প্রযুক্তি

মশা দিয়েই মশা মারবে গুগল

প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০১৮

মশা দিয়েই মশা মারবে গুগল

  অনলাইন ডেস্ক

মশা ছেড়েই মশার বংশ ধ্বংস করবে গুগলের মূল সংস্থা ‘অ্যালফাবেট’। নির্মূল করবে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার আশঙ্কা। 

যুদ্ধে যেমন সুন্দরী গুপ্তচরদের ফাঁদে ফেলে বিপক্ষের সেনাবাহিনীর গোপন খবরাখবর নেওয়া, তেমনি চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গুর বিষে ভরা ‘রাক্ষুসে’ স্ত্রী মশাদের টেনে আনা হবে গুগলের ‘পছন্দের’ পুরুষ মশাদের তাদের সামনে এগিয়ে দিয়ে। স্বাভাবিক মিলনের প্রলোভন দেখানো হবে।

‘রাক্ষুসে’ স্ত্রী মশাদের তো আর জানা নেই, যে পুরুষ মশাদের ভাল লেগেছে, যাদের সঙ্গে তাদের মিলন হয়েছে, সেই পুরুষ মশাদের শরীরে গুগলের বিজ্ঞানীরা ঢুকিয়ে দিয়েছেন ‘উলবাচিয়া’ প্রজাতির একটি ব্যাকটেরিয়া। যা স্ত্রী মশাদের বন্ধ্যা করে দেয়। ফলে, মিলনের পরেও স্ত্রী মশারা আর ডিম পাড়তে পারবে না। তাই মশার বংশ আর বাড়বে না। মশার বংশ ধ্বংস হতে বেশি সময়ও লাগবে না। ফলে, নির্মূল হবে কোনও এলাকায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ার মতো ‘এডিস ইজিপ্টাই’ প্রজাতির মশাবাহিত ভয়ঙ্কর রোগের জন্ম ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার যাবতীয় সম্ভাবনাও।

মিলনের ফাঁদে ফেলে মশা দিয়ে মশা মারার এই অভিনব পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন গুগলের মূল সংস্থা ‘অ্যালফাবেট’-এরই আরেকটি ইউনিট ‘ভেরিলি লাইফ সায়েন্স’-এর জীববিজ্ঞানীরা। তাদের উদ্ভাবিত পদ্ধতির পরীক্ষানিরীক্ষাও চালিয়েছেন দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেসনো কাউন্টিতে। এই ভাবেই গোটা বিশ্বে মশাবাহিত রোগগুলি নির্মূল করা যাবে বলে বিজ্ঞানীদের আশা।

সংস্থার মুখপাত্র ক্যাথলিন পার্কস বলেন, একটি উঁচু মার্সিডিজ ভ্যান ছুটতে ছুটতে ফ্রেসনো কাউন্টির বিশাল একটি এলাকাজুড়ে একটি টিউব থেকে আশপাশের জঙ্গল ও লোকালয়ে ছড়িয়ে দেয় শরীরে বিশেষ এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া (উলবাচিয়া) পুরে দেওয়া প্রায় ৮০ হাজার পুরুষ মশা। যাদের টানে কাছে এসে গোটা এলাকার মেয়ে মশারা মিলনের পর পুরোপুরি বন্ধ্যা হয়ে গেছে।

গবেষণাগারে নিয়ে গিয়ে ওই পুরুষ মশাগুলোর শরীরে ‘উলবাচিয়া’ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া ঢুকিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। এমনকি, বিশেষ ধরনের একটি টিউব থেকে বের করে তাদের বিষে ভরা মেয়ে মশাদের সঙ্গে ‘যুদ্ধে’ নামানোর আগে লেজার রশ্মি দিয়ে তাদের উপর নজরও রেখেছিলেন বিজ্ঞানীরা। 

তাদের দাবি, এই পদ্ধতিতেই সবচেয়ে সহজে আর সবচেয়ে কম খরচে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিষে ভরা মশাদের বংশ ধ্বংস করা যাবে। সূত্র: আনন্দবাজার। 

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ভুল স্বীকার করে যা বললেন ইউটিউবার সালমান


