সিলেট

দ্বার খুলল সিলেট বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রের

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০১৮ | আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০১৮

দ্বার খুলল সিলেট বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রের

সিলেট বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র খুলে দেওয়ার পর জেব্রা দেখছেন দর্শনার্থীরা। ছবি: সমকাল

  সিলেট ব্যুরো

অবশেষে দ্বার খুলে দেওয়া হলো সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকায় অবস্থিত সিলেট বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রের। প্রায় এক যুগ পর নানা প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে আলোর মুখ দেখল দেশের তৃতীয় এই বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র। শুক্রবার দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় এটি। নামমাত্র মূল্যে প্রবেশ করে তারা দেখতে পান বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী।

ইতিমধ্যে এখানে ৫৯টি প্রাণী আনা হয়েছে। প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়ার পর পরই প্রাণী দেখার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়েন দর্শনার্থীরা। সকাল থেকেই শত শত দর্শনার্থীর আগমন ঘটে।

সিলেট বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে নগরীর টিলাগড়ে শুরু হয় টিলাগড় ইকো পার্কের নির্মাণ কাজ। পাহাড়-টিলাবেষ্টিত ও ঘন সবুজে আচ্ছাদিত ১১২ একর আয়তনের এই ইকো পার্ক তৈরিতে প্রথম পর্যায়ে ব্যয় হয় ১ কোটি ১৮ লাখ ১৪ হাজার টাকা। ২০১২ সালের ৩ অক্টোবর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভায় টিলাগড় ইকো পার্কে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়। সংরক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য সে বছর ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৬ হাজার টাকা বরাদ্দও দেওয়া হয়। ওই প্রকল্পের কাজ তিন বছরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। ৩ বছরে ৬ কোটি টাকার কাজ হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারায় ৪ কোটি টাকা ফিরিয়ে নেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। ২০১৬ সালের জুনে প্রকল্পের কাজ শেষে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রটি সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তার দপ্তরের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

সেখানে প্রাণীদের জন্য ময়ূর শেড, গণ্ডার শেড, হরিণ শেড ও হাতি শেড তৈরি করা হয়। লোকবল সংকটের কারণে পরিত্যক্ত অবস্থায় শেডগুলো পড়ে থাকে প্রায় দু'বছর।

সম্প্রতি গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে দুটি জেব্রাসহ ৯ প্রজাতির ৫৮টি প্রাণী আনা হয়। এর মধ্যে দু'টি হরিণ, ১২টি ময়ূর, চারটি আফ্রিকান প্যারট, একটি গোল্ডেন ফিজেন্ট পাখি, তিনটি সিলভার ফিজেন্ট পাখি, তিনটি ম্যাকাও পাখি, চারটি সান কানিউর, একটি অজগর ও ৩০টি লাভ বার্ডও রয়েছে। আগামী সপ্তাহে যুক্ত হবে আরও দু'টি হরিণ। ডিসেম্বরে আনা হবে বাঘ।

সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আরএসএম মনিরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, শিগগিরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগে এখানে সব ধরনের প্রাণী আনা হবে। উদ্বোধনের পর অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত (শীতকালীন সময়সূচি) সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা এবং ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এ সংরক্ষণ কেন্দ্র। এখন নামমাত্র ফি পরিশোধ করতে হবে দর্শনার্থীদের।

তিনি জানান, আগামীতে সিংহ, বিয়ার, হনুমান, বেজি, বনরুই, বাঘডাস, বনবিড়াল, শিয়াল, খেকশিয়াল, গন্ডার, এশীয় হাতি, পরিযায়ী পাখি, জলজ পাখি, বনছাগল, বিভিন্ন প্রজাতির বানর, কালো ভালুক, মিঠা পানির কুমির, নীল গাই, জলহস্তী আনার পরিকল্পনা রয়েছে। দেশীয় জীবজন্তুর আশ্রয়স্থল হিসেবে হলেও এখানে নেপাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরব থেকে বেশির ভাগ প্রাণী নিয়ে আসা হবে।

তিনি আরও জানান, প্রকল্পের জন্য ৪০ প্রজাতির প্রায় সোয়া চারশ' প্রাণী কেনা হবে, যার মধ্যে দু'শ প্রাণীই থাকবে বিরল ও নতুন। এছাড়া, এখানে প্রাণীদের স্বাস্থ্য ও নানা ধরণের সেবার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি থেকে চিকিৎসা ও খাদ্যের মান পরীক্ষার জন্য আধুনিকমানের উপকরণ কেনা হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর


