সিলেট

দোয়ারাবাজারে যুবককে গলা কেটে হত্যা

প্রকাশ : ০৯ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৮

দোয়ারাবাজারে যুবককে গলা কেটে হত্যা

তৌহিদ মিয়া

  ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে তৌহিদ মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পুলিশ বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন একটি গলি থেকে লাশটি উদ্ধার করে। তৌহিদ উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলাউড়া (মাদ্রাসা পাড়া) গ্রামের অহিদ মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, তৌহিদ স্থানীয় কলাউড়া বাজারে দোকান ভাড়া নিয়ে বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা করতেন। শুক্রবার সকালে বাজারের একটি গলিতে তার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়। এরপর গলির পাশে একটি তিনতলা ভবনের ছাদে রক্তের দাগ পাওয়া যায়। দুর্বৃত্তরা গভীর রাতে তৌহিদকে গলা কেটে হত্যা করে গলির মধ্যে লাশ ফেলে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন মাস্টার জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে তৌহিদ নিখোঁজ ছিল বলে পরিবারের লোকজন জানায়। এরপর সকালে বাজারে তার গলা কাটা লাশ পাওয়া যায়।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি সুশিল রঞ্জন দাস বলেন, তৌহিদের গলা ছাড়াও শরীরের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকারীদের ধরতে তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

ওসির পাঠানো ‘উপহার’ ফিরিয়ে দিলেন প্রতিমন্ত্রী


আরও খবর

সিলেট

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ -ফাইল ছবি

  সিলেট ব্যুরো

সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল জলিলের পাঠানো ‘উপহার’ ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ। 

বৃহস্পতিবার সকালে গোয়াইনঘাটে জৈন্তাপুরের শ্রীপুরে প্রতিমন্ত্রীর বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। নতুন সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর গত সোমবার নিজের নির্বাচনী এলাকায় আসেন প্রতিমন্ত্রী ইমরান। 

জানা গেছে, বুধবার রাতে ওসি আবদুল জলিল প্রতিমন্ত্রীকে খুশি করতে তার বাড়িতে ট্রাকভর্তি বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী পাঠান। বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে ট্রাকটি দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী তা ওসির কাছে ফেরত পাঠান। 

প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ জানান, আমি কখনই কোন উপহার গ্রহণ করি না। তিনি (ওসি) না জেনেই এগুলো পাঠিয়েছিলেন। ফলে তা ফিরিয়ে দিয়েছি।

এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার ওসি আবদুল জলিলের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। একই থানার ওসি (তদন্ত) কল্লোল রায় এ ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

সিলেট হবে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল শহর: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আরও খবর

সিলেট

ফাইল ছবি

  শাবি প্রতিনিধি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, সিলেট হবে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল শহর। শহরের যেকোনো জায়গায়বিনা পয়সায় ওয়াইফাই পাওয়া যাবে। তবে এগুলো ম্যানেজ করার জন্য আমাদের কর্মক্ষম লোক দরকার। এটা একদিনে সম্ভব নয়। সিলেট বিমানবন্দরের পাশে একটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি হচ্ছে। আমাদের বিমানবন্দরও কয়েকগুণ বড় হবে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের 'এ' ইউনিটের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।

ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে সামাজিক বিভিন্ন সূচকে অনেক অগ্রসর। গত দশ বছরে দেশ অনেক অগ্রসর হয়ছে। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে। আমরা চাই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে। যেখানে সকল নাগরিকের সমান সুযোগ থাকবে। সবাই সমান অধিকার ভোগ করতে পারবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা বর্তমান পর্যায়ের অপ্রজ্বলিত নক্ষত্র। এখন আমাদের কাজ শুধু তোমাদের জ্বালিয়ে দেওয়া। তোমরাই আগামী দিনের নেতা, তোমরাই নেতৃত্বে আসবে।

শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন- ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক প্রধান এবং বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শাবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস উদ্দীন বিশ্বাস। 

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল গনি, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোছাদ্দেক আহমেদ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ তালুকদার, প্রক্টর জহীর উদ্দিন আহমদ, অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী ও রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন প্রমুখ। 

নবীনদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জমির উদ্দিন এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী জারিম তাসনিম আনিকা।

সংশ্লিষ্ট খবর

পরের
খবর

রোহিঙ্গা ইস্যু জিইয়ে রাখলে আঞ্চলিক অশান্তি সৃষ্টি হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আরও খবর

সিলেট

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর মঙ্গলবার সিলেটে পৌছানোর প৫র বিমানবন্দরে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন- সমকাল

  সিলেট ব্যুরো

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যু বেশিদিন জিইয়ে রাখা হলে এ অঞ্চলে অশান্তি সৃষ্টি হবে। এতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এখন আর বাংলাদেশের সমস্যা নয়। এটা একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, এ সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলেই এ সমস্যার সমাধান করব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর  মঙ্গলবার সিলেটে ফিরেছেন সিলেট-১ আসন থেকে বিজয়ী সংসদ সদস্য ড. এ কে আবদুল মোমেন। এ উপলক্ষে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে তাকে অভ্যর্থনা ও সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সংবর্ধনা চলাকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র কৌশল জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমারা কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়, বরং সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব রেখেই চলতে চাই।'

আবদুল মোমেনের আগে সিলেট থেকে আরও দু'জন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা হলেন প্রয়াত আবদুস সামাদ আজাদ ও হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

দায়িত্ব নেওয়ার পর এদিন দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন ড. মোমেন। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে তাকে অভ্যর্থনা জানান জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। 

বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তিনি হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে আসেন। মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বিকেলে সিলেট চেম্বার সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য দেন ড. মোমেন। 

এদিকে বুধবার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। 

মাজার জিয়ারত শেষে ড. মোমেন প্রয়াত আবদুস সামাদ আজাদ ও হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীকে স্মরণ করে বলেন, তাদের যে সুনাম রয়েছে ও তারা যেভাবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, আমি তাদের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই।

বিমানবন্দর ও শহীদ মিনারে ড. মোমেনের সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহসভাপতি আশফাক আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সুজাত আলী রফিক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বিজিত চৌধুরী, অধ্যাপক জাকির আহমদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট খবর