প্রযুক্তি

ফেসবুক থাকবে র‌্যাবের কঠোর নজরদারিতে

১২১ কোটি টাকার প্রকল্প কমিশনে

প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফেসবুক থাকবে র‌্যাবের কঠোর নজরদারিতে

  মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন

ফেসবুক, ইউটিউবসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর নজরদারি আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এর জন্য একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ১২১ কোটি টাকা চেয়েছে জননিরাপত্তা বিভাগ। মূলত সংসদ নির্বাচনের সময়ে নজরদারি বাড়ানো হবে। এ জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পর্যবেক্ষণের জন্য ১২১ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে মাত্র চার মাস। নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে প্রকল্পটি চলবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

রাষ্ট্রবিরোধী অপপ্রচার, গুজব, মিথ্যা তথ্য, উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে বলে প্রস্তাবে বলা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন মিডিয়া কনটেন্ট তৈরি করা হবে। এ ছাড়া বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রণয়ন এবং বিভিন্ন রকম যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হবে। তবে প্রকল্পের কোনো ক্রয় কাজ দরপত্রের মাধ্যমে হবে না। প্রকল্প প্রস্তাবে ক্রয় কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মাধ্যমে বিভিন্ন রকম গুজব, বিদ্বেষ ও বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট তদারকির দ্বারা তাৎক্ষণিক সত্য ঘটনাও জনগণের সামনে তুলে ধরে বিভ্রান্তি দূর করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, যেসব ফেসবুক পেজ বা আইডি থেকে বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচার চালানো হবে, সে ব্যাপারে রিপোর্ট করা এবং সেগুলো বন্ধ করার ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

অনুমোদনের জন্য ইতিমধ্যে প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি ফেসবুককেন্দ্রিক কয়েকটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, আন্দোলনকে পুঁজি করে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল ফেসবুক এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক তথ্য প্রচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত  হয়েছিল। একটি বিশেষ গোষ্ঠীর অনুগত থাকা স্বার্থান্বেষী মহল দেশ ও বিদেশ থেকে সমান তালে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করার চেষ্টা চালিয়েছিল। এ ছাড়া এই গোষ্ঠীর সদস্যরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন, সরকারি, বেসরকারি দপ্তরগুলোতে মিথ্যা তথ্য পরিবেশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশকে হেয় করার চেষ্টাও চালিয়েছে। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে হেয় প্রতিপন্নকারী ফেসবুক ও ইউটিউবসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো চিহ্নিত করা গেলেও তাদের ব্যক্তি পরিচয় অনেক সময়ে বের করা সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় রাষ্ট্রবিরোধী অপশক্তিকে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তারা বলেন, গুজব ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করার পাশাপাশি বিদেশেও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হচ্ছে। যার ফলে উন্নয়ন সহযোগী রাষ্ট্র, বিদেশি প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি জনগণের মাঝে দেশ সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা যাচ্ছে। এটি বন্ধ করতে প্রকল্পটি নিয়ে এসেছে র‌্যাব। প্রকল্পটির ওপর আজ মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হবে। পিইসি সভায় প্রাথমিক অনুমোদনের পর চলতি মাসের মধ্যে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উত্থাপন করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

প্রকল্প প্রস্তাবের ওপর তৈরি করা এক প্রতিবেদনে পরিকল্পনা কমিশন বলছে, প্রকল্পটির মেয়াদ মাত্র চার মাস। এ স্বল্প সময়ে প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে কি-না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে। কর্মকর্তারা আরও জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে ১২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন হবে। মধ্য মেয়াদি বাজেট কাঠামোর (এমটিবিএফ) আওতায় প্রকল্পটির অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হবে কি-না সে বিষয়টি এখনও নিশ্চত নয়। এক্ষেত্রে সংস্থার অন্য কোনো প্রকল্প থেকে অর্থ নিয়ে এসে এখানে ব্যবহার করা হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ভুয়া খবর চেনার উপায়