আরও খবর

প্রযুক্তি

সালমান মুক্তাদির

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ইউটিউবার ও অভিনেতা সালমান মুক্তাদির আজ বুধবার বিকেলে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজের ভুল স্বীকার করেন। ইন্টারনেটে অপ্রাসঙ্গিক ও অশ্লীল ভিডিও আপলোডের অভিযোগে সালমান মুক্তাদিরকে গতকাল মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদ করে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। তার ঠিক পরেরদিনই ফেসবুক লাইভে এসে নিজের বিতর্কিত গান সরিয়ে ফেলা ও সাইবার ক্রাইম বিভাগের বর্তমান কাজের প্রশংসা করেন তিনি। 

 ফেসবুক লাইভে এসে সালমান বলেন, 'আমার একটা গান প্রকাশ হয়েছিল 'অভদ্র প্রেম' শিরোনামে। যেই গানটি বাংলাদেশে পরিপ্রেক্ষিতে খুব বেশি তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি করে। গানটির জন্য সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্ট আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং আমাকে বলে এটা আমাদের দেশের কনটেক্সের বিপরীতে যায়। গানটি আমাকে নামিয়ে ফেলতে বলা হয়। আমি গানটি নামিয়ে দেওয়ার জন্য রাজি হয়েছি এবং নামিয়ে দিয়েছি'।

তিনি আরও বলেন, 'ভিডিওটি কোনোভাবেই আমাদের দেশের জন্য এক্সেপটেবল না। আমি চেষ্টা করবো গানটির ভিডিও আমাদের দেশের উপযোগী করে নির্মাণ করার জন্য। এছাড়া আমাদের নিরাপদ ইন্টারনেটের ডে ক্যাম্পেইন হচ্ছে সেটার সমর্থন করছি। আমি আশাবাদী এই ক্যাম্পেইনের একজন অ্যাম্বাসিডর হতে পারব। আমি সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহন করার জন্য এবং এটাকে সাধুবাদ জানানোর জন্য'।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি 'অভদ্র প্রেম' শিরোনামে একটি মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে 'সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ' চ্যানেলে প্রকাশ করেন সালমান। মিউজিক ভিডিওটি তার প্রকাশের পর থেকেই তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। এতে তার চ্যানেলটি থেকে কমে যায় প্রায় ২ লাখের মতো সাবস্ক্রাইবার। সেই জের ধরে মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিটে তাকে চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পর ছেড়ে দেয়া হয় তাকে। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

গ্রামীণফোনকে এসএমপি ঘোষণায় চাঞ্চল্য


আরও খবর

প্রযুক্তি
গ্রামীণফোনকে এসএমপি ঘোষণায় চাঞ্চল্য

বিদেশি বিনিয়োগে বিরূপ প্রভাবের শঙ্কা

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  রাশেদ মেহেদী

টেলিযোগাযোগ খাতে বিটিআরসির 'সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার (এসএমপি)' ঘোষণা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। টেলিযোগাযোগ খাতে সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়েই বিটিআরসি এসএমপি ঘোষণার মতো শক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনকে কঠোর বিধিনিষেধে বেঁধে ফেলার বিষয়টি টেলিযোগাযোগ খাতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন এ খাতের বিশেষজ্ঞরা।