মন্তব্য যোগ করুণ

পরের
খবর

রোহিঙ্গা ইস্যু জিইয়ে রাখলে আঞ্চলিক অশান্তি সৃষ্টি হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আরও খবর

সিলেট

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর মঙ্গলবার সিলেটে পৌছানোর প৫র বিমানবন্দরে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন- সমকাল

  সিলেট ব্যুরো

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যু বেশিদিন জিইয়ে রাখা হলে এ অঞ্চলে অশান্তি সৃষ্টি হবে। এতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা এখন আর বাংলাদেশের সমস্যা নয়। এটা একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা, এ সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলেই এ সমস্যার সমাধান করব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর  মঙ্গলবার সিলেটে ফিরেছেন সিলেট-১ আসন থেকে বিজয়ী সংসদ সদস্য ড. এ কে আবদুল মোমেন। এ উপলক্ষে বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে তাকে অভ্যর্থনা ও সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সংবর্ধনা চলাকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র কৌশল জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমারা কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়, বরং সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব রেখেই চলতে চাই।'

আবদুল মোমেনের আগে সিলেট থেকে আরও দু'জন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা হলেন প্রয়াত আবদুস সামাদ আজাদ ও হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

দায়িত্ব নেওয়ার পর এদিন দুপুর দেড়টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন ড. মোমেন। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে তাকে অভ্যর্থনা জানান জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী। 

বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তিনি হযরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে আসেন। মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে বিকেলে সিলেট চেম্বার সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য দেন ড. মোমেন। 

এদিকে বুধবার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে। 

মাজার জিয়ারত শেষে ড. মোমেন প্রয়াত আবদুস সামাদ আজাদ ও হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীকে স্মরণ করে বলেন, তাদের যে সুনাম রয়েছে ও তারা যেভাবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন, আমি তাদের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই।

বিমানবন্দর ও শহীদ মিনারে ড. মোমেনের সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সহসভাপতি আশফাক আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান, সুজাত আলী রফিক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বিজিত চৌধুরী, অধ্যাপক জাকির আহমদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ প্রমুখ।

পরের
খবর

বিয়ের মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, নিহত ৫


আরও খবর

সিলেট

  মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

মাধবপুরে বরযাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে গেলে পাঁচজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুর পৌর শহরের কাছে বীরপাশায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।   

নিহতরা হলেন- ঢাকার খিলগাঁও থানার দক্ষিণ গোড়ান এলাকার নুরজ্জামানের ছেলে হাসান জামান (৩২), একই এলাকার অপু মিয়া (২৫), তার স্ত্রী ঝুমুর (২২), রিজন সালেইন (২৮) ও পরশ (২৫)। এ ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছে। তারা হলেন- বর আশরাফুল ইসলাম (২৫), মুনতাসির (৩৫)। আহত অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। 

আহত মুনতাসির জানান, তারা ঢাকার দক্ষিণ গোড়ার থেকে বরযাত্রী হয়ে সিলেট উপ-শহরে যাচ্ছিলেন। পথে দুপুর ২টার দিকে মাধবপুর পৌর শহরের কাছে বীরপাশায় পৌঁছালে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে মাইক্রোবাস ধুমড়ে-মুছড়ে যায়। খবর পেয়ে মাধবপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের মাধবপুর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। 

মাধবপুর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নাদিরুজ্জামান জানান, হাসপাতালে আসার আগেই চারজনের মৃত্যু হয়। আর হাসাপাতলে মারা যায় একজন। 

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দন কুমার চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ হাইওয়ে পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পরের
খবর

