প্রযুক্তি

যন্ত্র জানাবে অজ্ঞাত লাশের পরিচয়

 পুলিশে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০১৮ | আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৮ | প্রিন্ট সংস্করণ

যন্ত্র জানাবে অজ্ঞাত লাশের পরিচয়

  ইন্দ্রজিৎ সরকার

মহাখালীর আইসিডিডিআর'বি হাসপাতাল এলাকায় মুমূর্ষু অবস্থায় পড়েছিলেন এক বৃদ্ধ। বনানী থানা পুলিশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় তাকে। সেখানে গত ১৬ অক্টোবর মৃত্যু হয় তার। এ পর্যন্ত নাম-পরিচয় কিছুই জানা যায়নি। ফলে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের প্রস্তুতি চলছিল লাশটি। এর মধ্যে 'ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার মেশিন' দিয়ে তার আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়। মুহূর্তেই জানা যায় তার পরিচয়- নাম আবদুল মান্নান মুন্সী। বয়স ৬১ বছর। বাবার নাম নাজির উদ্দিন মুন্সী, মায়ের নাম আমেনা খাতুন। মাদারীপুর সদরের মহিষের চর এলাকায় তার বাড়ি।

বেশ কিছু অজ্ঞাতপরিচয় লাশ এভাবে যন্ত্রের মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে ইদানীং। আপাতত পরীক্ষামূলকভাবে চলছে এই কার্যক্রম। পরীক্ষার ফল সন্তোষজনক হলে অদূরভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ যন্ত্র ব্যবহার করবে পুলিশ। এতে লাশ শনাক্তের ক্ষেত্রে জটিলতা কমবে। কম সময়ে জানা যাবে মৃত ব্যক্তির পরিচয়। এমনকি গ্রেফতারকৃত আসামি মিথ্যা নাম-পরিচয় বললে সেটাও তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যাবে। এতে মামলার তদন্ত ও সংশ্নিষ্ট অন্যান্য কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে  আশা করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, 'আড়াই বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। এটির মাধ্যমে হাতের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডার থেকে ওই ব্যক্তি সম্পর্কে জানা যায়।'

পিবিআই ঢাকা মহানগর অঞ্চলের বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জানান, পিবিআই সদর দপ্তরের সরবরাহ করা ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার মেশিন দিয়ে তারা পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছেন। এতে আশাব্যঞ্জক ফল আসছে। গত ২১ অক্টোবর পিবিআইর পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা এবং এসআই ফরিদ উদ্দিন ঢামেক মর্গে যন্ত্রটির কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করেন। এ সময় ঢাকা রেলপথ থানা ও বনানী থানা পুলিশের উদ্ধার করা দুটি লাশের আঙুলের ছাপ নিয়ে তাদের পরিচয় উদ্ঘাটন করেন তারা। এরপর বনানী থানা এলাকায় মৃত আবদুল মান্নান মুন্সীর বিষয়ে মাদারীপুর সদর থানার ওসিকে অবহিত করা হয়। তার মাধ্যমে খবর পেয়ে মৃতের ভাগ্নে সেলিম ঢাকায় এসে মামার লাশ গ্রহণ করেন। তিনি জানান, মৃতের মেয়ে ইসমত আরা উত্তরার আজমপুর এলাকায় থাকেন এবং পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। মৃত্যুর ১০/১২ দিন আগে মেয়ের বাসায় বেড়াতে আসেন আবদুল মান্নান মুন্সী। ১৫ অক্টোবর সকালে তিনি মেয়ের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ ছিলেন।

অন্যদিকে ঢাকা রেলপথ থানার ঘটনায় মৃত ব্যক্তির নাম রিপন ও বাড়ি বগুড়া বলে আগেই জানা গিয়েছিল। কিন্তু বিস্তারিত পরিচয়ের অভাবে তার লাশটিও স্বজনদের কাছে পৌঁছেনি। পিবিআই'র পরিদর্শক মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা জানান, ১৯ অক্টোবর রাতে রেললাইনে রিপনকে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যু হয় তার। আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে জানা যায়, তার পুরো নাম রিপন শেখ, বাবা জুলমাত আলী, মা রোকেয়া খাতুন ও স্ত্রী সুমাইয়া খাতুন। তার গ্রামের বাড়ি বগুড়ার ধুনট থানার গোবিন্দপুর এলাকায়।


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

২২৬ আইডি পেজ শনাক্ত


আরও খবর

প্রযুক্তি

ফেসবুকে গুজব

২২৬ আইডি পেজ শনাক্ত

প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  বিশেষ প্রতিনিধি

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক মন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঘটনায় ২২৬টি আইডি, পেজ এবং ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়েছে। যারা এসব আইডি নিয়ন্ত্রণ করছেন তাদের নজরদারিতে রেখেছে সিআইডির সাইবার মনিটরিং টিম। কয়েকজন যাতে দেশত্যাগ করতে না পারেন সে জন্য ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে যাদের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ৬টি মামলা করা হয়েছে।

