুয়া খবর ছড়ানোর কারণ: 

ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ার পেছনে তিনটি কারণকে তুলে ধরা হয়। ১. বিরোধী রাজনৈতিক দলকে কোণঠাসা করা। ২. ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া। ৩. রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল।

ভুয়া খবর শনাক্তের উপায়: 

পাঁচট উপায়ে শনাক্ত করা সম্ভব ভুয়া খবর। ১. কমন-সেন্স ব্যবহার করুন। ২. খবরের কন্টেন্ট বা তথ্য নিয়ে সন্দেহ হলে, প্রতিটি যাচাই করুন। ৩. অনলাইনে সার্চ দিয়ে যাচাই বাছাই করে দেখতে পারেন। ৩. খবরের তথ্যসূত্র বা ছবি/ভিডিওর উৎস বের করুন। ৪. খবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন। সূত্র: বিবিসি বাংলা। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পাঁচটি অ্যাসোসিও অ্যাওয়ার্ড দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে


আরও খবর

প্রযুক্তি

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে অভাবনীয় সাফল্য পৃথিবীর বুকে আমাদের নতুন পরিচয় দিয়েছে। এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠনগুলোর সংস্থা অ্যাসোসিও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে প্রথমবারের মতো সম্মাননা প্রদান করেছে। যা বিশ্বের কাছে তথ্যপ্রযুক্তিতে আমাদের অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করেছে।

বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে জাপানে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাসোসিও ডিজিটাল সামিট ২০১৮’ তে বাংলাদেশের পাঁচটি অ্যাওয়ার্ড অর্জনের সাফল্য শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের কথা উচ্চারিত হলেই চলে আসে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে আধুনিক সব প্রযুক্তির কথা। যুগোপযোগী এইসব প্রযুক্তি সহজলভ্য এবং সবার ব্যবহার করার জন্য সরকারের দূরদর্শীতা প্রশংসার দাবিদার। বিসিএস অ্যাসোসিওর প্রতিনিধিত্ব করা বাংলাদেশের একমাত্র সংগঠন। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অ্যাসোসিও থেকে পাঁচটি অ্যাওয়ার্ড একসঙ্গে অর্জন করেছে। বাংলাদেশের প্রকল্পগুলোকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে বিসিএস এককভাবে কাজ করেছে এবং এই সফল অর্জনে বিসিএস এর অবদান অস্বীকার করার কোন অবকাশ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে ইনফো সরকারের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ বলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এই অর্জন ডিজিটাল বাংলাদেশের সাফল্য প্রমাণ করে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের উল্লেখ্যযোগ্য কর্মসূচি হলো বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে তথা ইউনিয়ন পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড সংযোগ স্থাপনের প্রকল্প ইনফো সরকার প্রকল্প যার মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যন্ত সকল মানুষ ইন্টারনেট সেবা পাবেন এবং সরকারের সকল সেবাসমূহ ই-সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল) ম্যানেজার-১ আসাদ বিন ইউসুফ বলেন, ৫৭ তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় যোগ হয় বাংলাদেশ। আমাদের কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ ইতোমধ্যে অ্যাসোসিও সম্মাননা পেয়েছে।  এর মাধ্যমে স্যাটেলাইটটির গ্রহণযোগ্যতা যেমন বেড়েছে তেমনি জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতাও বেড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিসিএস-এর সহ-সভাপতি ইউসুফ আলী শামীম, পরিচালক শাহিদ-উল মুনীর, আছাব উল্লা খান জুয়েল, মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ৭ নভেম্বর থেকে জাপানে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপি এই সামিটে বিসিএস সভাপতি ইঞ্জি. সুব্রত সরকারের নেতৃত্বে অংশ নেয় ৪০ সদস্যের বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল। অ্যাসোসিও অ্যাওয়ার্ড সেরেমনিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। এছাড়াও সরকারি, বেসরকারি এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে আরো ৪টি আন্তর্জাতিক সম্মাননা বাংলাদেশ অর্জন করে। অ্যাসোসিওর সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘দ্য অ্যাসোসিও অনারারি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বিসিএস এর সাবেক সভাপতি এবং অ্যাসোসিও এর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ এইচ কাফি।