সিলেটে নতুন জলাবন বড় জুরি-ছোট জুরি


আরও খবর

সিলেট

পর্যটন

সিলেটে নতুন জলাবন বড় জুরি-ছোট জুরি

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ | প্রিন্ট সংস্করণ

  চয়ন চৌধুরী, সিলেট

সূর্য অস্ত যাওয়ার তখনও বেশ খানিকটা বাকি। পাখির কলকাকলিতে মুখর চারদিক। ডাহুক, কানাবক, ঘুঘু, মাছরাঙা, বালিহাঁসসহ নাম না জানা বিচিত্র সব পাখির কলরব। দিনের আলো নিভে যাওয়ার পর ভেসে আসে শেয়ালের হুক্কাহুয়া ডাক। একেবারে লাগোয়া বড় জুরি ও ছোট জুরি হাওরকে প্রকৃতি সাজিয়েছে অপরূপ সাজে। সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার করগ্রামের হাওর যেন আরেক জলাবন রাতারগুল। নতুন করে পরিচিতি পাওয়া এই জলাবন এরই মধ্যে পর্যটকদের নজরে এসেছে।

শতবর্ষী অগণিত হিজল, কড়ই গাছের আঁকাবাঁকা শাখার মতো বনের মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে পুটিজুরী নদী। বর্ষায় চারদিকে অথৈ পানির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকে হিজল, করচ, বরুণ, শেওড়াসহ দেশি পানিবান্ধব নানা প্রজাতির গাছ-গাছালি। গাছের মধ্যে আবার হিজলের সংখ্যাই বেশি। নদীতে রয়েছে হরেক রকমের মাছের রাজত্ব। সাপ, বিচ্ছু, কচ্ছপ, গুইসাপসহ রয়েছে উভচর প্রাণী। পাশে ঘন ইকড় আর খাগ-ছনের ঝোপে শেয়ালের ছোটাছুটি। সন্ধ্যা নামলে নেউল ও বনবিড়াল বেরিয়ে পড়ছে খাবারের নেশায়। শুস্ক মৌসুমে পানি নেমে গেলে সবুজে ছেয়ে থাকে পুরো এলাকা। সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর উপজেলা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি তেল-গ্যাসের জন্য পরিচিত। শ্রীপুর, সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র, লাল শাপলার রাজ্য, হরিপুরের গ্যাসকূপ, নীল জলের সারী নদী, লালাখাল চা বাগানের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে বিমোহিত হন পর্যটকরা। এই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে করগ্রামের বড় জুরি ও ছোট জুরি। চলতি মৌসুমে এই জলাবনে অনেক পর্যটকের পা পড়েছে। স্থানীয় কামাল আহমদ জানান, যখন সময় পাই তখন কিছু সময় বনটিতে ঘুরতে আসি। এখানকার প্রকৃতি অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর।

করগ্রামের নাছির রাসেল, আবদুল কুদ্দুছ, সফিকুল, শাহজালাল ভূঁইয়া ইমনসহ অনেকের মতে, এই হাওরের অপরূপ সৌন্দর্য জলাবন রাতারগুলকেও হার মানায়। এ দুটি হাওর ঘুরে আসা প্রবাসী সুলেমান বলেন, বাড়িতে এসে বন্ধুদের নিয়ে দেখে এসেছি। বর্ষায় এলে আরও ভালো লাগত। সেভ দ্য হেরিটেজ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট প্রধান সমন্বকারী আবদুল হাই আল-হাদী জানান, বড় জুরি ও ছোট জুরি দুটিকে যদি পর্যটনের আওতাভুক্ত করা হয়, তাহলে পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়বে। তবে তিনি প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষারও আহ্বান জানান।

প্রায় দুই হাজার একর আয়তনের বড় জুরি ও ছোট জুরি হাওর সরকারি মালিকানায় রয়েছে। সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের পূর্ব পাশে হওয়ায় জাফলং, শ্রীপুর, লাল শাপলার রাজ্য এবং লালাখালে ঘুরতে আসা পর্যটকরা সহজেই ঘুরে যেতে পারবেন। তবে কোনোভাবেই যেন এটি মানুষের কাছে আকর্ষণীয় পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত না হয়, এ আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবাদীরা। তারা মনে করেন, পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠলে এই হাওরের প্রকৃতি ও প্রাণীকুল ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাতারগুলসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এমন ঝুঁকিতে পড়েছে।

বর্ষা মৌসুমে সিলেট-তামাবিল সড়কের হেমু করিসের ব্রিজ বা দামড়ী ব্রিজ থেকে নৌকায় ঘণ্টা খানেক সময় পূর্ব দিকে এবং শুকনো মৌসুমে দরবস্ত বাজার থেকে কানাইঘাট রাস্তা দিয়ে করগ্রাম রাস্তা ধরে ২০ থেকে ২৫ মিনিটেই পৌঁছা যায় হাওর দুটিতে।