সিআইডির দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সৌদি আরব প্রবাসী সুমন সরদার (২৫)  নামে এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের সদরপুরের ঢেউখালী। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত আসার সময় তাকে গ্রেফতার করতে ইমিগ্রেশনের পুলিশ সুপারকে চিঠি দিয়েছে সিআইডি। এ ছাড়া তুহিন শেখ নামে এক ব্যক্তি 'শেখ তুহিন' নামে ফেসবুক আইডি থেকে গুজব ছড়ান। এরই মধ্যে সিআইডি তাকে গ্রেফতার  করেছে। গ্রেফতারের পর নিজের দায় স্বীকার করে তুহিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। আরও যেসব আইডি থেকে অপপ্রচার ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে তা হলো- সুমন আহমেদ চৌধুরী, ওয়াহেদুল ইসলাম, মো. জাহান, জামিল হাসান আজাদ পিয়াস, লক্ষ্মীপুরের রামগতির মৃত গোলাম সোবহানের ছেলে আব্দুর রহমান, নরসিংদীর শিবপুরের সাঈদ খানের ছেলে মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মুসাফির পথিক, হাসান মাহমুদ, গোলাম নবিউল, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, আমি আওয়ামী লীগের ডাক্তার, রুবেল আহমেদ, দাদা ভাই, বিএনপি ব্রেকিং নিউজ২৪, মোখলেছুর রহমান ভূঁইয়া, সুমন আহসান, সঞ্জীব আনোয়ার, থলের বিড়াল, নারায়ণগঞ্জের জামতলার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মঈনুল হাসান আনিস, কিশোরগঞ্জের ভৈরবের নান্দু আহমেদ, নওয়াব, মিনার আহমেদ, আনোয়ার পারভেজ পাভেল, ফারিয়া সুলতানা পলি, হারুন অর রশিদ, রাকিব হুসাইন, রনি সভাপতি, আমি নেতা হবো, নূর আলম রিপন, আব্দুল্লাহ ইউসুফ শামীম ও চৌধুরী আনিস।

সিআইডির দায়িত্বশীল সূত্র আরও জানায়, গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানোর ঘটনায় ৩৭ ফেসবুক আইডি শনাক্তের পাশাপাশি ৬৫টি ফেসবুক পেজ, ৬৩টি ভুঁইফোঁড় নিউজ ওয়েবসাইট, ৫টি ইউটিউব চ্যানেল, একটি ব্লগ ও ২টি ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি ফেসবুক আইডি ও ১১টি পেজ বন্ধ করে দিতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে সিআইডি।

জানা যায়, এসব ফেসবুক আইডি থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সম্পর্কে মানহানিকর স্ট্যাটাস দেওয়া হয়।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গুজবে ইন্ধনকারী আইডি ছাড়াও একটি গ্রুপ রয়েছে যারা প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের অনলাইনে গিয়ে বিভিন্ন নিউজে পাঠক মন্তব্যের জায়গায় অশ্নীল ও বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

সিআইডি বলছে, গুজব ছড়ানোর ঘটনায় এ পর্যন্ত আটজনকে তারা গ্রেফতার করেছে। অন্যদের গ্রেফতার করতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলছে। এছাড়া সাইবার টহল জোরদার করা হয়েছে।

সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ঠেকাতে এরই মধ্যে সিআইডি সাইবার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সেখানে মোট জনবল ৩৪২ জন। বর্তমানে সাইবার সেন্টারে কর্মরত আছেন ৫২ জন। সমাজের বিশিষ্ট নাগরিক ও স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, ওমান, কাতার থেকে অপপ্রচার চালাচ্ছেন এমন কয়েকজনকে শনাক্ত করেছে সিআইডি। দেশে বসে যারা গুজব ছড়াচ্ছেন তাদের মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে তুহিন শেখ, আবদুর রহমানসহ কয়েকজনকে। বিদেশে বসে গুজব রটনাকারীদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিলে এরই মধ্যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এরই মধ্যে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে কূটনৈতিক চ্যানেলে রাষ্ট্রদূতদের চিঠি দিয়েছে সিআইডি। এছাড়া ন্যাশনাল সেন্টার ব্যুরোর (এনসিবি) মাধ্যমে ইন্টারপোলকে অবহিত করে বিদেশ থেকে কয়েকজন গুজব রটনাকারীকে দেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, গুজব রটনাকারীদের ব্যাপারে অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে সজাগ রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পল্টন, রামপুরাসহ কয়েকটি থানায় এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গুজব রটনাকারীরা দেশ-বিদেশে যেখানে থাকুন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

‘নতুন সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ’


আরও খবর

প্রযুক্তি

ফাইল ছবি

  বিশেষ প্রতিনিধি

ক্রমবর্ধমান ইন্টারনেটের চাহিদা মেটাতে কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে তৃতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হবে বাংলাদেশ। বুধবার বিকেলে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