আরও খবর

প্রযুক্তি
ভুয়া খবর চেনার উপায়

প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০১৮

  অনলাইন ডেস্ক

সোশ্যাল মিডিয়া আর স্মার্টফোনের এই যুগে বতর্মানে নতুন শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভুয়া খবর বা ফেক নিউজ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি। যেকোনো আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বস্তুনিষ্ঠ খবরের মাঝে দুই একটা ভুয়া খবর ভাইরাল হওয়া এখন আর নতুন কিছু।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা গণমাধ্যমগুলোতে এই ভুয়া খবর ঠেকানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হোটেল ‘বাংলাদেশের নির্বাচনে ভুয়া খবর প্রতিরোধের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করে বিবিসি বাংলা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে সরকার এরইমধ্যে গুজব শনাক্তকরণ সেল গঠন করলেও ভুয়া খবর ঠেকাতে শুধু আইনের কড়াকড়ি যথেষ্ট নয় বলে সেমিনারে মতামত দেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে তারা সামাজিক গণমাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর জোর দেন।

সেমিনারের শুরুতে বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া খবর এবং সেগুলো নিয়ে আলোচনা এবং কিভাবে এ ধরনের খবর শনাক্ত করা যায় বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন সময়ের বেশ কয়েকটি ভাইরাল খবরের ওপর আলোকপাত করা হয়। যার অনেক তথ্যই অতিরঞ্জিত হয়ে ভাইরাল হয়েছিল।

যেসব মাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়ায়: 

১. ফেসবুক ২. ইউটিউব ৩. ভুয়া ওয়েবসাইট ও ৪. গণমাধ্যম। এসব মাধ্যমে প্রকাশিত ভুয়া খবরগুলো ব্যবহারকারীদের লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের কারণে ভাইরাল হয়ে যায়। আবার অনেক গণমাধ্যম এসব সামাজিক মাধ্যমের তথ্য যাচাই বাছাই না করেই খবর প্রকাশ করে।

ভুয়া খবর ছড়ানোর কারণ: 

ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ার পেছনে তিনটি কারণকে তুলে ধরা হয়। ১. বিরোধী রাজনৈতিক দলকে কোণঠাসা করা। ২. ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়া। ৩. রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল।

ভুয়া খবর শনাক্তের উপায়: 

পাঁচট উপায়ে শনাক্ত করা সম্ভব ভুয়া খবর। ১. কমন-সেন্স ব্যবহার করুন। ২. খবরের কন্টেন্ট বা তথ্য নিয়ে সন্দেহ হলে, প্রতিটি যাচাই করুন। ৩. অনলাইনে সার্চ দিয়ে যাচাই বাছাই করে দেখতে পারেন। ৩. খবরের তথ্যসূত্র বা ছবি/ভিডিওর উৎস বের করুন। ৪. খবরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সরাসরি কথা বলুন। সূত্র: বিবিসি বাংলা। 

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

পাঁচটি অ্যাসোসিও অ্যাওয়ার্ড দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে


আরও খবর

প্রযুক্তি

  অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার বলেছেন, তথ্যপ্রযুক্তিতে অভাবনীয় সাফল্য পৃথিবীর বুকে আমাদের নতুন পরিচয় দিয়েছে। এশিয়া-ওশেনিয়া অঞ্চলের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠনগুলোর সংস্থা অ্যাসোসিও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে প্রথমবারের মতো সম্মাননা প্রদান করেছে। যা বিশ্বের কাছে তথ্যপ্রযুক্তিতে আমাদের অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করেছে।

বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে জাপানে অনুষ্ঠিত ‘অ্যাসোসিও ডিজিটাল সামিট ২০১৮’ তে বাংলাদেশের পাঁচটি অ্যাওয়ার্ড অর্জনের সাফল্য শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এর সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের কথা উচ্চারিত হলেই চলে আসে সরকারি এবং বেসরকারি পর্যায়ে আধুনিক সব প্রযুক্তির কথা। যুগোপযোগী এইসব প্রযুক্তি সহজলভ্য এবং সবার ব্যবহার করার জন্য সরকারের দূরদর্শীতা প্রশংসার দাবিদার। বিসিএস অ্যাসোসিওর প্রতিনিধিত্ব করা বাংলাদেশের একমাত্র সংগঠন। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ অ্যাসোসিও থেকে পাঁচটি অ্যাওয়ার্ড একসঙ্গে অর্জন করেছে। বাংলাদেশের প্রকল্পগুলোকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে বিসিএস এককভাবে কাজ করেছে এবং এই সফল অর্জনে বিসিএস এর অবদান অস্বীকার করার কোন অবকাশ নেই।