সমকালের সঙ্গে আলাপে তারা বলেন, এসএমপি ঘোষণার ক্ষেত্রে বিটিআরসির উদ্দেশ্য খুবই ভালো; কিন্তু কার্যপদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ। এ কারণেই বিটিআরসির সিদ্ধান্তের ফলে টেলিযোগাযোগ খাতে বিদেশি বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা প্রবল। তারা আরও বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থায় গবেষণা সেল না থাকায় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বারবারই সমস্যা দেখা যায়। যেমন আরও পাঁচ বছর আগে যখন এমএনপি বা নম্বর না বদলে মোবাইল অপারেটর বদলের সেবা চালুর সঠিক সময় ছিল, তখন বিটিআরসি তা করেনি। সংস্থাটি এখন এমএনপি সেবা চালু করেছে, যা খুব বেশি সাড়া ফেলেনি। সঠিক সময়ে এমএনপি সেবা চালু হলে এখন এসএমপি ঘোষণার মতো জটিল সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হতো না বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এসএমপি কী :সাধারণত বাজারে কোনো কোম্পানি একক আধিপত্য বা 'মনোপলি' সৃষ্টি করে গ্রাহকস্বার্থ ক্ষুণ্ণম্ন এবং বাজারের অন্য কোম্পানির ব্যবসায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাধা সৃষ্টির ক্ষমতা অর্জন করলে সেখানে 'প্রতিযোগিতা আইন' প্রয়োগ করা হয়। উন্নত দেশগুলোতে এ ধরনের প্রতিযোগিতা আইন আছে। বাংলাদেশেও ২০১২ সালে প্রতিযোগিতা আইন প্রণয়ন করা হয় এবং এর আওতায় একটি প্রতিযোগিতা কমিশনও গঠন করা হয়। তবে সেই প্রতিযোগিতা কমিশনের কর্মকাণ্ড কখনোই দৃশ্যমান হয়নি। এই প্রতিযোগিতা আইনের অধীনে আইনগত পদক্ষেপ হিসেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাজারে 'মনোপলি' সৃষ্টির ক্ষমতাসম্পন্ন কোম্পানিকে এসএমপি বা বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী ঘোষণা করতে পারে। এসএমপি ঘোষণার অর্থ হচ্ছে, সংশ্নিষ্ট কোম্পানির একক আধিপত্যের সামনে বিধিনিষেধের লাগাম টেনে দেওয়া।

বাংলাদেশে প্রতিযোগিতা আইনটি গত ছয় বছরে অন্যান্য ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়নি। প্রথমবারের মতো বিটিআরসি টেলিযোগাযোগ খাতে এসএমপি ঘোষণা করে প্রতিযোগিতা আইন প্রয়োগের বাস্তবতাকেই সামনে নিয়ে এসেছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ইউরোপের দেশগুলোতে এসএমপি ঘোষণার নজির থাকলেও দক্ষিণ এশিয়া এবং এশিয়ার অন্য কোনো দেশে এমনটা দেখা যায়নি। ভারতের প্রতিযোগিতা আইনে কোনো কোম্পানি ৫০ শতাংশ মার্কেট শেয়ার অর্জন করলে সেই কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনার বিধান রাখা হয়েছে। তবে সেখানে এখন পর্যন্ত কোনো কোম্পানিকে এসএমপি ঘোষণার নজির নেই।

যে কারণে গ্রামীণফোনকে এসএমপি ঘোষণা :এসএমপি নীতিমালা সম্পর্কে বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, টেলিযোগাযোগ খাতে গ্রাহকস্বার্থ রক্ষা, সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টির জন্যই এটা প্রণয়ন করা হয়েছে। এর আওতায় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। গত সোমবার প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সেই চূড়ান্ত পদক্ষেপই নিয়েছে বিটিআরসি।

সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে বিটিআরসি টেলিযোগাযোগ খাতে সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করায় সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়েছে। দেখা যায়, গ্রামীণফোনের বর্তমানে বাজারে অংশীদারিত্ব ৪৬ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রবির অংশীদারিত্ব ৩০ শতাংশ, বাংলালিংকের ২২ শতাংশ এবং টেলিটকের মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ। গ্রামীণফোন বাজারে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে আছে। এর ফলে বাজারে নানাভাবে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হচ্ছিল। এ ছাড়া শীর্ষ অপারেটর হলেও গ্রামীণফোনের সেবার মান নিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছিল। এ ব্যাপারে গ্রামীণফোনকে বারবার জানানোর পরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। সেবার ক্ষেত্রে গুণগত মান নিশ্চিত করাকে বিটিআরসি অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণেই এ ব্যাপারে ধারাবাহিকভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে সংস্থাটি। এ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এর আগে এমএনপি সেবা চালু এবং বিলের ক্ষেত্রে 'অফনেট-অননেট' ব্যবস্থা তুলে দিয়ে একটি সাধারণ 'মূল্য' নির্ধারণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঘোষণা করা হলো এসএমপি।

বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা :তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার সিনিয়র ফেলো আবু সাঈদ খান সমকালকে বলেন, 'বিটিআরসি যে উদ্দেশ্যে এসএমপি ঘোষণা করেছে, তা ভালো। কিন্তু তাদের কার্যপদ্ধতি ত্রুটিপূর্ণ। এ পদ্ধতি নির্ধারণের আগে এর পরবর্তী প্রভাব কী হবে তা বিবেচনা করেনি বিটিআরসি। গ্রামীণফোন কেন শীর্ষ অপারেটর হয়েছে, তার নেপথ্যের কারণগুলোও সংস্থাটি আমলে নিয়েছে বলে মনে হয় না।'

তিনি বলেন, গ্রামীণফোন রেলওয়ের ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক থেকে অপেক্ষাকৃত অল্প ব্যয়ে সেবা দেওয়ার সুযোগ প্রথম থেকে পেয়েছে এবং তা এখনও অব্যাহত আছে। এসএমপি ঘোষণার পরও তা অব্যাহত থাকবে। অন্য অপারেটররা এই সুবিধা আগেও পায়নি, ভবিষ্যতেও পাবে কি-না, সংশয় আছে। এর ফলে এই এসএমপি ঘোষণা বাজারে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে তা প্রশ্নসাপেক্ষ।

এ ব্যাপারে টেলিযোগাযোগ খাত বিশেষজ্ঞ ও অ্যামটবের সাবেক মহাসচিব টিআইএম নুরুল কবীর সমকালকে বলেন, এসএমপি ঘোষণা টেলিযোগাযোগ খাতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে দুশ্চিন্তা রয়েছে। গ্রামীণফোন শুধু টেলিযোগাযোগ খাতের শীর্ষ অপারেটর নয়, বরং একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগও তাদের। তারা বর্তমানে শেয়ারবাজারে আছে। এ ধরনের একটি কোম্পানি হঠাৎ নিয়ন্ত্রিত হলে টেলিযোগাযোগ খাতে ভবিষ্যতে বিদেশি বিনিয়োগ বড় হুমকিতে পড়বে। বর্তমানে বড় আকারে বেতার তরঙ্গ অবিক্রীত আছে। শীর্ষ অপারেটর বিধিনিষেধে পড়ার কারণে এই বেতার তরঙ্গ বিক্রি করে রাজস্ব আয়ের পথও সংকুচিত হবে। তিনি বলেন, বিটিআরসির একটি গবেষণা সেল থাকা দরকার। তাহলে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হবে। নুরুল কবীরের ধারণা, এসএমপি ঘোষণার ফলে বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কাই বেশি।

পরের
খবর

ষষ্ঠবারের মতো ঢাকায় বসছে উদ্যোক্তা হাট


আরও খবর

প্রযুক্তি

‘উদ্যোক্তা হাট’ সম্পর্কে জানাতে সোমবার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়-সংগৃহীত ছবি

  অনলাইন ডেস্ক

ষষ্ঠবারের মতো রাজধানীতে শুরু হচ্ছে ‘উদ্যোক্তা হাট’ শীর্ষক অনলাইনভিত্তিক নতুন উদ্যোক্তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শনী। 

রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ নম্বরে ওমেন ভলান্টারি অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউভিএ) মিলনায়তনে শুক্রবার থেকে শুরু হবে এ আয়োজন। চলবে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের (বিডিওএসএন) উদ্যোগে এবং ফেসবুকভিত্তিক গ্রুপ ‘চাকরি খুঁজব না চাকরি দেব’ গ্রুপের আয়োজনে তিন দিনের এ প্রদর্শনীতে ৪৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।  

সোমবার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানান আয়োজকরা। 

উদ্যোক্তা হাট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন বিডিওএসএন সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। তিনি বলেন, এবারের হাটে প্রায় ৪৫ জন উদ্যোক্তা তাদের পণ্য ও সেবা নিয়ে অংশ নেবেন। এই আয়োজন থেকে উদ্যোক্তারা তাদের পণ্য ও সেবা নিয়ে দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছাতে পারবে বলে আশা করছি।

আয়োজকরা জানান, আগ্রহীরা প্রদর্শনী থেকে সরাসরি নানা পণ্য ও সেবা কেনার সুযোগ পাবেন। উদ্যোক্তা হাট খোলা থাকবে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। আয়োজনের বিস্তারিত জানা যাবে এই ঠিকানায় (www.uddokta.com.bd)।