অনুষ্ঠানে ফোরজি এলটির মাধ্যমে কথা বলে রবির নতুন প্রযুক্তি ভিওএলটিইর পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করেন তিনি। বাংলাদেশে রবিই প্রথম সর্বাধুনিক এই প্রযুক্তি নিয়ে আসছে। 

এ সময় আরও বক্তব্য দেন বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক এবং রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ। সঞ্চালনা করেন রবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (জনসংযোগ) ইকরাম কবীর।

মোস্তাফা জব্বার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। ২০০৮ সালে মাত্র ৮ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ ব্যবহার হলেও বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে ৯০০ জিবিপিএস-এর বেশি। ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে আরও ব্যান্ডউইথ অর্জনের বিকল্প নেই। এ কারণেই বাংলাদেশ তৃতীয় আরেকটি সাবমেরিন কেবলে সংযুক্ত হওয়ার প্রকল্প নিয়েছে। এরই মধ্যে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য-পশ্চিম ইউরোপ (সি-মি-উই)-৬ নামে নতুন একটি সাবমেরিন কেবল কনসোর্টিয়াম গঠনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগ চলছে। বাংলাদেশ এই কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমেই তৃতীয় সাবমেরিন কেবলে যুক্ত হবে। এর আগে বাংলাদেশ সি-মি-উই-৪ এবং সি-মি-উই-৫ সাবমেরিন কেবল কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হয়েছে।

সংশ্নিষ্ট সূত্র জানায়, সি-মি-উই-৬ কনসোর্টিয়াম গঠনের জন্য এর আগের দুটি কনসোর্টিয়ামে যুক্ত দেশগুলোকে মূল উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৮ জানুয়ারি হনুলুলু হাওয়াইতে নতুন কনসোর্টিয়াম গঠনের জন্য প্রথম বৈঠক হবে। এ বৈঠকের মাধ্যমে এ কনসোর্টিয়ামে অন্তর্ভুক্ত হতে বিনিয়োগের শর্ত, সাবমেরিন কেবলের সক্ষমতার পরিধিসহ অন্যান্য কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত হবে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কনসোর্টিয়াম গঠনের পরবর্তী পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হবে।

অনুষ্ঠানে রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, ভিওএলটিই হচ্ছে ফোরজি নেটওয়ার্কে নিরবচ্ছিন্নভাবে ভয়েস কল সেবা দেওয়ার প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে রবি নেটওয়ার্কে গ্রাহকেরা হাই ডেফিনেশন ভয়েস কল সেবা এবং দ্রুততর কল সংযোগ উপভোগ করতে পারবেন। এর ফলে ফোরজিতেই পৃথকভাবে ডাটা ও ভয়েস কল সেবা দেওয়া যায়। অর্থাৎ, নতুন এই প্রযুক্তি চালু হলে ভয়েস কল এবং ইন্টারনেট সেবা ফোরজি প্রযুক্তিতেই দেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে ভয়েস কলের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সংযোগ বিঘ্নিত হবে না। 

তিনি আরও জানান, এই প্রযুক্তিতে স্মার্টফোনে ৪০ শতাংশ ব্যাটারি খরচ কম হবে। তিনি জানান, রবি এই সেবা দিতে প্রস্তুত, এখন শুধু আন্তঃসংযোগে কিছু প্রক্রিয়াগত বিষয় সম্পন্ন হলেই গ্রাহক পর্যায়ে এই সেবা পৌঁছে যাবে। এই প্রযুক্তি উপভোগ করতে গ্রাহকদের উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হবে।

পরের
খবর

৭ দিনের নিচে ইন্টারনেট প্যাকেজ থাকবে না: বিটিআরসি


আরও খবর

প্রযুক্তি

  অনলাইন ডেস্ক

মোবাইল ফোন অপারেটরদের দেয়া ইন্টারনেট সেবায় সাত দিনের নিচে আর কোনো প্যাকেজ থাকবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বুধবার সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে ‘টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)’-এর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক। খবর ইউএনবির

তিনি আরও জানান, আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে সিদ্ধান্তটি কার্যকর করতে খুব দ্রুত সময়ে মধ্যে মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে চিঠি পাঠানো হবে।

এর আগে বিটিআরসি সাত দিনের নিচের ইন্টারনেট প্যাকেজগুলো বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েও তা থেকে সরে এসেছিল।

এ প্রসঙ্গে জহুরুল হক বলেন, ওই সময় সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও বেশিরভাগ মোবাইল ফোন কোম্পানির বহু প্যাকেজ থাকায় তা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা যায়নি। ওই প্যাকেজগুলো আগামী ১ ফেব্রুয়ারির আগেই শেষ হয়ে যাবে।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, এ বছর আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ডাটার গুণগত সেবা নিশ্চিত করা। গুণগত সেবা না দিতে পারলে প্রয়োজনে অপারেটরদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।