সংবাদ সম্মেলনে ইনফো সরকারের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ বলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এই অর্জন ডিজিটাল বাংলাদেশের সাফল্য প্রমাণ করে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের উল্লেখ্যযোগ্য কর্মসূচি হলো বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে তথা ইউনিয়ন পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড সংযোগ স্থাপনের প্রকল্প ইনফো সরকার প্রকল্প যার মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যন্ত সকল মানুষ ইন্টারনেট সেবা পাবেন এবং সরকারের সকল সেবাসমূহ ই-সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন।

বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএসসিএল) ম্যানেজার-১ আসাদ বিন ইউসুফ বলেন, ৫৭ তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় যোগ হয় বাংলাদেশ। আমাদের কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ ইতোমধ্যে অ্যাসোসিও সম্মাননা পেয়েছে।  এর মাধ্যমে স্যাটেলাইটটির গ্রহণযোগ্যতা যেমন বেড়েছে তেমনি জনগণের কাছে সরকারের দায়বদ্ধতাও বেড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিসিএস-এর সহ-সভাপতি ইউসুফ আলী শামীম, পরিচালক শাহিদ-উল মুনীর, আছাব উল্লা খান জুয়েল, মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ৭ নভেম্বর থেকে জাপানে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপি এই সামিটে বিসিএস সভাপতি ইঞ্জি. সুব্রত সরকারের নেতৃত্বে অংশ নেয় ৪০ সদস্যের বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল। অ্যাসোসিও অ্যাওয়ার্ড সেরেমনিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক সম্মাননা অর্জন করে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। এছাড়াও সরকারি, বেসরকারি এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে আরো ৪টি আন্তর্জাতিক সম্মাননা বাংলাদেশ অর্জন করে। অ্যাসোসিওর সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘দ্য অ্যাসোসিও অনারারি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বিসিএস এর সাবেক সভাপতি এবং অ্যাসোসিও এর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ এইচ কাফি।

পরের
খবর

আন্তর্জাতিক ডাটা সেন্টার সম্মেলন শুরু বৃহস্পতিবার


আরও খবর

প্রযুক্তি

  সমকাল প্রতিবেদক

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে আরও এগিয়ে নিতে তৃতীয়বারের মতো ডাটা সেন্টার টেকনোলজিস সম্মেলন শুরু হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার। দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) কমপ্লেক্সে। 

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ডিসিআইকন এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব তথ্য জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিসিআইকনের সিইও মাসুদ পারভেজ বলেন, দেশের শিক্ষিত শ্রেণিকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে উৎসাহিত করার মাধ্যমে সময়োচিত ও প্রাসঙ্গিক কারিগরি শিক্ষা দিয়ে এ খাতকে আরও বেগবান করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। যদি তাদের সঠিকভাবে গড়ে তোলা যায়, তবে আগামীতে তথ্যপ্রযুক্তির এই ডাটা সেন্টার খাতটি আরও সমৃদ্ধ হবে। এর মাধ্যমে দেশেই সৃষ্টি হবে আন্তর্জাতিক মানের প্রকৌশলী। তাদের মাধ্যমেই দেশ অর্থনৈতিক ও কারিগরি ক্ষেত্রে আরও লাভবান হতে পারবে। 

এ সময় মাসুদ পারভেজ আরও জানান, অদক্ষ ও অনগ্রসর কারিগরি সঞ্চালক নিয়োগ ও বিদ্যুৎ খাতকে যুগোপযোগী করে ব্যবহার করতে না পারায় ডাটা সেন্টারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সবার সহযোগিতা চান তিনি। 

মাসুদ পারভেজ জানান, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এ দু'দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে। পাশাপাশি এ সম্মেলনে তথ্যপ্রযুক্তিগত জ্ঞান বিতরণ করবেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, ইতালি, ভারত, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের আইটি বিশেষজ্ঞরা। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি বিশেষজ্ঞরাও নিজেদের অভিজ্ঞতা ও চিন্তাভাবনা বিনিময় করবেন।